২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯, ১ রবিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

শেরপুরে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, কাঁচা মরিচ কেজি ২৮০ টাকা

শেরপুরে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, কাঁচা মরিচ কেজি ২৮০ টাকা - ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার শেরপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দফায় দফায় বাড়িয়ে বাজার অস্থির করে তোলা হয়েছে। জরুরি পণ্যগুলোরই দাম বেড়েছে কয়েক বার। এর মধ্যে হঠাৎ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে বাজারে যেন আগুন লেগেছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে শেরপুর উপজেলার ফুলবাড়ী, রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় গত দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে ১০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত। এর মধ্যে বিশেষ করে কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা কেজি থেকে এক লাফে ২৮০ টাকা, ডিম ৩৩ টাকা হালি থেকে বর্তমানে ৪৭ টাকা, পিয়াজ ৩৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা হয়েছে।

দামবৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তা প্রভাব ফেলছে দ্রব্যমূল্যে। এতে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ বড় ধরনের বিপদে পড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে বেগুন কেজি প্রতি জাতভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬-৭৫ টাকা, মুখী ৪০-৫০ টাকা, চিচিংগা ৪০-৪৫ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, পটল ৪০-৪৫ টাকা, শসা হাইব্রিড ৫০ টাকা, দেশী শসা ৫৫-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, পেপে ৩০ টাকা পিয়াজ ৫০ টাকা, চালকুমড়া আকার ভেদে প্রতিপিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লাউ আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০-৪৫ টাকা, ঝিঙা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া লেবুর হালি ১০ থেকে ২০ টাকা, আলুর কেজি ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারের সবজি বিক্রেতারা রফিক, রশিদ, শফিকুল ইসলাম জানান, কাঁচামরিচের দাম পাইকারি বাজারেও ২৫০ টাকা খুচরা বাজারে ২৮০টাকা। আমরা কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা লাভ করে থাকি। পাইকারি বাজারে দাম না কমলে আমাদের কিছু করার নেই।

তারা আরো জানান, কেজি প্রতি ২০ টাকা লাভ করতেই হবে। কারণ গাড়িভাড়া ও খাজনা দিতে হয় এছাড়াও খুচরা বিক্রয় করতে গেলে কিছুটা ঘাটতিও হয়। পৌর শহরের হাট-বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজার পরিদর্শনে গিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে কয়েকজন কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী আসাদুল, আলমগীর, শাহিনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে মরিচের আমদানি কম হওয়ায় এবং চাহিদা অনুযায়ী বাইরে থেকে আমদানি করতে না পারায় কাঁচা মরিচের বাজার এতটা বেড়ে গেছে।

শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ময়নুল ইসলাম জানান, বাজার মরিটরিং ব্যবস্থা সার্বক্ষণিক চালু আছে।


আরো সংবাদ


premium cement