০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯, ৬ জিলহজ ১৪৪৩
`

ব্যালন ডি’অরে কেন নেই মেসি-রোনালদো

-

ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার নাকি ব্যালন ডি’অর চ্যাম্পিয়ন- কোনটি বেশি মর্যাদার? এমন বিতর্ক আছে ফুটবল বিশ্বে। বিশেষ করে লিওনেল মেসি-ভক্তদের কাছে হয়তো ফ্রেঞ্চ ফুটবলের এই ট্রফি ফিফার বর্ষসেরা হওয়ার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ আর্জেন্টাইন সুপারস্টার ২০২১ সেশনসহ সর্বোচ্চ রেকর্ড সাতবার ফুটবলের ‘নোবেল খ্যাত’ ব্যালন ডি’অর চ্যাম্পিয়ন। এই তালিকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এই অ্যাওয়ার্ড নিয়ে মেসি আর রোনালদোর লড়াইও বহু দিনের। কিন্তু এবার ফ্রেঞ্চ ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে প্রাথমিক র্যাংকিংয়ে ২০ জনের তালিকায়ও স্থান পাননি আর্জেন্টান ও পর্তুগিজ কিংবদন্তি। এর কারণ চলতি মৌসুমে নিজেদের সেভাবে তুলে ধরতে পারেননি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই দুই তারকা।
গত মৌসুমের শুরুতে বার্সেলোনা ছেড়ে ২০২১-২২ সেশনের জন্য মেসি যুক্ত হয়েছিলেন প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের সাথে। ২০০৩-এ ক্লাব ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বার্সেলোনা সি, বার্সেলোনা বি-এর পর ২০০৪ সালে বার্সার মূল দলে যুক্ত হন মেসি। টানা ১৯ বছরই কেটে গেছে তার একই ক্লাবে। অনেক মান-অভিমানের পর বাধ্য হয়ে ২০২১-২২ সেশনে স্প্যানিশ ক্লাবটি ছেড়ে ফ্রেঞ্চ ক্লাবটিতে যুক্ত হন। কিন্তু নতুন ক্লাবে আপন রূপে জ্বলে উঠতে পারেননি ৩৪ বছরের মেসি।


অপর দিকে রোনালদো দীর্ঘ বছর পর ফের মৌসুম শুরু করেছিলেন সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাটেডে। পর্তুগিজ স্ট্রাইকারও আগের মতো খাপখাওয়াতে পারেননি রেড ডেভিলদের সাথে। মৌসুমে মেসি পিএসজির জার্সিতে গোল পেয়েছেন মাত্র ১১টি, লিগ ওয়ান ও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলে খেলেছেন ৩৪টি ম্যাচ। অবশ্য সতীর্থদের দিয়ে ১৪ গোল করিয়েছেন ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের ২৬ ম্যাচে। পেরিসের ক্লাবটি মৌসুমে লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন, এতটুকুই। আর কোনো ট্রফি ঘরে তোলা হয়নি পেরিস জায়ান্টদের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিরা বাদ পড়েছে শেষ ১৬ থেকেই। পিএসজি অবশ্য ২০০০ সালে একবারই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার সুযোগ পেয়েছিল। তখন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে যাওয়ায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হারায়। এ বছর মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো তারকা ফুটবলার এক সাথে থাকার পরও নকআউট পর্ব থেকে পিএসজির বাদ পড়ায় আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের ক্যারিয়ারেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। অবশ্য ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ন এমবাপ্পে মৌসুমজুড়ে মোট ৪৮ গোল করে ও ৩১ গোলে অবদান রেখে ব্যালন ডি’অর লড়াইয়ে শীর্ষ পাঁচে স্থান করে নিয়েছেন।
ম্যানইউর হয়ে ২০০৩ সালে ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু রোনালদোর, ছিলেন ২০০৯ পর্যন্ত। শুরুতে তার বয়স ছিল মাত্র ১৮। এখন ৩৭। মাঝখানের সময় কেটেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ আর ইতালির শক্তিশালী ক্লাব জুভেন্টাসে। পরিণত বয়সে আবার শুরুর ক্লাবে। ৩৭ বছরে এসে ১৮ বছরের তরুণের রূপে জ্বলে ওঠা হয়নি পর্তুগিজ কিংবদন্তির। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মিলে মোট ৩৭ ম্যাচে পেয়েছেন ২৪ গোল, সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরো তিনটি। কিন্তু মৌসুমে ৯ বার মাঠে ফাউল করে দেখতে হয়েছে হদুল কার্ড। ম্যানইউর ঘরে তুলতে পারেননি কোনো ট্রফি।
এমনটি ইংলিশ লিগে টেবিলের ৬-এ থেকে মৌসুম শেষ করায় আগামীতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতাই হারিয়েছে তিনবারের উয়েফা চ্যাম্পিয়নসহ পাঁচবারের ফাইনালিস্ট ক্লাবটি। ক্লাবের এই তলানিতে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর চ্যাম্পিয়নের এবার স্থান হয়নি তালিকার বিশেও!

 


আরো সংবাদ


premium cement
তিনি সাকিব দুরন্ত কামব্যাক করে শেষ চারে জোকার আভিযানিক সফলতা বাড়াতে চায় এপিবিএন ১১ ব্রিটেনে গুরুত্বপূর্ণ ২ মন্ত্রীর পদত্যাগ : সঙ্কটে বরিস সরকার ক্যারিবীয় সফর শেষে এ মাসেই জিম্বাবুয়ে যাচ্ছেন টাইগাররা বিএনপির ত্রাণ তহবিলে অর্থ দিলেন ১১ জেলার নেতা-কর্মীরা নিরাপদ অভিবাসনের জন্য কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের যাত্রা শুরু সদস্য হলেন ড. আসিফ নজরুল ও ফরিদা আখতার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতাও প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী ‘প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বশীলতাও প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

সকল