২০ আগস্ট ২০২২
`

‘শিক্ষা সিলেবাস থেকে ইসলামকে বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেয়া যাবে না’

‘শিক্ষা সিলেবাস থেকে ইসলামকে বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেয়া যাবে না’। - ছবি : সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা আইন-২০২২ খসড়া কমিটিতে আলেম-ওলামাদের সম্পৃক্ত করার দাবি জানিয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

রোববার এক বিবৃতিতে হেফাজতের পক্ষে সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এ দাবি জানান।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের শিক্ষাখাত নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। সিলেবাস থেকে ইসলামকে বাদ দেয়ার জন্য সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে দেশ ও ইসলাম বিরোধী শক্তিগুলো। তারা সুকৌশলে দেশের শিক্ষাখাত থেকে ইসলামকে মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগেও শিক্ষানীতিতে ইসলামকে হটিয়ে হিন্দুত্ববাদ প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালিয়েছে একটি গোষ্ঠী। সেবার শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ: ও আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী রহ:-এর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামসহ দেশের ইসলামপন্থী তৌহিদী জনতার প্রতিবাদের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় ষড়যন্ত্রকারীরা।

করোনার অজুহাতে গত দুই বছর ইসলাম শিক্ষার পরীক্ষা নেয়া হয়নি। শোনা যাচ্ছে নতুন শিক্ষানীতিতে ইসলাম শিক্ষাকে বাদ দিয়ে কথিত নৈতিক শিক্ষা প্রবেশ করানো হচ্ছে। পাঠ্যপুস্তক ও জাতীয় শিক্ষাক্রম থেকে ইসলামী শিক্ষাকে সঙ্কুচিত করা চরম উদ্বেগজনক বিষয়। এটি জাতি-বিনাশী, জাতি-বিধ্বংসী ও চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছেন তারা।

দুই নেতা বলেন, এমনিতেই সকল ক্ষেত্রে মূল্যবোধহীনতার চর্চা বেড়েছে। মূল্যবোধহীনতার মূলে ধর্মীয় শিক্ষার অভাব অন্যতম কারণ। এহেন পরিস্থিতিতে নাগরিকদের নৈতিকভাবে বলীয়ান করার জন্য ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পরিধি যখন আরো বাড়ানো জরুরি, তখন তা আরো সঙ্কুচিত করা অযৌক্তিক ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত হবে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কস্মিনকালেও পাঠ্যসূচী থেকে ইসলামকে বাদ দেয়া তো দূরের কথা, কল্পনা করারও দুঃসাহস দেখানো উচিৎ হবে না। এই দেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ। মুসলমানের সন্তানদের মৌলিক অধিকার ইসলাম সম্পর্কে জানা ও ইসলামী জ্ঞান হাসিল করা। অন্যান্য ধর্মের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ ধর্মের জ্ঞান অর্জন করবে। এ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা এর আগেও দেখেছি শিক্ষানীতি তৈরির নামে ইসলাম বিদ্বেষী একটি গোষ্ঠী পাঠ্যসূচীর মধ্যে ইসলামকে হটিয়ে হিন্দুত্ববাদ প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছে। এবারো আমরা এই ধরনের আভাস পাচ্ছি। তাই আমাদের দাবি হচ্ছে, শিক্ষা আইনের খসড়া কমিটিতে অবশ্যই আলেমদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। খসড়া কমিটির পক্ষ দেশের বিজ্ঞ আলেম-ওলামা ও ইসলামী স্কলারদের সাথে মতবিনিময়ের আয়োজন করতে হবে। তাদের সাথে পরামর্শক্রমে পাঠ্যসূচি প্রণয়ন করতে হবে।

তারা দাবি করেন, এমন কোনো বিষয় পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না, যা ইসলাম ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের চিন্তা-চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। সম্পূর্ণ আলাদাভাবে ইসলাম শিক্ষাকে রাখতে হবে। ইসলাম শিক্ষার জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগে করতে হবে। পূর্ণ নম্বরে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ক পরীক্ষা নিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে এদেশের ইসলামপ্রিয় তৌহিদী জনতা কখনো-ই তা মেনে নেবে না।


আরো সংবাদ


premium cement
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া আসাদের অপসারণ চায় না তুরস্ক : এরদোগান উড়ে গেল ম্যাকালামের দল, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংসে হার ইংল্যান্ডের স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলার পর মুখে ‘অ্যাসিড’ নিক্ষেপের অভিযোগ ‘মাস্টারদা সূর্যসেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও কল্পনা দত্ত’ স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত বাউবির এসএসসি পরীক্ষা শুরু গাজীপুরে শিক্ষক দম্পতির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা কোনিয়া যেন মসজিদের শহর ‘নিম্নচাপ’ নিয়ে আবহাওয়ার ৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি মতলবে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে ২ জনের মৃত্যু ব্যবসায়ী দুলাল হত্যা মামলার রহস্য ৪ দিনে উদঘাটন

সকল