০১ ডিসেম্বর ২০২০
উজিসির তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষপাতমূলক

ভিসির পদ থেকে সরে যাওয়া অপ্রাসঙ্গিক : রাবি ভিসি

ভিসির পদ থেকে সরে যাওয়া অপ্রাসঙ্গিক : রাবি ভিসি - নয়া দিগন্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভিসি ও প্রশাসনের অনিয়ম নিয়ে ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে ভিসি পদ থেকে সরে যাওয়া অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন রাবি ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা এলে তিনি তো আর ভিসি পদে থাকতে পারবেন না এমন মন্তব্য করেন তিনি।

এ দিকে ভিসি ও প্রশাসনের অনিয়ম নিয়ে ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতমূলক বলে দাবি করেছেন ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান।

ভিসি বলেন, যেকোনো আমলযোগ্য অভিযোগের তদন্ত বাঞ্চনীয়। আমি তদন্তের বিপক্ষে নই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যথাযথ হলে তা তদন্তে একশভাগ সম্মতি আছে। তবে সেই তদন্ত হতে হবে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ও আইনসিদ্ধভাবে গঠিত পক্ষপাতহীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে। এ বিষয়ে আমি স্পষ্টভাবে গত ৯ সেপ্টেম্বর ইউজিসির চেয়ারম্যানকে পত্র দিয়ে জানিয়েছি।

ভিসি আরো বলেন, আমি আশা করেছিলাম সেই পত্র বিবেচনায় নিয়ে চেয়ারম্যান পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। বরং আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি ইতোমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

এ দিকে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে ভিসি এসব অভিযোগসমূহের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন। এ ছাড়া ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে মেয়ে জামাইকে নিয়োগ দেয়ার জন্য শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ৪৭২তম সিন্ডিকেট সভার ৪৩ নং সিদ্ধান্তে প্রোভিসি অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহার নেতৃত্বে সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ সাতজনকে নিয়ে সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক নিয়োগ নীতিমালা পুনঃপ্রণয়নকল্পে একটি কমিটি গঠন করা হয়। চার মাস পর কমিটির সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পুনঃপ্রণয়ন করা হয়। এই নীতিমালায় অনেক বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে।

তবে মেয়ে জামাই, আত্মীয়কে নিয়োগ পাওয়ার পরই অভিযোগ তোলা হয়েছে মেয়ে জামাইকে নিয়োগ দেয়ার জন্যই নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়।

ভিসি সোবহান আরো বলেন, অশুভ রাজনীতিতে জড়িয়ে গেছে এমন একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এনেছে। সংবাদপত্রের প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যে জানতে পেরেছি আমার অর্থের অনুসন্ধান করা হবে। বাংলাদেশের যেকোনো সংস্থা আমার অর্থের অনুসন্ধান করতে পারে। সেই সৎসাহস আমার আছে বলে জানান তিনি।


আরো সংবাদ