১৩ মে ২০২১
`

ব্রাদার্সে ভিন্ন চ্যালেঞ্জে এমিলি

-

আলফাজ আহমেদের পর বাংলাদেশে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের শেষ দক্ষ এবং স্বীকৃত স্ট্রাইকার তিনি। ২০০২ সাল থেকে খেলছেন দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলে। সেই জাহিদ হাসান এমিলির ইচ্ছে ছিল মোহামেডান ক্লাব থেকেই বুট জোড়া তুলে রাখতে। পট পরিবর্তিত সাদা-কালো শিবিরে অবশ্য বিদায়টা নেয়া হয়নি তার। গতবার তো ক্লাবই পাননি। এবারো দল জোটেনি প্রথম দলবদলে। শেষ পর্যন্ত এবারের মধ্যবর্তী দলবদলে তার ঠাঁই হলো ব্রাদার্স ইউনিয়নে। এই ক্লাবেই ২০০২ সালে ক্যারিয়ার শুরু। জাতীয় দলের লালসবুজ জার্সিও এই ক্লাবে খেলেই। দলকে লিগ এবং ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়নও করিয়েছেন। তবে এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গোপীবাগের দলে যোগ দেয়া। রেলিগেশন শঙ্কায় ভুগছে কমলা রঙের জার্সিধারীরা। দলকে প্রিমিয়ারে টিকে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের হয়ে প্রায় সব আসরে গোল করা এই পিরোজপুরের সন্তানের।
২০১৯ সালে মোহামেডানের ছিলেন সর্বশেষ। সেই ক্লাবে থাকার সময়ই হাঁটুতে চোট পাওয়া। ঢাকাতেই চিকিৎসা করে এখন তিনি সুস্থ। তাই ব্রাদার্স ক্লাব থেকে প্রস্তাব পেয়েই পুরনো এই ক্লাবে খেলতে সম্মতি তার। এমিলি জানান, ‘আমি ফুটবলকে ভালোবাসি। এই ফুটবলের কল্যাণেই সবাই আমাকে চেনে। ফুটবলকে বিদায়ও জানাতে চাই আনুষ্ঠানিকভাবে। তাই ব্রাদার্স আমাকে দলে নেয়ার প্রস্তাব দিয়ে যে সম্মান দেখিয়েছে সেটার মর্যাদা রাখতে চাই।’ যোগ করেন, এই ক্লাবেই আমার শুরু। এই ক্লাবে ভালো খেলাই আমার লক্ষ্য। ফিরেও এলাম সে জন্য।
জাতীয় দলে আর খেলার ইচ্ছে তেমন নেই। তবে আরো যে দুই-তিন বছর খেলার ইচ্ছে সেখানে নিজের মানের প্রতি সুবিচার করতে চান তিনি। জানান, চ্যালেঞ্জ নিলে চ্যালেঞ্জ। না নিলে কিছুই না। আমার কিন্তু টার্গেট মাঠে পারফর্ম করা। সে সাথে ব্রাদার্স যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমাকে দলে টেনেছে সে অবনমন ঠেকানো ক্লাবটির।
দেশের সব বড় ক্লাবেই খেলেছেন এমিলি। ঢাকা আবাহনী মোহামেডান, শেখ জামাল, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রে তার সরব উপস্থিতি। তবে ব্রাদার্সের জার্সি গায়েই অবসর নিতে চান তা নয়। জানান, আমার ইচ্ছে ছিল মোহামেডান থেকেই ফুটবলকে বিদায় বলা। এখন দেখি আরো যে কয় বছর খেলি কোন ক্লাব থেকে অবসরে যাওয়া যায়। যদি সুযোগ থাকে তাহলে হয়তো গোপীবাগের ক্লাবেই হবে আমার শেষ ম্যাচ।



আরো সংবাদ