২৪ নভেম্বর ২০২০

বাংলাদেশের তিন ম্যাচই সিলেটে?

-

আগামী মাসেই শুরু হবে কাতার বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ক্যাম্প। ৮ অক্টোবর জামাল ভূঁইয়াদের ম্যাচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এরপর ১৩ নভেম্বর কাতারের সাথে অ্যাওয়ে ম্যাচ। লাল-সবুজদের বাকি দুই হোম ম্যাচ ১২ ও ১৭ নভেম্বর যথাক্রমে ভারত ও ওমানের বিপক্ষে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচটি প্রথমে হওয়ার কথা ছিল ২৬ মার্চ। এই ম্যাচ ঢাকায় হওয়ার কথা থাকলেও বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। তাই বাফুফে খেলাটি সিলেটে সরিয়ে নেয়। সেভাবেই প্রস্তুতি শুরু হয় সিলেটে। কিন্তু করোনা এরপর আর কোনো ম্যাচকে মাঠে গড়াতে দেয়নি। তবে বাফুফে এখন আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৮ অক্টোবরের ম্যাচসহ বাকি দুই হোম ম্যাচও সিলেটে করার চিন্তাভাবনা করছে। এমনটিই সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেননি বাফুফে সেক্রেটারি আবু নাইম সোহাগ। তার মতে, তিনটি হোম ম্যাচই সিলেটে হওয়ার চান্স আছে।
অক্টোবর-নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অন্য কোনো আয়োজন থাকার কথা নয়। তাহলে দেশরে প্রধান ফুটবল ভেনু রেখে কেন সিলেটে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি তিন ম্যাচ। বাফুফে সেক্রেটারির মতে, ‘এতে আছে ফিফার শর্ত। ফিফার ম্যাচ মানে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের খেলায় অবশ্যই স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে থাকতে হবে চেয়ার। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এই মুহূর্তে নেই চেয়ার, যা সিলেটে থাকছে।’ এই যুক্তি ছাড়াও ন্যাশনাল টিমস কমিটিও চায় বাংলাদেশের তিন ম্যাচ সিলেটে হোক। এটা অতিথি দলকে কিছুটা ভ্রমণক্লান্তিতে রাখার জন্যও। তারা ঢাকায় সেখান থেকে যাবে সিলেটে। এতে তাদের সে অর্থে বিশ্রামটা কম হবে। বাংলাদেশের লক্ষ্য এই তিন হোম ম্যাচ থেকে পয়েন্ট অর্জন। ভারত ও আফগানিস্তানকে হারানো। তাই হোম অ্যাডভানটেজ নেয়ার চেষ্টা। উল্লেখ্য, ভারতের সাথে অ্যাওয়েতে ১-১ গোলে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। আর আফগানদের কাছে ০-১ গোলে হার।
বাফুফে চাইলে একটি ম্যাচ সিলেটে করে বাকি দু’টি বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে করতে পারত। তবে করোনার কারণে বাফুফের পরিকল্পনা এক ভেনুতে সব হোম ম্যাচ শেষ করা।
বাফুফের পরিকল্পনা সিলেট ভেনুকে ব্যবহার করাও। এটিও একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল ভেনু। এই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের সাফল্য আছে। ২০১৫ সালে সিলেটে অনূর্ধ্ব-১৬ সাফে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে এই মাঠে লাওসের বিপক্ষে জয়, যা বাফুফেকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করছে। সিলেটে গ্যালারি ভর্তি দর্শক পাওয়া যায়। যদিও করোনার কারণে সেইভাবে গ্যালারিতে দর্শক প্রবেশে ফিফার অনুমতি মিলবে না। বড় জোড় ৭-৮ হাজার দর্শক প্রবেশ করতে পারবে। ইঙ্গিত দেন বাফুফে সেক্রেটারি।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি চার ম্যাচকে সামনে রেখে আগস্টে বাংলাদেশ দলের যে ক্যাম্প হবে তাতে ডাকা হতে পারে ৪০ জনের মতো ফুটবলারকে।

 


আরো সংবাদ