০৫ জুলাই ২০২০

দৃষ্টিপাত : পল্লী বিদ্যুতে দালাল দমন করুন

-

‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ কার্যক্রম সম্পূর্ণ সরকারি অর্থে ((ডিপোজিট ওয়ার্ক ব্যতীত) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই কোটি ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। প্রতি মাসে তিন থেকে পাঁচ লাখ গ্রাহক সরকারের প্রচেষ্টায় সংযোগ পাচ্ছে। গত ৩০ মাসে ৯৩ লাখ গ্রাহককে সংযোগ দেয়া হয়েছে। ডিসেম্বর ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৫৭টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে। ২০১৮ সালে ৬৫ লাখের বেশি গ্রাহক পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে। ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লাখ বিদ্যুৎপ্রত্যাশীরা সংযোগ প্রাপ্ত হয়েছে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৬৭টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছে। বিদ্যুতের আওতা থেকে বেশি বঞ্চিত দেশের দক্ষিণ ভাগে (উপকূলীয় অঞ্চলের) মানুষ ও কিছু বিচ্ছিন্ন প্রত্যন্ত জনপদ।
সে লক্ষ্যে সরকার দেশব্যাপী প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং কার্যক্রমও চলছে দ্রুত গতিতে। যারা বিদ্যুৎ পেতে এখনো আবেদন করেনি, তাদের আবেদনের জন্য মাইকিং হচ্ছে গ্রামগঞ্জে। পাশাপাশি দালাল চক্রের খপ্পরে এখন বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ দারুণভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে প্রতিদিন। দালাল চক্রটি কিছু অসাধু ঠিকাদারের ছত্রছায়ায় গ্রাহক থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ দ্রুত পৌঁছে দেয়ার আশ্বাসে। এরা সক্রিয়, অন্যদিকে বিভিন্ন কৌশলে আদায় করা হচ্ছে অবৈধ অর্থ। যেমন, বৈদ্যুতিক খুঁটি সরবরাহের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা আদায়। প্রতিটি খুঁটি পোঁতার বখশিশ, লাইন টানার তোহফা, ঘরে ঘরে তার সংযোগের নাজরানা, গাছের ডালপালা কর্তনের হাদিয়া, খুঁটির ওপর ট্রান্সমিটার বসানোর মওকা ফি। এরপর নির্মাণ শ্রমিকের টিফিন ও জামাই আদরে তিন বেলা খাওয়ানো এবং থাকার ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও আদায় করা হচ্ছে। লাইন নির্মাণ শ্রমিকের থাকা খাওয়ার ব্যয়ভার বহন করা ঠিকাদারের কথা থাকলেও সুকৌশলে গ্রাহক থেকে দালালরা এটা আদায় করছে। দেশব্যাপী এ অভিযোগ নিরসনের প্রসঙ্গ টেনে কথা হয়Ñ পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সেলিম মিয়া এবং জিএম মনোহর কুমার বিশ্বাস (পবিস), গলাচিপার ডিজিএম মো: আনোয়ারুল ইসলাম ও পরিদর্শক রায়হান আকবরের সাথে। তারা বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক বিশেষ ঘোষণা পত্রের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে দালাল চক্র এবং অবৈধ অর্থ লেনদেনকারীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করার পরামর্শ দেন। এ ব্যাপারে তারাই এলাকায় অবৈধ লেনদেনের ব্যাপারে লিফলেটও বিতরণ করেন। কিন্তু বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে (পবিস) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লিখিত অবগতির মাধ্যমে দালাল চক্র ও অবৈধ অর্থ লেনদেন বন্ধ করা সম্ভব। কারণ বিদ্যুৎপ্রত্যাশীরা এ ঝুঁকি নিতে অক্ষম।
আজিজ ইবনে মুসলিম
সাবেক ব্যাংকার ও সাংবাদিক


আরো সংবাদ

গরুর নাম চিতা বাঘ, দাম ১০ লাখ টাকা গলাচিপায় জোয়ারের পানিতে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়েসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত পাটকল বন্ধের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে : ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কলম্বাসের মূর্তি গুড়িয়ে দিলো প্রতিবাদীরা দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে দিয়েছে সরকার : ফখরুল করোনায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজাদের মৃত্যু জামায়াত নেতা মোসলেহ উদ্দীনের মৃত্যুতে ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীরের শোক গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট তারকা কুশল মেন্ডিস ভার্চুয়াল আদালত সব সময়ের জন্য নয় : আইনমন্ত্রী ঈদের আগে কওমি মাদরাসা খুলে দিন : মাওলানা হামিদী বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসের ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

সকল