০৩ জুন ২০২০

অ ভি ম ত : বিএনপিকে বলছি

-

দেশের অশান্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রহীনতার সুযোগে সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে বিরোধী জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কৌশলে মামলা দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব এবং তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে পঙ্গু, সর্বোপরি মানসিকভাবে হ্যামারিং করে ভারসাম্যহীন করে দিয়েছে। অর্থাৎ বিএনপি জোট যাতে অদূর ভবিষ্যতে সুসংগঠিত হতে না পারে তারই একটি পূর্ব পরিকল্পনা এটি। পক্ষান্তরে, আওয়ামী লীগ নেতারা উন্নয়নের নামে ডিজিটাল দুর্নীতি করে ‘স্বাবলম্বী’ হচ্ছে অনেকে। পুলিশ প্রশাসন দিয়ে কৌশলে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করছে এবং তাদের সমর্থক বাড়াতে বিভিন্ন অপকৌশলে বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, বেকার ভাতা, ভিক্ষুক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিদের চাকরির কোটা, এমনকি বাংলাদেশে গৃহহীন ছিন্নমূল ৬০ লাখ মানুষের গৃহ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সমস্ত প্রশাসন বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনকে কব্জা করতে, তাদেরকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ সরকারবিরোধীদের বিভিন্ন কৌশলে ভয়ভীতি ও হয়রানি করে অন্যায় উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। তাই তারাও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, কোনো অবস্থাতেই এই সরকারকে হাতছাড়া করবে না। বিএনপি যদি ন্যায়নীতির মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে দেশটা পরিচালনা করত, তবে বড় গলায় বলতে পারি যেÑ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিএনপি জোট ন্যূনতম ১৫১টি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারবে বা পারত। কারণ আজ পর্যন্ত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রতি জনসমর্থন কোটি কোটি মানুষের মধ্যে আছে। বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য যাদের রাজপথে থাকার কথা, তারা নেই কেন? আসলে বহুরূপীর কারণেই আজকে দেশের এই গণতন্ত্রহীনতা। নেতারা আগে রাজপথে নেমে পুলিশের/ছাত্রলীগের গুলি খেয়ে শহীদ হতে হবে।
আখের মোহাম্মদ ছালাম আকুঞ্জি
যশোর


আরো সংবাদ