০৩ এপ্রিল ২০২০

ক্ষতি কিভাবে পোষাবে ক্লাবগুলো

-

একেক ক্লাবের বাজেট একেক রকম। তবে যার যে পরিমাণই হোক না কেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ক্লাবগুলো। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে লিগ হয়তো ফের শুরুই করা যাবে না। আবার হলেও তা কবে হবে নেই সেটারও কোনো নিশ্চয়তা। অথচ এর মধ্যেই ক্লাবগুলো কোটি কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। এখন এই লিগ শুরু না হলে বা বেশ বিলম্বে শুরু হলে যে আর্থিক লোকসানের মুখে পড়বে ক্লাবগুলো তা কিভাবে কাটিয়ে উঠবে তারা।
বিপিএল এ একটি ক্লাব ছাড়া বাকি সব ক্লাবই পাঁচ বিদেশীকে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে এবার। এখন ক্লাব যদি এই বিদেশীদের ছেড়ে দেয় তাহলে আবার তাদের পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। সে ক্ষেত্রে এদের পেছনে এত দিনে ব্যয় হওয়া সব অর্থই বিফলে যাবে। বসুন্ধরা কিংসতো ছয়জনকে নিবন্ধিত করেছে। ফেডারেশন কাপের পর লেবাননের জালাল কাদো চলে যান। ফলে তার পেছনে ব্যয় কার অর্থ নষ্টই হয়ে গেছে। এরপর নতুন করে আনা হয় আর্জেন্টিনার হারনান বার্কোসকে। তার পারিশ্রমিকই সবচেয়ে বেশি। এই সব ফুটবলারকে বিদায় করে দিতে গেলে তাদেরকে চুক্তির সব অর্থই দিতে হবে। যদিও বসুন্ধরা কিংস ক্লাব সূত্রে জানা গেছে এখনো তারা বিদেশীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তই নেয়নি। স্থানীয় সব ফুটবলার ছুটি পেয়ে বাড়ি চলে গেলেও বিদেশী কোচ এবং খেলোয়াড়রা আছেন যার যার ফ্ল্যাটে।
কিছু ক্লাব আর্থিক সঙ্কটের জন্য যত তাড়াতাড়ি ক্যাম্প বন্ধ করারই পক্ষে। এসব ক্লাব দারুণ খুশি লিগ অনিশ্চয়তায় না থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়ায়। তবে যাদের টাকা আছে তারা শিরোপা জয় এবং দেশের ফুটবলের উন্নয়নের জন্য ক্যাম্প চালু রেখেছিল। এদের মধ্যে ছিল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। তারা মূলত ফুটবলারদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ক্যাম্পে আটকে রেখেছিল সবাইকে। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় কয়েক ফুটবলারের চাপে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক ফুটবলারতো হুমকির সুরে বলেছিলেন, ক্যাম্পে থেকে তার কিছু হলে সে দায়িত্ব ক্লাবকেই নিতে হবে।
গত পরশু লিগ কমিটির সভায় ক্লাবগুলো জানান, তারা তাদের বিদেশীদের একেবারে ছেড়ে দেবে। কারণ তাদের পক্ষে আগে করা চুক্তির বাইরে নতুন করে বাড়তি মাসের জন্য টাকা দেয়া সম্ভব নয়। পরে তাদের চুপ মেরে যেতে হয় এই ফুটবলারদের আবার নাও পাওয়া যেতে পারে এই শঙ্কায়। কারণ আরেকটি ফিফা উইন্ডোর আগে কোনো ক্লাবের পক্ষেই নতুন বিদেশীকে দলে টানা সম্ভব নয়। ফলে এখন তারা যদি বিদেশীদের একেবারে ছেড়ে দেয় তাহলে এবং আগামী এক দুই মাসের মধ্যে যদি লিগ শুরু হয়ে যায় তখন তারা এই বিদেশীদের ফ্রি-পাবে না। কিছু দিন আগে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র তাদের ইনজুরড বিদেশী ফুটবলারের বিকল্প হিসেবে আরেক ফুটবলারের রেজিস্ট্রেশনের অনুমতি চায় ফিফার কাছে। বাফুফের মাধ্যমে করা এই অনুরোধ ফিফা তাচ্ছিল্যের সাথে উড়িয়ে দেয়। ফিফা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে দুই উইন্ডো ছাড়া বিদেশী ফুটবলার রেজিস্ট্রেশনের কোনো সুযোগই নেয়।
ইউরোপের ক্লাবগুলো করোনা পরিস্থিতিতে তাদের ফুটবলারদের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন বাংলাদেশের ক্লাবদেরও সে পথে হাঁটা ছাড়া বিকল্প নেই। বিদেশী ক্লাবগুলোর স্পন্সর মানি, টিভি রাইটস এবং খেলোয়াড় ট্রান্সফার মানি, টিকিট বিক্রি বাবদ টাকা আয় করে। বাংলাদেশী ক্লাবগুলো এখনো নির্ভরশীল অনুদানের ওপর। তাই তাদের সমস্যাটা আরো জটিল। সাইফ স্পোর্টিংয়ের এমডি ইঞ্জিনিয়ার নাসির উদ্দিনের মতে, এই বিষয়ে একটি সমাধান বের করতে হবে সব পক্ষ মিলে।

 


আরো সংবাদ

রাণীনগরে সাড়ে ৫ হাজার কেজি চাল উদ্ধার অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ করলেন ক্রিকেটার সালমা ছেলে-ছেলের বউয়ের নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধাকে ঘরে তুলে দিলেন ইউএনও কুষ্টিয়ায় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রিকশাচালক আইসোলেশনে ৭ বছর ধরে নিখোঁজ নেতার সন্ধান চেয়ে ছাত্র শিবিরের বিবৃতি বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে বিদেশে আটকেপড়া বাংলাদেশীদের সমস্যা সমাধানে দৃষ্টি রাখছে মন্ত্রণালয় করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা এক হাসপাতালের চিকিৎসকসহ ৭ জন হোম কোয়ারেন্টিনে দেশের কোথাও কোথাও শিলা বৃষ্টি হতে পারে করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন খালেদা জিয়া, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা মেনে চলুন: কাদের

সকল