২৭ অক্টোবর ২০২০

তাবিথ-মহিতে বিভক্ত দু’পক্ষই

-

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নবনির্বাচিত কমিটি ব্যস্ত তাদের আগামী পরিকল্পনা নিয়ে। আর অন্য দিকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন দুই সহসভাপতি প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও মহিউদ্দিন মহি। ৩ অক্টোবরের নির্বাচনে চতুর্থ সহসভাপতি পদে দু’জন ৬৫ করে ভোট পাওয়ায় ৩১ অক্টোবর ফের নির্বাচন এই পদে। এবারের নির্বাচনে মহি ছিলেন জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থিত সমন্বয় পরিষদের সহসভাপতি প্রার্থী। আর তাবিথ আউয়াল গতবারের মতোই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ দিকে এই পুনর্নির্বাচনকে ঘিরে যে দু’পক্ষ কাজ করছে এই উভয় পক্ষেই বিভক্তি দেখা দিয়েছে। বিশ্বস্ত একাধিক সূত্রে জানা গেছে তা।
তাবিথ আউয়াল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ২০১৬ সালের নির্বাচনে পাস করে ফুটবল উন্নয়নে প্রচুর কাজ করেছেন। বাফুফেতে দুই টার্ম মিলে আট বছরে আট কোটি টাকার মতো স্পন্সর জোগাড় দিয়েছেন। বাফুফে সূত্রেই জানা গেছে তা। ন্যাশনাল টিমস কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবেও তার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। জাতীয় দলের গত কয়েক বছরে ভালো পারফরম্যান্সের নেপথ্যে ছিল তার কার্যকরী ভূমিকা। তাই কাজী সালাউদ্দিনসহ বাফুফের অনেকেরই পছন্দের তিনি। অন্য দিকে মহি ব্যাপকভাবে সালাউদ্দিনের সমালোচনা করে বিরাগভাজন হন বাফুফে সভাপতিসহ অন্যদের। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিনের প্যানেলের লোকজন এখন তাবিথকেই চান সহসভাপতি হিসেবে দেখতে। অবশ্য সম্মিলিত পরিষদের সবাই এই কাতারে নয়। কিছু আছেন যাদের প্রিয় প্রার্থী মহিউদ্দিন মহি। তা নানা কারণে। যদিও সালাউদ্দিন বাফুফের প্রথম সভা শেষে স্পষ্ট করেই বলেছেন, তিনি এই পুনর্নির্বাচনে কোনো পক্ষেই নেই।
আবার যে জেলা ও বিভাগীয় কাউন্সিলরদের সমর্থিত প্যানেলে প্রার্থী মহি সেই জেলার কর্মকর্তাদের মাঝেও দুই গ্রুপের খোঁজ পাওয়া গেছে। এই পক্ষের ঘনিষ্ঠ একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘আমরা তাবিথ আউয়ালের পক্ষে। ফুটবল উন্নয়নে তার উপস্থিতি বাফুফেতে অতি জরুরি। তাকে আমরা পাশ করাবো।’
আবার মহির পক্ষেও অবস্থান জোর গলায় উল্লেখ করলেন আশিকুর রহমান মিকু। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদ বা ফোরামের এই মহাসচিব জানান, আমাদের প্রার্থী তো মহিউদ্দিন মহি। ফেডারেশনে তো আমাদের বসার জায়গা নেই। মহি পাস করলে তার রুমে গিয়ে বসা যাবে। যেমন বাদল রায়ের রুম ছিল আমাদের সবার জন্য উন্মুক্ত। তা ছাড়া আমাদের পক্ষে কথা বলার মতো তো মহিই আছেন।’ তবে জেলায় তাবিথের সমর্থকরা মিকুর বক্তব্যের সাথে একমত নন।

 

 


আরো সংবাদ