১৬ জুন ২০২১
`

বাঁশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানকে তুলে নেয়ার অভিযোগ, জামায়াতের নিন্দা

বাঁশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানকে তুলে নেয়ার অভিযোগ, জামায়াতের নিন্দা - ছবি- সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেয়ার অভিযোগ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দার পাশাপাশি গ্রেফতার মাওলানা জহিরুল ইসলামের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও গণমানুষের নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামকে চট্টগ্রামের কোতওয়ালী থানার টেরিবাজার এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। মহিমান্বিত এ রমজান মাসে তারাবির আগ মুহূর্তে একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধিকে বিনা ওয়ারেন্টে ডিবি পলিশ পরিচয়ে তুলে নেয়ার পর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। খোঁজ না পেয়ে তার পরিবার খুবই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।

বিবৃতিতে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছিল না। কী কারণে তাকে উঠিয়ে নিয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। পবিত্র রমজান মাসে যখন মানুষের সাথে কোমল আচরণ করার কথা, তখন পুলিশ নিরীহ মানুষকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। আমি পুলিশের এই অন্যায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে সরকারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জুলুম-নিপীড়নের পরিণতি কখনো শুভ হয় না। ভিন্নমতের মানুষকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের ওপর জুলুম-নিপীড়ন চালিয়ে সরকার বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।

অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামসহ সারাদেশে গ্রেফতার সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবিও জানানো হয় জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের বিবৃতিতে।

বিজ্ঞপ্তি



আরো সংবাদ