২৭ অক্টোবর ২০২০

বড় জয়েও আফিফের দুই রানের আক্ষেপ

-

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে প্রথম রাউন্ডে একটি করে জয় ছিল তিন দলের। গতকাল মাহমুদুল্লাহকে একাদশকে ১৩১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দুই জয়ে শীর্ষে রইল নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশ। মাত্র দুই রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়া আফিফ হোসেন ধ্রুব আফসোসে পুড়ছিলেন। দলের জয়ে সেখানে প্রশান্তিতে রয়েছেন তিনি। গতকাল দ্বিতীয় পর্বে ধ্রুব ও মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৪ রান করেছিল শান্ত বাহিনী। জবাবে মাহমুদুল্লাহ একাদশ মাত্র ৩২.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৩ রানে। ফলে ১৩১ রানে জয়ী হয় শান্তর দল।
মাহমুদুল্লাহ একাদশের পক্ষে সর্বোচ্চ সমান ২৭ রান করেন লিটন দাস ও নুরুল হাসান সোহান। ৩টি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও আবু জায়েদ রাহী, রিশাদ দু’টি ও আল আমিন একটি উইকেট নেন।
টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগেছেন ব্যাটসম্যানরা। তবে তৃতীয় ম্যাচে রানের দেখা পেয়েছেন কয়েকজন। সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিকুর রহীম। দারুণ ইনিংস খেলেছেন মেহেদী হাসান। তবে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে আছেন প্রতিটি দলের বোলাররা।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে নাজমুল একাদশকে ব্যাট করতে পাঠান মাহমুদুল্লাহ। শুরুতেই নাজমুল একাদশকে কাঁপিয়ে দেন পেসার রুবেল হোসেন। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সৌম্য সরকারকে (৮) সাজঘরে পাঠান। ষষ্ঠ ওভারে ১৪ বলে ৩ রান করা অধিনায়ক শান্তকেও ফেরান রুবেল। নবম ওভারে নিজের প্রথম উইকেট পান সুমন খান। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে পারভেজ হোসেন ইমনকে (১৯) ফেরান।
৩১ রানে তিন উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন আফিফ ও মুশফিক। চাপ কাটিয়ে ধীরে সুস্থে দলকে এগিয়ে নেন দুইজনে। অবশ্য শুরুতেই স্লিøপে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন মুশফিক। মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ ছেড়ে দিলে বেঁচে যান অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। এক রানে জীবন পেয়ে আফিফের সাথে ১৪৭ রানের জুটি গড়েন মুশফিক। আফিফ ৬৯ বলে ব্যক্তিগত হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে। এরপর সেঞ্চুরির কাছাকাছিও গিয়েছিলেন । কিন্তু ৩৮.৫ ওভারে মুশফিকের সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউট হন তিনি। ৯৮ রানে থামে আফিফের ইনিংস। ১০৮ বলে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায়।
এর মধ্যে ৯০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মুশফিক। এর পর বেশি দূর যেতে পারেননি। ৯২ বলে ৫২ রানে ইবাদত হোসেনের বলে আউট হন তিনি। শেষের দিকে ইরফানের ৩২ বলে ৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৪ রান করে নাজমুল একাদশ। বল হাতে রুবেল ৩, ইবাদত ২ ও সুমন খান একটি উইকেট নেন।

 


আরো সংবাদ