০২ ডিসেম্বর ২০২০

‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতিতে অপ্রতিরোধ্য নয়া দিগন্ত’

‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতিতে অপ্রতিরোধ্য নয়া দিগন্ত’ - সংগৃহীত

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতিতে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলা পত্রিকার নাম নয়া দিগন্ত- বলেছেন, জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিঞা গোলাম পারয়োয়ার। সোমবার নয়া দিগন্তের ১৭তম বর্ষে অনলাইনে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নয়া দিগন্তের বোর্ড রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের বোর্ড চেয়ারম্যান সাবেক সচিব শাহ আবদুল হান্নান, প্রকাশক শামসুল হুদা এফসিএ, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সালাউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাদেক ভূঁইয়া, ডেপুটি এডিটর মাসুমুর রহমান খলিলী প্রমুখ। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পত্রিকার সাংবাদিক পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছা জানান। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আশা প্রকাশ করেন, বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য প্রকাশে পত্রিকাটি আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে। তিনি নয়া দিগন্তের সমৃদ্ধি কামনা করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এমসি কমিটির চেয়ারম্যান কাজী হারুন অর রশীদ, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পত্রিকাটির অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক শিব্বির মাহমুদ ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখেন। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,এনডিপির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মোর্তুজা, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির সভাপতি মঞ্জুর হোসেন ঈসা, এনএপির ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, মোহাম্মদ কাজল ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম শেকুল, নয়ন আল আমীন প্রমুখ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের বোর্ড চেয়ারম্যানসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা কেকে কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক কবি জাকির আবু জাফর।

তিনি বলেন, ১৭ বছরে পদার্পণ মানে হলো ১৬ বছর পূর্ণ করা। একটি পত্রিকার জন্য এটা যৌবন ও তারুণ্যের নতুন যাত্রা। বাংলাদেশে এমন একটা সময়ে নয়া দিগন্ত দিন পার করে এসেছে যখন মানুষেরা পত্রিকার সততা ও নিরপেক্ষতার ব্যপারে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারছিল না। তখন থেকে নয়া দিগন্ত এ সমস্যা মোকাবেলা করে পাঠকদের কাছে সততা ও নিরপেক্ষতার আস্থা অর্জন করেছে।

আমাদের জাতির দুর্ভাগ্য যে প্রায় শতবর্ষ হলো নৈতিকতার চরমতম অবক্ষয় নিয়ে আমরা এগিয়ে চলছি। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে যখন নৈতিকতাকে আলাদা করা হয়েছে তখন থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি রাজনীতি, রাজনৈতিক কূটনীতি সব কিছুর ওপর যেমন প্রভাব পরেছে, তেমনি পত্রিকার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নয়া দিগন্ত সেই নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে এগিয়ে চলেছে।

সব পত্রিকার সৃষ্টি লগ্নের কিছু লক্ষ্য থাকে। পাঠক হিসেবে আমি মনে করি নয়া দিগন্তের জন্মের লক্ষ্য ছিল দেশে বিরাজমান দুর্নীতি, নৈতিকতার অবক্ষয়, রাজনীতির দেউলিয়াপনা, অমানিশার ঘোর অন্ধকার কাটিয়ে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে নতুন আলোয় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে চলা। নয়া দিগন্ত সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

একই সাথে তিনি নয়া দিগন্তের সকল সমস্যা ও বিপদে পাশে থাকায় অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন। তিনি সকল পাঠক, কর্মী ও বিজ্ঞাপন দাতাকে ধন্যবাদ দিয়ে নয়া দিগন্তের জন্য শুভকামনা জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।


আরো সংবাদ