০৯ এপ্রিল ২০২০

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে যা বলা হয়েছে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদনে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া - সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের বিষয়ে আজ দুপুর ২টায় আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। এর আগে সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে পাঠানো তার স্বাস্থ্যগত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের (উন্নত চিকিৎসা) জন্য রাজি হননি খালেদা জিয়া।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোঃ আলী আকবর। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক তা পড়ে শোনান।

এরপর আদেশ দিতে চাইলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন রোববার পর্যন্ত সময় চান। কিন্তু আদালত তাতে রাজি না হলে তিনি (জয়নুল আবেদীন) এদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত সময় দেয়ার আবেদন জানান। এরপর আদালত দুপুর ২টায় আদেশের জন্য সময় রেখেছেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সাথে ছিলেন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মওদুদ আহমেদ, এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সগীর হোসেন লিওন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি (রোববার) অ্যাডভান্স (উন্নত) ট্রিটমেন্টের জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্মতি দিয়েছেন কিনা, সম্মতি দিলে চিকিৎসা শুরু হয়েছে কিনা এবং শুরু হলে কী অবস্থা তা জানাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

বুধবারের (২৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে এ প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়। এ বিষয়ে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিন রাখেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশ অনুসারে বুধবার বিএসএমএমইউ থেকে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। আজ সকালে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। পরে সেটি পড়ে শোনান বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক।

সেখানে বলা হয়, খালেদা জিয়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও প্রতিস্থাপনজনিত হাঁটুর ব্যথায় (অস্টিও-আর্থরাইটিস) ভুগছেন। অন্য সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অস্টিও-আর্থরাইটিসের 'অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট' শুরুর বিষয়ে তিনি সম্মতি দেননি। এমনকি সেই চিকিৎসার জন্য যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার, সেগুলোও করা যাচ্ছে না।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন আদালতকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন কেন সম্মতি দেননি, সেটা জানতে তার সাথে কথা বলতে চান তিনি।

সেজন্য সময়ের আবেদন করে তিনি জামিন প্রশ্নে আদেশের বিষয়টি রোববার পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়ার আবেদন করেন। তবে তাতে সাড়া না দিয়ে বিচারক বলেন, খালেদা জিয়া কেন সম্মতি দেননি, সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। তার জামিনের বিষয়ে বেলা ২টায় আদেশ দেয়া হবে।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হয়। পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন এখনো আদালতে উপস্থাপন করেননি তার আইনজীবীরা।


আরো সংবাদ

১১২টি আইসিইউ নিয়ে করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ কতটা সক্ষম? বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে করোনা উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু গরম পড়লে কি করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাবে? সৌদি রাজ পরিবারের ১৫০ সদস্য করোনায় আক্রান্ত সাঈদীর মুক্তি চেয়ে সাতকানিয়ার শতাধিক সামাজিক সংগঠনের বিবৃতি ভারতের গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করল পাকিস্তান ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নারীর শরীরে করোনা শনাক্ত নারায়ণগঞ্জ ফেরত যুবকের শরীরে করোনা, সৈয়দপুরে ২০ বাড়ি লকডাউন চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ১ ব্রিটেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশী চিকিৎসকের মৃত্যু

সকল