২৯ মার্চ ২০২০

স্ম র ণ : এফ আর খান

-

ডক্টর এফ আর খান (১৯২৯-১৯৮২)। জন্ম- ঢাকা, ৩-৪-১৯২৯। পৈতৃক নিবাস ভাণ্ডারীকান্দি গ্রাম, শিবচর, ফরিদপুর। বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি। পুরো নাম ফজলুর রহমান খান। পিতা শিক্ষাবিদ খান বাহাদুর আবদুর রহমান খাঁ। ১৯৪৪ সালে আরমানিটোলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করে কলকাতা শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি। ফাইনাল পরীক্ষায় কয়েকটি পত্র দেয়ার পর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে ঢাকায় আগমন। আহছানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বর্তমানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে বাকি পত্রগুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ। তার সার্টিফিকেটে লেখা আছে, B.E. Special, Calcutta Syllabus. প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষক পদে নিযুক্তি। ১৯৫২তে পিএইচডি লাভের জন্য আমেরিকা গমন। একই সাথে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেকানিক্সে এমএস। ডক্টরেট ডিগ্রি লাভের পর ১৯৫৬ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং সরকারের চাকরি গ্রহণ। পরে আরকিটেকচারাল ফার্ম স্কিড মোর-এর আহ্বানে যুক্তরাষ্ট্রে গমন এবং এই কোম্পানির শিকাগো অফিসের পরিচালক নিযুক্ত। আইআইটি’র (ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) স্থাপত্যকলার অধ্যাপক পদে অধিষ্ঠিত। আমেরিকার এমিরিটাস প্রফেসর। বিশ্বের উচ্চতম ভবন সিয়ারস টাওয়ারের নকশা প্রণয়ণ। ১৯৭২-এ ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ড’-এ ম্যান অব দি ইয়ার । পাঁচবার এই গৌরব অর্জন। ১৯৭৪-এ ‘নিউজ উইক’ ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের ওপর প্রচ্ছদ কাহিনীতে তাকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে (Man of the Top) অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা। আন্তর্জাতিক গগনচুম্বী ভবন ও নগরায়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে জন হ্যানকর সেন্টার (১০০ তলা), জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, হজ টার্মিনালের পঞ্চাশ হাজার বর্গফুটের বৃহত্তম ছাদকাঠামো এবং মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন।
নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, লি হাই বিশ্ববিদ্যালয় ও সুইস ফেডারেল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৭৩ ও ১৯৮০-তে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ। Studies in Islamic Architecture-এর উপদেষ্টা। মুসলিম স্থাপত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন। Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন। এর দ্বারা অতি উচ্চ (কমপক্ষে এক শত তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ সম্ভব। গগনচুম্বী ভবনের ওপর সাত খণ্ডে প্রকাশিত পুস্তকের সম্পাদনা। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রবাসে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। সমরাস্ত্র ক্রয়ের জন্য স্বাধীন বাংলা সরকারকে আর্থিক সাহায্য প্রদান। ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ জেদ্দায় ইন্তেকাল। হ


আরো সংবাদ