১০ জুলাই ২০২০

স্মরণ : আবু হেনা মোস্তফা কামাল

-

শিক্ষাবিদ, কবি, লেখক আবু হেনা মোস্তফা কামালের জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার গোবিন্দ গ্রামে ১৯৩৬ সালে ৩ ডিসেম্বর। ১৯৫২ সালে পাবনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৫৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে ত্রয়োদশ স্থান এবং আইএ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৬ সালে বাংলায় বিএ অনার্স ও ১৯৫৯ সালে বাংলায় এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে বিরল মেধার পরিচয় দেন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সময় পরিসরে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সংবাদপত্র ও সাহিত্য বিষয়ে ‘বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং-১৮১৮-১৮৩১’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভ রচনা করে পিএইচডি অর্জন করেন। পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কলেজ ও রাজশাহী সরকারি কলেজে কিছুকাল অধ্যাপনা করেন শিক্ষাজীবনের পরপরই। ১৯৬২ সালে সহকারী পরিচালক পদে সরকারের জনসংযোগ পরিদফতরে যোগদান করেন। প্রায় এক বছর এ পদে কর্মরত থেকে ১৯৬৩ সালের ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক নিযুক্ত হন। ১৯৬৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে যোগ দেন। ১৯৭০ সালের ২০ ডিসেম্বর সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় রাজশাহী বেতারে আরো অনেকের সাথে পাকিস্তানের পক্ষে অনুষ্ঠান করার অভিযোগে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে কিছু দিন কারাভোগ করতে হয় তাকে। ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে যোগদান করেন এবং ১৯৭৬ সালের ২৬ জুন প্রফেসর পদে উন্নীত হন। ১৯৭৮ সালের ১ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রফেসর পদে যোগদান করেন। ১৯৮৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক নিযুক্ত হয়ে এ পদে প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর ১৯৮৬ সালের ১১ মার্চ বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। মৃত্যুকাল অবধি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। কবিতা, প্রবন্ধ ও গান লিখে সুনাম অর্জন করেছেন। সুবক্তা, টেলিভিশনের বাককুশল রসিক উপস্থাপক ও আলোচক, সর্বোপরি শিক্ষক হিসেবে খ্যাত। তার লিখিত ও এ যাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থাবলি : কাব্যÑ আপন যৌবন বৈরী (১৯৭৪), যেহেতু জন্মান্ধ (১৯৮৪), আক্রান্ত গজল (১৯৮৮); প্রবন্ধ-গবেষণাÑ শিল্পীর রূপান্তর (১৯৭৫),The Bengali Press and Literary Writing (১৯৭৭), কথা ও কবিতা (১৯৮১)। আলাওল পুরস্কার (১৯৭৫), সুহৃদ সাহিত্য স্বর্ণপদক (১৯৮৬), একুশের পদক (১৯৮৭), আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ স্বর্ণপদক (১৯৮৯), সাদত আলী আকন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯১) লাভ করেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। হ


আরো সংবাদ

মুসলমানদের লাশ পুড়িয়ে ফেলতে বাধ্য করে শ্রীলঙ্কা ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করছে : মুফতী ফয়জুল শিক্ষকের যৌন হয়রানির ভিডিও ভাইরাল, সর্বত্র তোলপাড় চৌকস পুলিশ কর্মকতা আলমগীর এবার ট্যুরিস্ট পুলিশে বড়শিতে আটকালো ৮ ফুট ডলফিন, কেটে বিক্রি শ্রীলঙ্কা মুসলমানদের লাশ পুড়ে ফেলতে বাধ্য করে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করছে টাঙ্গাইলে করোনায় তিনজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩১ করোনা: ভারতে এক দিনে রেকর্ড ২৬ হাজার ৫০৬ রোগী শনাক্ত করোনাভাইরাস: জরুরি সিদ্ধান্ত কীভাবে হচ্ছে, কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মতামত? রাজার দাম ১৫ লাখ টাকা! সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দৈনন্দিন কাজ অব্যাহত রাখতে হবে : ডেপুটি স্পিকার ত্রাণ ও স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হবে : দুদক

সকল