০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৯, ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

যুবসমাজকে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে : ডা. তাহের

যুবসমাজকে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে : ডা. তাহের -

বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যুবসমাজকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহের।

শুক্রবার আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে নরসিংদী জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যৌবনকাল প্রত্যেক মানুষের জন্য আল্লাহর অন্যতম নিয়ামত। এ নিয়ামতের কদর করা যুবকদের দায়িত্ব। যৌবনকালের দাবি হলো আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেখানো পথে ও কল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য মজবুত কদমে বলিষ্ঠতার সাথে এগিয়ে যাওয়া। এজন্য যুবকদের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যত বাধা-বিপত্তিই আসুক সব মোকাবেলা করে এ আদর্শকে সামনে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব যুবকদেরকেই নিতে হবে।

ডা. তাহের বলেন, বিশ্বব্যাপী আলোচনা বা কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য যুবক। তাদেরকে আদর্শচ্যূত করার জন্য নানা রকম চক্রান্ত চলছে। সে চক্রান্তের শিকার হওয়া যাবে না। হালাল-হারামের সীমা মেনে চলতে হবে। চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হয়ে অন্যের কর্মসংস্থান করতে হবে। সমস্যায় কাতর না হয়ে যোগ্যতা অর্জন করে তা মোকাবেলা করতে হবে। দ্বীনের পথে চলাকে জীবনের প্রধান মিশন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, যুবকরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াতকে সম্প্রসারিত করেছে, জিহাদ করেছে। রাষ্ট্র গঠনে তারা ভূমিকা রেখেছে। এ সময় তিনি সাহাবায়ে কেরামের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, সাহাবাদের মতো আজকের যুবকদের শান্তিপূর্ণ সমাজ কায়েমে মূল ভূমিকা রাখতে হবে। যুবকরা জেগে উঠলেই কেবল মানবতা মুক্তি পাবে এবং জালিমের তখতে তাউছ খান খান হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

আব্দুল জব্বার বলেন, যৌবনকাল অতি মূল্যবান হওয়ায় আখেরাতে আল্লাহ স্বতন্ত্রভাবে যৌবন সম্পর্কে জানতে চাবেন। সঠিক ইসলামী আদর্শ মতে জীবন চালাতে পারলে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো সহজ হয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আমজাদ হোসাইন বলেন, ইসলামী জীবনবোধে যুবকদেরকে গুরুত্বপূর্ণ আসনে স্থান দেয়া হয়েছে। নবীগণ যুবক ছিলেন। নবীগণের অধিকাংশ অনুসারীও ছিলেন যুবক। তাই ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুবকদেরকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।

জেলা আমির মাওলানা মোছলেহুদ্দীনের সভাপতিত্বে ও জেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মকবুল হোসেনের সঞ্চালনায় জেলা কর্মপরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজ ভূঁইয়াসহ আরো অনেক উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি


আরো সংবাদ


premium cement