০১ অক্টোবর ২০২০

এক রবিনহোর বদলে আরেক রবিনহো

-

বসুন্ধরা কিংসে খেলে গেছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেয়া কোস্টারিকার ফুটবলার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। এখন দলটির আর্জেন্টাইন প্রতিনিধি হারনান বার্কোস। তিনিও খেলেছেন আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে। যে দলটি হাই প্রোফাইলের ফুটবলারদের আনতে পারে তাদের সাহসের মাত্রাটা আরো বেশিই হয়। সেটারই অংশ হিসেবে ব্রাজিলের ২০০৬ বিশ্বকাপে খেলা রবিনহোকে (রবসন ডি সুজা) নিতে চেয়েছিল বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তাকে আর পাওয়া হলো না বসুন্ধরা কিংসের। অবশ্য তার বিকল্প আরেক রবিনহোকে চুক্তিবদ্ধ করেছে ক্লাবটি। তার পুরো নাম রবসন এজিভেডো ডি সিলভা। গতকাল থেকে তিনি ক্লাবটির সদস্য। ব্রাজিলের রিও ডি জানেইরো নামকরা ক্লাব ফ্লুমিনেসসে থেকে তাকে এক বছরের জন্য লোনে নিয়েছে এবারের এএফসি কাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা ক্লাবটি। এই উইংগারের পারিশ্রমিক কলিনড্রেসের চেয়ে বেশি বলে জানান বসুন্ধরা কিংস সভাপতি ইমরুল হাসান। উল্লেখ্য, কলিনড্রেস পেতেন মাসে ১৮ হাজার ডলার করে।
রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি, ইন্টার মিলানে খেলা বড় রবিনহো সর্বশেষ খেলেছেন তুরস্কের ক্লাব ইস্তাম্বুল বাসাকসেহিরে। ব্রাজিলের হয়ে ১০০ ম্যাচ খেলে ২৮ গোল করা রবিনহো বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিতে রাজি ছিলেন। কিন্তু এ জন্য আকাশচুম্বি পারিশ্রমিক দাবি করেন। ইমরুল হাসান জানান, মাসে ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার বেতন চেয়েছিল সে। এত টাকা দিয়ে তো আনা সম্ভব নয়। তাই আরেক রবিনহোকে দলে টানা হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী ছোট রবিনহোর মূল পজিশন লেফট উইং। পাঁচ বছর ধরে খেলেছেন ব্রাজিল লিগেই। ইমরুল জানান, আমরা তাকে কলিনড্রেসের পজিশনে খেলাবো।
২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এএফসি কাপের জন্য আরো দুই বিদেশী নেবে বসুন্ধরা কিংস। এই তালিকায় আছে ছয় ফুটবলার। কোস্টারিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার আছে। ইমরুলের দেয়া তথ্য, শিগগিরই বাকি বিদেশীদের দলে টানা হবে। অন্য দিকে ছুটি কাটাতে ব্রাজিল যাওয়া আর্জেন্টিনার হারনান বার্কোস এবং স্পেন যাওয়া কোচ অস্কার ব্রুজন ২০-২৫ আগস্টের মধ্যেই বাংলাদেশে আসবেন।
এএফসি কাপের জন্য সেপ্টেম্বরে ক্যাম্প শুরু হবে। তবে ইনজুরি কাটিয়ে সুস্থ হওয়া পাঁচ ফুটবলারকে পরখ করতে চলতি মাসের মাঝামাঝিতে ক্যাম্পে ডাকা হবে মতিন মিয়া, মাশুক মিয়া জনি, আতিকুর রহমান ফাহাদ, মিতুল হোসেন এবং ইমন বাবুকে। মতিন, ফাহাদ এবং জনিরা ক্লাবের ফিটনেস টেস্টে উৎরে গেলে যোগ দিতে পারবেন জাতীয় দলের ক্যাম্পে। তারা আনফিট প্রমাণিত হলে অন্য দেশী ফুটবলারদের নেবে তারা।


আরো সংবাদ