২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮ আশ্বিন ১৪২৮, ১৫ সফর ১৪৪৩ হিজরি
`

কঠিন বর্জ্য : পরিবেশ ধ্বংসের প্রধান কারণ

-

মানব সভ্যতা উন্নয়নের সাথে মানবজাতির যত উপকার সাধন হয়েছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাও তত প্রকট হয়ে উঠেছে। আজকের পৃথিবীতে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃতিকে জীবের বসবাসযোগ্য রাখা। বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে বর্জ্যরে পরিমাণও মাত্রাতিরিক্ত বাড়ছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশেও একই চিত্র। প্রতিনিয়ত জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্বের সাথে বর্জ্যরে উৎপাদন হচ্ছে অধিকহারে। যার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য নিয়ন্ত্রকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বছর মাথাপিছু ১৫০ কিলোগ্রাম এবং সর্বমোট ২২.৪ মিলিয়ন টন বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সাল নাগাদ মাথাপিছু বর্জ্য সৃষ্টির হার হবে ২২০ কিলোগ্রাম এবং সর্বমোট বর্জ্যরে পরিমাণ ৪৭ হাজার ৬৪ টনে গিয়ে দাঁড়াবে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে। বর্জ্য বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। কঠিন, তরল, বায়বীয়। কঠিন বর্জ্যরে পরিমাণই বেশি। মানুষের ব্যবহার্য জিনিসপত্র যখন অকেজো অথবা অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে তখন এগুলো কঠিন বর্জ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। উৎস অনুসারে কঠিন বর্জ্য বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। গৃহস্থালি বর্জ্য, শিল্প কারখানার বর্জ্য, শহরাঞ্চলের বর্জ্য, হাসপাতালে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি, বিপজ্জনক বর্জ্য, কৃষি বর্জ্য ও প্লাস্টিক উল্লেখযোগ্য। যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতিনিয়ত পরিবেশের উপাদান ও বসবাসরত জীবের ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশের প্রধান তিনটি উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি ও বায়ু। কঠিন বর্জ্যরে কারণে পরিবেশের এ সবগুলো উপাদান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষ যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখে যার বেশির ভাগই কঠিন বর্জ্য। এগুলো মাটির সাথে মিশে মাটিতে বসবাসরত অণুজীবকে ক্ষতিগ্রস্ত করে মাটির অত্মত্ব ক্ষারকত্ব হ্রাস বৃদ্ধি করে এবং কৃষিজমির ক্ষতিসাধন করে ও এর বন্ধন দুর্বল করে দেয়। আর এই বর্জ্যপদার্থ চুইয়ে গিয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ক্ষতিসাধন করে। এ ছাড়া বৃষ্টির সময় এসব বর্জ্য খাল-বিল-নদী-নালার পানির সাথে মিশে গিয়ে পানি দূষণ করে। এতে মানুষ, জলজপ্রাণী রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে বাতাস দূষিত করে। এ ছাড়া মিথেন কার্বন-ডাই-অক্সাইড ইত্যাদিসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস বায়ুতে মিশে বায়ু দূষণ করে। কঠিন বর্জ্যরে সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে শহরাঞ্চলের বর্জ্য। শহরের বর্জ্যগুলো বাসাবাড়ি, হাসপাতাল, কলকারখানা ইত্যাদি থেকে উৎপন্ন হয়। রান্নাঘরের বর্জ্য থেকে শুরু করে পরিধেয়, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক, কাগজ, ব্যাটারিসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর বর্জ্যও উৎপন্ন হয়।

দেশের অধিকাংশ পৌর এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেকেলে। রাস্তার পাশে ডাস্টবিনগুলো ময়লা আবর্জনায় উপচানো থাকে। তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ায়। পরিবেশ নোংরা হয়ে থাকে। পৌর কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে ময়লা সরিয়ে শহরের আশপাশের খাল বা খানাখন্দে ফেলে রাখে। সেখান থেকে নতুন করে আরো বিশদ আকারে জীবাণু ও দুর্গন্ধ ছড়ায়। শহরের কল-কারখানাগুলো থেকে প্রতিনিয়ত বিষাক্ত বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয়বহুল বলে অনেক প্রতিষ্ঠান এগুলো মুক্তভাবে শহরের খাল-বিল নদী-নালায় ফেলে দেয়। এগুলোর মধ্যে কাপড়ের রঙ, চামড়া শিল্পে উৎপন্নবর্জ্য, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, কলকব্জা এসব উল্লেখযোগ্য। সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে উৎপন্ন চামড়ার উচ্ছিষ্ট, ঝিল্লিসহ কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো পদক্ষেপ এখনো সম্পূর্ণরূপে গৃহীত হয়নি। আসন্ন কোরবানির ঈদে এ ধরনের বর্জ্যরে পরিমাণ আরো বাড়বে। এ ছাড়া কোরবানির পশুর রক্ত, মল, খাবারের উচ্ছিষ্টাংশ যত্রতত্র ফেলে রাখলে পানি বায়ু দূষিত হবে। বর্তমান সময়ে শহরগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ অধিকহারে চলছে। এ কাজের প্রয়োজনীয় উপাদান ইট, বালু, সিমেন্ট ইত্যাদি রাস্তাঘাটে রেখে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়। এসব থেকে উৎপন্ন বর্জ্যগুলোর ব্যবস্থাপনার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। দেখা যায়, কাজ শেষে ময়লার ভাগাড়ে এসব ইট, বালু, নুড়ির স্তূপ পড়ে থাকে। এগুলো শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট করে। ফলে শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। শহরবাসী সম্মুখীন হয় কৃত্রিম বন্যার। এতে করে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ কর্মজীবন ব্যাহত হয়। হাসপাতালগুলোতেও কঠিন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। ব্যবহৃত ওষুধের প্যাকেট, সুচ, সিরিঞ্জ, ছুরি-কাঁচি ইত্যাদি বর্জ্য বিপজ্জনক এবং কিছু ক্ষেত্রে সংক্রামক রোগের বাহকও বটে। তাই এসব বর্জ্য ঢাকনাসহ বাক্সে রেখে আলাদাভাবে ব্যবস্থাপনা করা উচিত। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে মেডিক্যাল বর্জ্যে নতুন কিছু উপাদান সংযোজিত হয়েছে যেমন মাস্ক, পিপিই, টেস্ট কিট ইত্যাদি।

এসব বর্জ্য ব্যবহারের পর যেখানে সেখানে ফেলা উচিত নয়। কারণ এগুলোর দ্বারা সুস্থ মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তা ছাড়া পিপিই প্লাস্টিক হওয়ায় সহজে নষ্ট হয় না। যথাসম্ভব এগুলো পুড়িয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু মানুষ অসচেতনভাবে যেখানে সেখানে এসব বর্জ্য ফেলছে এবং কফ থুথু ফেলে পরিবেশকে দূষিত করে সংক্রমণ বাড়াচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে কৃষিবর্জ্যও কঠিন বর্জ্যরে অন্তর্ভুক্ত। কৃষি জমিতে ব্যবহৃত সার, কীটনাশক এগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। অধিকহারে পেস্টিসাইড ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। ব্যবহৃত রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব খাদ্য শৃঙ্খলে ঢুকে পড়ছে। কৃষিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন গৃহপালিত পশুর থেকেও কঠিন বর্জ্য সৃষ্টি হয়। একটি গরু দৈনিক প্রায় ১২-১৫ কেজি, ছাগল ও ভেড়া ১.৫-২ কেজি, লেয়ার ১০০-১৫০ গ্রাম, ব্রয়লার ১০০-২০০ গ্রাম বর্জ্য উৎপন্ন করে থাকে। বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব ও গ্রিনহাউজ গ্যাস উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে এই বর্জ্য। এ বর্জ্য থেকে উৎপন্ন দুর্গন্ধ মানুষ ও পশুপাখির বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যেমন- অস্থি সমস্যা, ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি। ক্ষতিকর গ্যাসগুলোর মাত্রাতিরিক্ত সেবন মানুষ ও পশুপাখির মৃত্যুর কারণ হতে পারে। বিপুল পরিমাণ গোবর কৃষিজমিতে প্রয়োগ করার ফলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রবেশ করছে, যা পানি দূষণ ও জনগণের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। পশুসম্পদ বর্জ্য থেকে উৎপাদিত মিথেন বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য ১৫ শতাংশ দায়ী। একটি গবাদিপশু বছরে প্রায় ৭০-১২০ কেজি মিথেন নির্গমন করে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে মিথেন, কার্বন-ডাই অক্সাইড থেকে ২৩ গুণ বেশি দায়ী। কঠিন বর্জ্যরে মধ্যে বেশ কিছু বিপজ্জনক বর্জ্য রয়েছে এর মধ্যে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রধান। এ বর্জ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সায়ানাইড বর্জ্য, অ্যাসবেস্টস, রাসায়নিক, বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক, ভারী ধাতু ইত্যাদি। এ ধরনের বর্জ্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য বিষাক্ত, ক্ষয়কারী, বিস্ফোরক হিসেবে অত্যন্ত সক্রিয়। আর্সেনিক ধাতু পানিতে মিশে আর্সেনিকোসিস, ক্যাডমিয়ামের প্রভাবে ইটাই ইটাই রোগ হয়। জাপানের মিনামাতা উপসাগরের কাছে পারদ ব্যবহার করে পারদটি উপসাগরে ফেলে দেয়া হতো যা মাছের টিস্যুতে প্রবেশ করত। সে অঞ্চলের লোকদের মিনামাটা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন হাঁপানি, জন্মগত ত্রæটি, ক্যান্সার, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, শৈশব ক্যান্সার, সিওপিডি, সংক্রামক ব্যাধি, কম জন্মের ওজন এবং প্রাকপ্রসবের মতো রোগের জন্ম দিতে পারে। মাছির দ্বারা পানি এবং খাদ্য দূষণের ফলে আমাশয়, ডায়রিয়া এবং অ্যামিবিক আমাশয় হয়। সংক্রামক রোগ প্লেগ, সালমোনেলোসিস, ট্রাইচিনোসিস, এন্ডেমিক টাইফাস ইত্যাদির মতো রোগ ছড়াতে পারে। শক্ত বর্জ্য দ্বারা ড্রেন ও গলির খাঁজগুলো জলাবদ্ধতার ফলে মশার প্রজননকে সহায়তা করে এবং ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ ছড়িয়ে পড়ে। কঠিন বর্জ্য প্লাস্টিক, পলিথিন ইত্যাদি পরিবেশের অনেক ক্ষতিসাধন করে।

প্লাস্টিক হলো ইথিলিনের পলিমার। সাধারণত এ ধরনের দ্রব্য ভাঙতে প্রকৃতির অনেক সময় লেগে যায় তাই এগুলো সহজে পরিবেশের উপাদানের সাথে মিশে না। সামুদ্রিক এবং উপক‚লীয় অঞ্চলের মতো কিছু বাস্তুতন্ত্রগুলো প্লাস্টিক দ্বারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এটি মাছ, সিল, কচ্ছপ, তিমি এবং অন্যান্য অনেক জলজপ্রাণীকে প্রভাবিত করে। সামুদ্রিক প্রাণীগুলো প্লাস্টিকের সাথে জড়িয়ে পড়ে এবং অনেক সময় খেয়ে ফেলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে। কারণ জলজপ্রাণী এটি পরিপাক করতে পারে না। কিছু প্রজাতির পাকস্থলীতে যে পরিমাণ পদার্থ খাওয়া হয় তা ভেঙে ফেলার জন্য উচ্চতর অত্মীয় মাত্রা থাকে না। তবে কিছু প্রাণী রয়েছে যারা প্লাস্টিকের টুকরা ১০০ বছর ধরে রাখতে সক্ষম। যখন জীববৈচিত্র্যের কথা আসে আমাদের বর্জ্য সমস্যাটি বিশ্বের প্রজাতির স্বাস্থ্যকে মারাত্মকভাবে জর্জরিত করে। কঠিন বর্জ্য স্যাঁতসেঁতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরিবেশকল্পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে নষ্ট করছে। বিশ্ব পরিবেশের সাথে সাথে বাংলাদেশেও গত কয়েক দশকে অবনতি দ্রুত গতিতে চলছে। আমরা যেভাবে বর্জ্য নিষ্পত্তি করি তা হতাশাব্যঞ্জক। একমাত্র এই দশকে বর্র্জ্য নিষ্পত্তি আরো বেশি গাফিল হয়ে পড়েছে। আমাদের চারপাশের পরিবেশের এ বিপর্যয়ের একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে বায়ু দূষণ। বায়ু দূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। পৃথিবীর ৯১ শতাংশ মানুষ এমন জায়গায় বসবাস করে যেখানে বায়ু দূষণের মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি। বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন দূষিত বায়ু সেবন করে। আমাদের দেশে বায়ু দূষণের বড় কারণ সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব। জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে বেড়ে গেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাংলাদেশে ২২ শতাংশ মানুষ বাতাসে ভাসমান বস্তুকণা ও ৩০ শতাংশ মানুষ জ্বালানি সংশ্লিষ্ট দূষণের শিকার। প্রকৃতির জীববৈচিত্র্য ও ভারসাম্য রক্ষার্থে এখনি সবাইকে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
লেখক : শিক্ষার্থী।
ইমেইল : ifatarashuche33159@gmail.com



আরো সংবাদ


ইরানের জেনারেল সোলাইমানির হত্যাকারী মার্কিন ও ইসরাইলি ২ কমান্ডার নিহত (২০৬৪১)মুস্তাফিজদের দারুণ বোলিংয়ে রোমাঞ্চকর লড়াই জিতল রাজস্থান (৮৫৩২)অন্য দেশে পাচার হচ্ছে আফগান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ও সাঁজোয়াযান (৮০৯৩)ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ইসরাইলের সাথে সংঘাত সমাধানের ‘উত্তম পন্থা’ : বাইডেন (৭৯৭৯)সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে জাতিসঙ্ঘকে চিঠি দিল তালেবান (৭৭২৬)অন্যদেশে পাচার হচ্ছে আফগান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ও সাঁজোয়াযান (৬৯৩৪)শিশু সন্তানকে হত্যা পর মায়ের আত্মহত্যা (৬৫৩৫)ড. মাহফুজুরকে ছেড়ে আসায় ট্রল, যা বললেন ইভা (৬১২৫)নতুন ঘরে বসবাস করা হলো না স্বামী-স্ত্রীর (৫৯৭২)জামায়াতের কাছে হারল আ’লীগ প্রার্থী (৫৬৪৫)