০৯ এপ্রিল ২০২০

কৃষ্ণা সাবিনার হ্যাটট্রিকে গোলবন্যা

বসুন্ধরা কিংস ১২ : ০ আনোয়ারা স্পোর্টিং
-

ধারণার ব্যত্যয় ঘটাতে পারেনি বেগম আনোয়ারা স্পোর্টিং ক্লাব। শক্তিশালী এবং শিরোপা প্রত্যাশী বসুন্ধরা কিংসের কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে তারা, এটাই ছিল সবার অনুমান। গতকাল বিকেলে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ট্রাইকোটেক্স মহিলা লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে হলোও তাই। প্রতিপক্ষের জালে এক ডজন গোল দিয়ে তৃতীয় মহিলা ফুটবল লিগ কেমন হবে তা বুঝিয়ে দিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। তাদের ১২-০ গোলে জয়ের রূপকার দুই স্ট্রাইকার অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এবং কৃষ্ণা রানী সরকার। উভয়ের হ্যাটট্রিকেই ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলটির চলতে থাকে গোল উৎসব। অবশ্য আনোয়ারা স্পোর্টিংয়ের বদলি গোলরক্ষক আশা কর্মকারের দৃঢ়তায় গোল সংখ্যা আরো বাড়েনি।
বসুন্ধরা কিংসে সবাই জাতীয় দলের। অন্য দিকে মাত্র তিন দিনের প্রস্তুতি নিয়ে খেলতে আসা অনোয়ারা স্পোর্টিংয়ের। টার্ফের মাঠে তাদের এই প্রথম সাক্ষাৎ। তার ওপর তিন মিনিটেই তাদের জালে দুই গোল। ১১ মিনিটে তা ৩-০। এরপর খেলার সময় যতই বাড়তে থাকে সাবিনা-কৃষ্ণাদের সাথে আশা-স্বপ্নাদের ফিটনেসের পার্থক্যটা স্পষ্ট হয়। যার সূত্র ধরেই একে একে ১২ বার জালের ভেতর থেকে বল কুড়িয়ে আনা আনোয়ারার কিপারদের। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই ( ৫০ সেকেন্ড) সাবিনার গোলে শুরু। ৯০ মিনিটে কৃষ্ণার গোলে সমাপ্তি। এই ফাঁকে সাবিনা ৪৬ ও ৬৩ মিনিটে আরো দুই গোল করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। কৃষ্ণার চার গোলের বাকি তিনটি ৪, ১১ ও ৫৫ মিনিটে। তার প্রথম দুই গোল সানজিদার কর্নারে লাফিয়ে উঠে হেডে।
মিডফিল্ডার মিসরাত জাহান মৌসুমী ৪০ ও ৪১ মিনিটে দু’টি এবং শিউলী আজিম (৫৭ মি.), নার্গিস খাতুন ( ৮৩ মি.) ও মারিয়া মান্ডা (৮৭ মি.) একটি করে গোল করেন। শিউলীর গোল পেনাল্টি থেকে। মারিয়ার গোল তার নেয়া কর্নার কিক গোলরক্ষক আশার হাতের বাধা পেরিয়ে জালে যাওয়ায়।
প্রতিপক্ষের গোল উৎসবের মধ্যেও সবার আলোচনায় ছিলেন অনোয়ারা স্পোর্টিংয়ের গোলরক্ষক আশা কর্মকার। তিনি যেভাবে ডানে বামে শরীর ফেলে এবং লাফিয়ে দলকে বারবার গোলের হাত থেকে রক্ষা করছিলেন তার দীর্ঘ দেহ দিয়ে তা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতেরই ইঙ্গিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবম শ্রেণীর এই ছাত্রী অবশ্য তার আগের ৩-৪ ম্যাচের ক্যারিয়ারে গতকালের মতো এত বেশি গোল হজম করেননি। এরপরও তিনি খুশি ঢাকায় এসে লিগ খেলতে পারায়। ছোটবেলায় বাবা হারানো আশাদের সংসার চলে সেলুনের কর্মচারী বড় ভাইয়ের উপার্জনে। জানান, ‘আমি বেশ লম্বা তাই ২০১৮ সালে স্কুলের শিক্ষক আমাকে গোলরক্ষক হতে উৎসাহিত করেন এই দীর্ঘ দেহের কারণেই।’ যোগ করনে, ‘এখন আমার লক্ষ্য জাতীয় দলে খেলে টাকা উপার্জন করে পরিবারকে সাহায্য করা।’ কোচ জহির ইকবাল বড় হারের জন্য মাত্র তিন দিনের প্রস্তুতিকে সামনে আনলেন। বড় জয়ে শুরু হলেও বসুন্ধরার কোচ মাহমুদা খাতুন অদিতি মনে করেন না তার দল সব ম্যাচেই এত সহজে জিতবে।

 


আরো সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো প্রায় ২০০০ মৃত্যু ভালোবাসা ও সম্প্রীতির ৪ বছর নৌপথে নারায়ণগঞ্জ থেকে বরগুনায় এসে আটক ১০৯ ভারতে করোনা আতঙ্কে হিন্দুরা এগিয়ে এলেন না, সৎকার সারলেন মুসলমান তরুণরা থুতু ছেটানো : তাবলিগ জামাতের সদস্যের বিরুদ্ধে অপবাদ খারিজ হাসপাতালের প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরও ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতি : কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে? কেরানীগঞ্জে মা-ছেলেসহ ৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত করোনাভাইরাস : এপ্রিল কেন বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ‘ক্রিটিক্যাল’ প্রার্থী বাছাই পর্ব থেকে সরে গেলেন স্যান্ডার্স করোনাভাইরাস : চীনা দাবি কি সত্য? এখনই সময় জাকাত ও দান-সদকার

সকল