১১ এপ্রিল ২০২১
`

সৈয়দপুরে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে জাপা প্রার্থীর ভোট বর্জন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা - ছবি : নয়া দিগন্ত

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচনে সকাল থেকেই পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের ক্যান্টনমেন্ট রোডস্থ লাঙ্গল প্রতিকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রতিটি কেন্দ্রেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লাঙ্গলের পোলিং এজেন্টদের জোর করে বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখলে নিয়েছে। প্রতিবাদ করায় এজেন্টদের মারপিটও করা হয়েছে। এমনকি নারীদের গায়েও হাত দেয়া হয়েছে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেয়া হয়েছে। আমাদের কোনো কর্মী সমর্থক ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে দিচ্ছে না। সাধারণ ভোটাররা বুথে প্রবেশ করলে তাদেরকে ভোট দিতে বাধা দিয়ে নৌকার লোকজন নিজেদের প্রতীকে ভোট দিয়ে দিচ্ছে। এর প্রতিবাদ করলেও ভোটারদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে।

তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, আমার বৃদ্ধা মাও কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেননি। তাকেও আওয়ামী লীগ বের করে দিয়েছে। আমার স্ত্রীও কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হেনস্তার শিকার হন এবং তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে নৌকার কর্মকর্তারা। এভাবে প্রায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্র থেকেই জাতীয় পার্টির লোকজনকে বের করে দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত নৌকায় ভোট দেয়া হচ্ছে।

এমনকি অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে, ইভিএমে শুধুমাত্র নৌকা প্রতীক রয়েছে। সেখানে অন্য কোনো মার্কা নেই। তাই বাধ্য ভোটাররা নৌকায়ই ভোট দিচ্ছেন বা না দিয়েই ফিরে আসছেন। আর সে সুযোগে ওই ভোটটা আওয়ামী লীগের লোকজন নৌকায় দিচ্ছে।

সিদ্দিকুল আলম বলেন, এমতাবস্থায় ভোট করার মতো কোনো পরিবেশ বিদ্যমান নেই। জাতীয় পার্টি সরকারেরই অংশ। তাই আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতেই নির্বাচনে এসেছি। কিন্তু আমাদেরকেও সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রদানে বাধা দেয়া হচ্ছে। এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং চলতি ভোট স্থগিত করে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এই মুহূর্তেই আমরা নির্বাচন কমিশনারকে ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত জানাচ্ছি।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, সিদ্দিকুল আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল দিদার দিপু, সৈয়দপুর জাপা নেতা ডা: সুরত আলী, সৈয়দপুর সরকারি হিন্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট সুমনা আলম, শহীদ জিয়া শিশু নিকেতন কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট ইতি।

ইয়াসমিন আলম বলেন, সরকারের অংশ হওয়ার পরও আওয়ামী লীগ যদি জাতীয় পার্টির সাথে এমন আচরণ করে, এভাবে শুধু নৌকাতেই ভোট নিবে তাহলে কি দরকার ছিল নির্বাচন দেয়ার। অটোভাবেই নৌকাকে পৌর পরিষদে বসিয়ে দিলেই তো হতো। তাহলে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার শিকার হতে হতো না সৈয়দপুরবাসীকে। এভাবে জনগণের টাকার খেয়ানত না করে প্রহসনের নির্বাচনের কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে ভোট স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।



আরো সংবাদ


লক খোলা লকডাউন, রোববার নতুন নির্দেশনা (১৫৪৬৩)র‌্যাবের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করলো পুলিশ (১৪৫৪৯)১৪ এপ্রিল থেকে জরুরি সেবার প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী (১২০৮১)ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার করুন : বাবুনগরী (৮৫১১)১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের চিন্তা সরকারের : কাদের (৮৩৮২)এবার টার্গেট জ্ঞানবাপী মসজিদ! (৭১৪৫)আপনি যে পতনের দ্বারপ্রান্তে তা বুঝবেন কিভাবে? (৫৪২১)মিয়ানমারে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বন্দুক নিয়ে লড়ছেন বিক্ষোভকারীরা (৪৫৯৮)হিমছড়িতে ভেসে এলো বিশাল তিমি (৪৪৫৭)বিজেপির নির্বাচনী গানে বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ছবি (৪২৭৬)