০৬ মার্চ ২০২১
`

সিরাজগঞ্জে কাউন্সিলর হত্যা : মূল আসামি আটক

সিরাজগঞ্জে কাউন্সিলর হত্যা : মূল আসামি আটক - ছবি : নয়া দিগন্ত

সিরাজগঞ্জে নব-নির্বাচিত কাউন্সলির মো: তরিকুল ইসলামের মূল হত্যাকারী জাহিদুল ইসলামকে (২০) ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানার ধলপুর থেকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম (বিপিএম) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে নিহত বিজয়ী কাউন্সিলর তরিকুলের প্রতিপক্ষ শাহাদত হোসেন বুদ্দিনের সমর্থক ও সাহেদনগর ব্যাপারীপাড়া মহল্লার টিক্কা ব্যাপারীর ছেলে।

পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ডিএমপি ও পিবিআইয়ের সহযোগিতা গ্রহণ করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহযোগিতায় হত্যাকাণ্ডের সাথে সারাসরি সম্পৃক্ত জাহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাহিদুল ইসলাম বিজয়ী কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানান।

সিরাজগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: স্নিগ্ধ আখতার বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহযোগিতায় কাউন্সিলর তরিকুলের মূল হত্যাকারী জাহিদুল ইসলামকে রাতেই আটক করে সিরাজগঞ্জে নিয়ে আসে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, আটককৃত জাহিদুল ইসলাম পৌর নির্বাচনে শাহাদত হোসেন বুদ্দিনের সমর্থক ছিলেন। নির্বাচনের তিন দিন আগে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার জন্য ঢাকা থেকে সাহেদনগর ব্যাপারীপাড়া নিজ বাড়িতে আসেন এবং দুই দিন নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। নির্বাচনের আগের দিন রাতে এক আসামির বাড়িতে তার উপস্থিতিতে এজাহার নামীয় ও অন্য আসামিরা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তরিকুল ইসলাম খানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এজাহার নামীয় একজন আসামি তাকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি দেয়। এছাড়াও ওই আসামির বাড়িতে রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র মজুদ রাখা হয়।

ফলাফল ঘোষণার সময় অন্য আসামিদের সাথে তিনিও ছুরি নিয়ে শহিদগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে উটপাখি মার্কা প্রার্থী শাহাদত হোসেন বুদ্দিন ও তার সমর্থকদের সাথে উপস্থিত হন। সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে ফলাফল ঘোষণায় ডালিম প্রতীকের প্রার্থী তরিকুল ইসলাম বিজয়ী হলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্য আসামিদের সহযোগিতায় তিনি তরিকুলের পেটে ছুরিকাঘাত করেন এবং তারা একযোগে স্থান ত্যাগ করেন। এরপর ছুরিটি নিজ বাড়িতে লুকিয়ে রেখে স্ত্রীসহ ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানার ধলপুর এলাকার ভাড়া বাসায় চলে যান জাহিদুল।

পর দিন নিহত তরিকুলের ছেলে একরামুল হাসান হৃদয় ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩০/৪০ জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: তরিকুল ইসলাম জানান, হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।



আরো সংবাদ


শেরপুরে অগ্রণী সেবা সংস্থার উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ আরব লীগের ‘অযৌক্তিক’ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান আঙ্কারার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চায় বাম গণতান্ত্রিক জোট নোয়াখালী আ’লীগকে নিয়ে একটা চক্রান্ত চলছে : একরাম নোয়াখালীতে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা নারী ফিরে এলেন আওয়ামী পন্থী আইনজীবীদের সংঘর্ষে আহত এমপি জাকিয়া হাসপাতালে রায়হানপুরে ভোট কেন্দ্র পুনঃস্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন ইরাকে শান্তির আহ্বান পোপের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চান ড. কামাল করোনাভাইরাস : দুই ডোজ টিকার আগে পুরোপুরি নিরাপদ নয় কুমারখালীতে আ’লীগের দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে সভা পণ্ড, পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

সকল