৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আহ্বান জামায়াতের

আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আহ্বান জামায়াতের - ছবি : সংগৃহীত

তিস্তা ব্যারেজের গজলডোবা অংশের গেট খুলে দেয়ায় দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম।

রোববার সংবাদমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ভারত তিস্তা ব্যারেজের গজলডোবা সবগুলো গেট খুলে দেয়ায় গত কয়েকদিনে দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘর-বাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে বিপুল সংখ্যক মানুষ।’

তিনি বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ১০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সেখানে ১ জন লোকের মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার দুটি ইউনিয়ন সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় ৫ শতাধিক পরিবার উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। বন্যাকবলিত এসব এলাকার ঘরবাড়ি, দোকান-পাট, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিসহ প্রায় ১৪০টি পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। অনেক স্থানে রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

মাওলানা মা’ছুম বলেন, ‘ভয়াবহ এ বন্যায় অনেকে বেঁচে থাকার শেষ সম্বলটুকুও হারিয়েছেন। কেউ কেউ ঋণ করে আগের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ঘুড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আকস্মিক বন্যার কারণে সে আশার বাতিটুকুও নিভে পথে বসার উপক্রম হয়েছে তাদের। এহেন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তাদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ-সামগ্রী বরাদ্দ ও নগদ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

সেইসাথে সামর্থানুযায়ী সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গ ও জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল নেতা-কর্মীদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের এই নেতা। -বিজ্ঞপ্তি



আরো সংবাদ