২২ জুন ২০২১
`

নোয়াখালীতে ইলেকট্রিক মিস্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ২

নিহত ইলেকট্রিক মিস্ত্রী গোলাম কিবরিয়া রাসেদ - ছবি নয়া দিগন্ত

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রী গোলাম কিবরিয়া রাসেদকে (২৪) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।

নিহত গোলাম কিবরিয়া রাসেদ উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের মেরিপাড়া গ্রামের অলি উল্যাহ মৌলভী বাড়ির আবদুল মালেকের ছেলে। তিনি পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রী।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত প্রধান আসামি, নিহতের চাচাত ভাই মো: আবদুর রহিম (৩০) পলাতক রয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিহতের বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এর আগে শনিবার ভোর ৫টায় হামলার শিকার কিবরিয়াকে তার বাড়ি থেকে আহত অবস্থায় সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আটককৃতরা হলেন একই বাড়ির মৃত ছেরাজল হকের ছেলে মো: বাবুল (৫১) ও তার ছেলে সুজন (২২)।

নিহতের মামা মো: সেলিম ভূঞা জানায়, নিহত কিবরিয়া আমিশা পাড়া বাজারে তাদের বাড়ির ভেতরের চাচাতো ভাই আবদুর রহিমের মালিকানাধীন ফুড মিনি চাইনিজ রেস্তোরাঁয় ইলেকট্রিকের কাজ করেন। পরে রেস্তোরাঁর মালিক রহিমের কাছে কাজের পাওনা টাকা চাইতে গেলে কিবরিয়ার সাথে তার বাগবিতণ্ডা হয়। বাগবিতণ্ডা জেরে গত ২ মে তারা কিবরিয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ওই রেস্তোরাঁয় বেঁধে নির্যাতন চালায়। পরে তার পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে কিবরিয়া ঘরের বাইরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে তারা তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ঘরের সামনে ফেলে যায়। সাহরী খেতে উঠে পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঘরের সামনে থেকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ তাৎক্ষণিক দু’জনকে আটক করেছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পারে আইনগত প্রদক্ষেপ নেয়া হবে।



আরো সংবাদ