মতামত

সম্পাদকীয়

জন-অভিপ্রায় আমলে নিন

ফ্যাসিবাদের আমলে কেটেছিঁড়ে সংবিধানের করুণ অবস্থা করা হয়েছে। তাই সংশোধন নাকি আমূল সংস্কার, এই প্রশ্ন সামনে এসেছে। শেখ হাসিনা যেভাবে নিজের ও দলীয় স্বার্থে সংবিধানে পরিবর্তন এনেছেন, এই পরিপ্রেক্ষিতে এর সংশোধন নয়, সংস্কারের অপরিহার্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গণভোটে ভোটাররা তাদের মতামত জানিয়েছেন। যাতে জাতীয় স্বার্থের প্রতিফলন ঘটানো যায় সংবিধানে।

সব বনে চালু হোক

বন্যপ্রাণী আমাদের বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমের অংশ। মধুপুরের রোপওয়ে প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলোকে মডেল হিসেবে ধরে দেশের অন্যান্য বনাঞ্চলেও এর বাস্তবায়ন করতে হবে।

অভিমত

নিভৃতে জেগে উঠেছিল এক সম্ভাবনা

কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, এত সহায়তা দিয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী ডেকে আনার ঠেকা পড়েছে কেন? ঠেকা পড়েনি, এটা সত্য। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে আমরাই যে ঠেকে যাচ্ছি! বাইরের দেশের সাথে ঠিকমতো ব্যবসা-বাণিজ্যও করতে পারছি না। দেশের বাইরে থেকে কেউ পড়তে এলে সাথে নিয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই বৈদেশিক মুদ্রা।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী যে বার্তা দিয়েছেন, তা যদি ধারাবাহিকভাবে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হয়, তবে তা বাংলাদেশের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সাথে এই উদ্যোগকে এমনভাবে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে সেনাবাহিনীর সাংবিধানিক ভূমিকা, পেশাদারিত্ব এবং জনগণের আস্থা আরো সুদৃঢ় হয়।

বঙ্গোপসাগরের গ্যাস কি তবে দিল্লির হাতে তুলে দিয়েছিলেন হাসিনা?

শেখ হাসিনা সরকার নিজের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং দিল্লির একচেটিয়া রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখতে এই চরম জাতীয় স্বার্থবিরোধী অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করার সাহস পাননি। দেশের সার্বভৌম স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে এভাবে ‘ফ্রি লুট’ বা অবাধে চুরির সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল, যার চরম মাশুল আজ দেশের জনগণকে দিতে হচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর সম্মান রক্ষাই রাষ্ট্রের মর্যাদা

একজন সেনা কর্মকর্তা তার কর্মজীবনের প্রতিটি দিন কাটান শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও আত্মত্যাগের কঠোর পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। সীমান্তে, দুর্গম পাহাড়ে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিংবা আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে তিনি দেশের পতাকাকে মর্যাদার সঙ্গে বহন করেন। সেই মানুষটিকেই যদি রাজনৈতিক বিবেচনা, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা কিংবা প্রশাসনিক বৈষম্যের কারণে প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত হতে হয়, তবে সেই ক্ষত কেবল তার ব্যক্তিগত নয়; সেটি রাষ্ট্রেরও ক্ষত।

পাঠকের অভিমত

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

আসুন, আমরা ভেদাভেদ ভুলে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াই। আমাদের সম্মিলিত সহমর্মিতা ও সহযোগিতাই পারে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে এবং নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার শক্তি জোগাতে।

পার্থেনিয়ামের আগ্রাসন

‘পার্থেনিয়াম নির্মূলে শুধু এক দিনের অভিযান যথেষ্ট নয়। ফুল ফোটার আগেই শিকড়সহ গাছ তুলে নিরাপদ উপায়ে ধ্বংস করতে হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ

একই সাথে সঙ্কটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

শিশু সুরক্ষায় সাঁতার শিক্ষা এখন সময়ের দাবি

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শিশুদের সাঁতার শেখানো, জলাশয়ের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।