৩০ মার্চ ২০২০

মাথায় লেজ কুকুরের! নেট দুনিয়ায় ভাইরাল

কুকুরছানা নারওয়াল - ছবি : সংগৃহীত

কুকুরের লেজ কোথায় থাকে? পিছনেই যে থাকে, এ উত্তর বোধহয় শিশুরও জানা। কিন্তু সেই ধ্রুব সত্যকেই ব্যতিক্রমী প্রমাণ করল মিসৌরির কুকুরছানা নারওয়াল। কারণ, মাথায় লেজ নিয়েই জন্মেছে ছোট্ট নারওয়াল। নেটদুনিয়ায় সাড়া জাগিয়েছে ছোট্ট ওই কুকুরছানা।

নারওয়াল নামে ছোট্ট ওই কুকুরছানাটি রাস্তার ধারে অযত্নে পড়েছিল। দু’মাসের একটু বেশি সময় আগেই জন্মেছিল সে। তাকে উদ্ধার করে ম্যাকস মিশন নামে পশুপ্রেমী সংগঠন। তাদের তরফেই প্রথম নারওয়ালের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়।

ওই ছবিতেই দেখা গিয়েছে নারওয়ালের মাথার উপরে রয়েছে একটি ছোট্ট লেজ। একগুচ্ছ লোমের সমাহারে ওই লেজ এক্কেবারে নরম। এছাড়া অন্যান্য কুকুরদের মতো নির্দিষ্ট জায়গাতেও লেজ রয়েছে তার। নারওয়ালের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে অবাক হয়ে গিয়েছেন নেটিজেনরা। যে দেখছেন সেই অবাক হচ্ছেন। নেটিজেনদের একাংশ লিখেছেন, মাথার উপরের এই ছোট্ট লেজই নাকি আরও সুন্দর করে তুলেছে নারওয়ালকে।

মাথার উপরের লেজের জন্য নারওয়ালকে পশুচিকিৎসকের কাছেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে ওই সারমেয় ছানার এটি কোনও রোগ নয়। তাই মাথার ওই লেজটি অস্ত্রোপচার করে বাদ দেওয়ার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আর পাঁচটি কুকুরের তুলনায় নারওয়াল যথেষ্ট সুস্থ বলেও জানিয়েছেন তিনি। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে দিব্যি ভাব জমিয়ে নিয়েছে ছোট্ট কুকুরছানা। তবে এই মাথার উপরের লেজের জন্য রাতারাতি নেটিজেনদের চর্চার বিষয় হয়ে গিয়েছে সে। শুধুমাত্র ব্যতিক্রমী লেজের জন্য নারওয়ালকে বাড়িতে রাখার কথা ভাবছেন পশুপ্রেমীদের একাংশ।


আরো সংবাদ

বৃদ্ধকে কান ধরে উঠবস করানো এসিল্যান্ডকে একহাত নিলেন আসিফ নজরুল (২৫১২৪)করোনার বিরুদ্ধে লড়াকু ‘বীর’ চিকিৎসক যে ভয়াবহ বার্তা দিয়েই মারা গেলেন (২৪৫০৫)ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর করোনার খবরে পেছনের দরজা দিয়ে পালালেন উপদেষ্টা (ভিডিও) (১৪৩৬৩)অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া আর নেই (১২১৬৯)মুক্ত খালেদা জিয়ার সাথে দেখা হলো না সানাউল্লাহর (৯৭৮৪)কান ধরে উঠবস করানো সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার (৯৭০৮)করোনার ওষুধ আবিষ্কারের দাবি ডুয়েটের ৩ গবেষকের (৯১৭৪)প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়ার বলি মেয়ে (৮৯০১)করোনার আক্রমণে করুণ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের (৮৭৮৩)মোদি-যোগির রাজ্যে ক্ষুধার জ্বালায় ঘাস খাচ্ছে শিশুরা (৮৫৯৭)