০৯ এপ্রিল ২০২০

কমাতেই হবে বিদেশী ফুটবলার

বুরুন্ডি : পাঁচ চান্স, গোল তিনটি; বাংলাদেশ : আট চান্স, গোল শূন্য
-

আবারো ব্যর্থ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। নিজেদের আয়োজিত বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে দর্শক তারা। এবার তাদের সামনে দারুণ সুযোগ ছিল ফাইনালে খেলার। কিন্তু গোল মিস আর ডিফেন্সের ভুলে সেমিতে হার বুরুন্ডির কাছে। রক্ষণভাগ ভুলে পা দিলেও ফরোয়ার্ডরা যেসব গোলের চান্স পেয়েছিল সেগুলোর অর্ধেক পরিমাণ জালে গেলেই জয়ে মাঠ ছাড়তো জেমি ডে বাহিনী। অথচ ৮/১০টি চান্সের একটিও জালে পাঠাতে পারেননি সুফিল, সাদ, ইব্রাহিম, জামাল ও রাফিরা। জামাল ভূঁইয়া মিডফিল্ডার। ডিফেন্ডার রাফির দায়িত্ব হলো ফ্রি-কিক বা কর্নারের সময় হেডে গিয়ে গোল করা। এটা তাদের বাড়তি কাজ। তবে যাদের মূল কাজ গোল করা তারা ব্যর্থ। তা তারা হবেনই। ঘরোয়া ফুটবলে তারা স্ট্রাইকার পরিচয় হারিয়েছেন আরও আগেই। খেলছেন কেউ খেলছেন উইং ব্যাকে। কেউ বা মিডফিল্ডে। বাফুফের বিদেশী বৃদ্ধি নীতি আর ক্লাব কোচদের বিদেশী স্ট্রাইকারের প্রতি আস্থাই দেশী স্ট্রাইকারদের আসল পরিচয় ভুলিয়ে দিয়েছে। যার জের টানতে হচ্ছে জাতীয় দলকে। তাই বিদেশী ফুটবলার কমানোর দাবি। কোচ জেমি ডেও তা স্পষ্ট করে বললেন। তবে বাফুফে সভাপতি বরাবরের মতোই বলছেন, দেশীদের নিজ যোগ্যতা বলে টপকাতে হবে বিদেশীদের।
এবার শুধু বুরুন্ডির কাছে গোলের মিসের খেসারতে হারই নয়। চলমান বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ভারতের বিপক্ষে জিততে না পারা, কাতারের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়া সবই ফরোয়ার্ডদের গোল মিসের খেসারত। এদের সুযোগ হয় না ক্লাব ফুটবলে স্ট্রাইকার পজিশনে খেলার। যেখানে খেলে তারা গোলের অভ্যাস তৈরি করবে, ভুল ভ্রান্তি শুধরে নেবে, এরই ধারাক্রমে জাতীয় দলে গোল পাবে, লাল-সবুজদের শেষ হাসি হবে ম্যাচেÑ এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারা যদি খেলারই সুযোগ না পান তাহলে গোলের অভ্যাস কিভাবে জন্মাবে তাদের মধ্যে। কোচ জেমি ডে পরশু সেমিতে হারের পর এই ক্ষোভই ঝাড়লেন ভদ্রচিত উত্তেজিত কণ্ঠে।
কাতারের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচে বাংলাদেশ সাতটি গোলের চান্স মিস করে। চারটি বল ডিফেন্ডাররা সেভ করেন গোললাইন থেকে। কাতারি গোলরক্ষকের দৃঢ়তাও বল জালে যেতে দেয়নি। পরশু বুরুন্ডির কিপার আইমে ফালিসের প্রতিরোধ চারবার বাংলাদেশকে বঞ্চিত করে গোল উৎসব থেকে। দু’টি প্রচেষ্টা প্রতিহত হয় পোস্ট আর ক্রসবারে।
পোস্টের নিচে গোলরক্ষক থাকবেন, পোস্টে ফাইবারের দণ্ড থাকবে, এর পরও গোল করতে হবে এর ফাঁক গলেই। তবে এ জন্য যে ব্যাসিক শিক্ষা দরকার তা অনুপস্থিত দেশী স্ট্রাইকারদের মধ্যে। যে কারণে হাফ আর ফুল মিলে ১০-১২টি চান্স থেকেও একটি গোল করতে পারেনি বাংলাদেশ। অন্য দিকে বুরুন্ডি পাঁচটি সুযোগ পেয়ে তিনটিই জালে পাঠায়। এটা তাদের গোল করার দক্ষতা। যা তারা শিখে এসেছে ক্লাব আর অ্যাকাডেমি থেকে। বাংলাদেশ এই অ্যাকামেডিক শিক্ষাই পাচ্ছে না উঠতি ফুটবলারেরা।


আরো সংবাদ

সেই প্রিয়া সাহা করোনায় আক্রান্ত! (৫০৮৩৩)নিজ এলাকায় ত্রাণ দিয়ে ঢাকায় ফিরে করোনায় মৃত্যু, আতঙ্কে স্থানীয়রা (৪৪৬১১)বেওয়ারিশের মতো সারা রাত সঙ্গীতশিল্পীর লাশ পড়েছিল রাস্তায় (২৬৭২১)দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (২০২৫৬)করোনা ছড়ানোয় চীনকে যে ভয়ঙ্কর শাস্তি দেয়ার দাবি উঠল জাতিসংঘে (১৬৩৮৯)কাশ্মিরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিহত ভারতীয় দুর্ধর্ষ কমান্ডো দলের সব সদস্য (১৫৫২৩)রোজার ঈদের ছুটি পর্যন্ত বন্ধ হচ্ছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (১৩০৭৯)করোনার লক্ষণ নিয়ে নিজের বাড়িতে মরে পড়ে আছে ব্যবসায়ী, এগিয়ে আসছে না কেউ (১২৮০৫)ঢাকায় নতুন করে ৯টি এলাকা লকডাউন (১০৬৪৩)সবচেয়ে ভয়াবহ দিন আজ : মৃত্যু ৫, আক্রান্ত ৪১ (১০০৬১)