২৯ অক্টোবর ২০২০

ইশতেহারই চূড়ান্ত হয়নি সমন্বয় পরিষদের

-

সম্মিলিত পরিষদের বিপরীতে অসম্পূর্ণ সমন্বয় পরিষদ। এই সমন্বয় পরিষদের নেই কোনো সভাপতি প্রার্থী। চার সহসভাপতির পদে তারা দিতে পেরেছে তিন সহসভাপতি প্রার্থী। এই অপূর্ণতার মধ্যেও জোর কদমে চলছে সমন্বয় পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণা। জেলা এবং বিভাগে তাদের সফর শেষ। এখন তারা ঢাকা কেন্দ্রিক। গতকালও তারা বিভিন্ন ক্লাবে ক্লাবে গেছেন ভোট চাইতে। ২৬ অক্টোবর ঢাকার ক্লাবের সাথে বসবে তারা। তবে এই পরিষদ ৩ অক্টোবরের নির্বাচনে জিতলে বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখবে, কী তাদের পরিকল্পনা, সংক্ষেপে যা নির্বাচনী ইশতেহার সেই ইশতেহার এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি। অন্য দিকে সম্মিলিত পরিষদ তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে এখন ক্লাব ও জেলা পর্যায়ে ভোট চেয়ে সময় পার করছে। সমন্বয় পরিষদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত আশিকুর রহমান মিকু জানান, ‘আমরা ১ অক্টোবর প্যানেল পরিচিতির দিনই ইশতেহার ঘোষণা করব।’ তবে এই প্যানেলের এক সদস্য প্রার্থী তথ্য দেন, নির্বাচনী ইশতেহার এখনো সম্পন্ন করতে পারেনি তারা।
কেন এত পরে নির্বাচনের দুই দিন আগে ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। মিকুর জবাব, ‘আমরা আমাদের সম্মানিত ডেলিগেডদের উপস্থিতিতেই ইশতেহার ঘোষণা করতে চাই। ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাইরের সব ডেটিগেট ঢাকায় আসবেন। নড়াইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এই সভাপতি গর্বের সাথে বলেন, ‘আমরা প্যানেল দিয়েছি বলেই এখন কাউন্সিলদের মূল্যায়ন হচ্ছে। একক প্যানেল হলে কাউন্সিলদের কেউ গণনার মধ্যেই রাখত না।’ যে প্যানেলের যত প্রার্থীই নির্বাচিত হোক না কেন ফিফার নিয়মানুযায়ী যেকোনো ফেডারেশনে সভাপতিই আসল ক্ষমতাধর। অথচ সমন্বয় পরিষদের নেই কোনো সভাপতি প্রার্থী। এমনকি তারা সমর্থন দিচ্ছে না কাজী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল ইসলাম মানিককেও। মিকুর জবাব, ‘সভাপতি পদে ভোট দেয়াটা আমাদের প্যানেলের সবার জন্যই উন্মক্ত। যে কাউন্সিলরের যাকে ইচ্ছে ভোট দেবেন। মানিকের পাশাপাশি কাজী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাদল রায়ও আছেন।’ সমন্বয় পরিষদের সদস্য প্রার্থী আমের খানের মতে, কাউন্সিলররা বাফুফেতে পরিবর্তন চায়। আমি চাই তাদেরই জিতে আসা উচিত যারা ফুটবলের জন্য কাজ করবে। যাদের দ্বারা ফুটবলের উন্নতি হবে।


আরো সংবাদ