২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭ আশ্বিন ১৪২৮, ১৪ সফর ১৪৪৩ হিজরি
`

দেশ ভাগের অব্যবহিত পরে ঢাকার ওয়ারী

-

১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে আমরা ৩ নম্বর ওয়্যার স্ট্রিটের একটি ভাড়া বাড়িতে ছিলাম। ঢাকায় এটি আমাদের দ্বিতীয় ভাড়া বাড়ি। আমরা এ বাড়িতে সম্ভবত ১৯৪৯ সালে এসেছিলাম। তখন আমার প্রকৃত বয়স সাত বছর। ১৯৫০ সালে ঢাকায় হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার সময় আমরা এ বাড়িতে ছিলাম। আমার ছোট চাচাও সপরিবারে এ বাসায় থাকতেন। চাচা মিলিটারি অ্যাকাউন্টসে চাকরি করতেন। চাচা কলকাতা চাকরি করতেন বলে শুনিন। দাঙ্গার কারণে কারফিউ জারি হলো। দাঙ্গাকালে হিন্দুরা ঘরের বের হতে সাহস করেন না। তাদের দৈনন্দিন বাজার সদাই বন্ধ হয়ে গেছে। তখনো ওয়্যার স্ট্রিট হিন্দুপ্রধান এলাকা। মুসলমান বলতে এ স্ট্রিটে সম্ভবত আমরাই। আর ৪ নম্বর বাসার ভদ্রলোক ওপার থেকে একা এসেছেন। পরিবার পরিজন এখনো ওপারেই। সম্ভবত অল্প ক’দিন হলো বাড়ি বদল করেছেন বা কিনেছেন। ও বাড়িতে আর কাউকে দেখতাম না।

অবরুদ্ধ হিন্দুদের সাহায্যার্থে আমার বাবা আবদু মিয়া ভূঁইয়া এগিয়ে এলেন। সে সময়ে আমাদের বাসায় রুক্কু নামে এক আত্মীয় বাজার সদাই করতেন। বাবা তাকে হিন্দুদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে তাদের কাঁচাবাজার ও প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ের ব্যবস্থা করে দিলেন। রুক্কু ভাই কেবল ওয়্যার স্ট্রিটের হিন্দুদেরই নয়, মদন মোহন বসাক লেনের হিন্দুদেরও বাজার সদাই করলেন দাঙ্গার ক’দিন। মদন মোহন বসাক লেন এখন ‘টিপু সুলতান রোড’। এ কাজে রুক্কু ভাইয়ের প্রায় সারা দিন লেগে যেত। দু’-চারজন হিন্দু ভদ্রলোক নিতান্ত নিরুপায় হয়ে আমাদের বাসায় চলে আসতেন। এসে রুক্কু ভাইকে প্রয়োজনীয় খরচের ফরমাস দিয়ে যেতেন। আব্বা তাদের নিরাপত্তার দিকে লক্ষ রেখে উপদেশ দিতেন, ধুতি পরে যেন বাড়ির বের না হন। নিতান্তই যদি দরকার হয় প্যান্ট পরে জিন্না টুপি মাথায় দিয়ে বাসায় আসতে বলতেন।

বাড়ির হলঘরের পশ্চিম পাশে চাচার দক্ষিণ দালানের কাছাকাছি আমাদের দালানের পূর্বদিকে উঠানে একটি তুলসী গাছ। একটি বেদির উপরে গাছটির চারদিক পাকা করে বাঁধানো। সব ক’টি দালানের প্রায় সর্বত্র, দেয়ালে ‘হরি হরি’ ‘ওঁ হরি’ লেখা। বাড়িটি বেশ পুরনো। হলঘরের পুবের দেয়ালে উত্তর দিকে উপরে বৈদ্যুতিক মিটার বাক্সবন্দী। তারের জালের ভেতর দিয়ে মিটার দেখা যায়। সব কামরায় বৈদ্যুতিক বাতি। ঘরের দেয়ালে এতবার চুনকাম করা হয়েছে যে, একটু চিমটি দিলেই চুনের স্তর উঠে আসে। রুক্কু ভাইয়ের স্বভাব ছিল, এই চুন চিমটি মেরে উঠিয়ে খাওয়া। তার আর একটি অভ্যাস ছিল কাঠের কয়লা খাওয়া। এ জন্য তাকে আব্বার হাতের মারও খেতে হতো। তার এই অভ্যাসের কারণে দালানের ভেতরের বারান্দার দেয়াল জায়গায় জায়গায় চুন উঠে সুরকি বেরিয়ে পড়েছিল। বাড়িটি কোনো বনেদি হিন্দু পরিবার যে দেশভাগের আগে বিক্রি করে গেছে তা স্পষ্ট বোঝা যায়। তবে বাড়ির ভেতরের দেয়ালে ‘হরি’ নাম লেখা দেখে এই ধারণা করা যায় যে ১৯৪৬ সালের হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক গোলযোগের সময় তারা এখানেই ছিলেন। তখনই হয়তো ভয়ে দেয়ালে এসব লিখে থাকতে পারেন। কেননা, মানুষের স্বভাবই এই যে- বিপদের সময় মুসলমানের আল্লাহ এবং হিন্দুর হরি খুব কাছে চলে আসেন। নিতান্ত নাস্তিকও বিপদে আল্লাহ এবং হরি নাম জপ করে থাকে। এ পরীক্ষিত সত্য।

১৯৫০ সালের দাঙ্গা থেমে যাওয়ার মাস খানেকের মধ্যে ওয়ারীর দুয়েক ঘর বাদে সব হিন্দু ভারতে চলে গেলেন। কেউ তড়িঘড়ি বাড়ি বিক্রি করলেন। কেউ বাড়ি বদল করলেন। যে যেভাবে পারলেন পশ্চিমবঙ্গে বা ভারতের অন্য কোনো স্থানে চলে গেলেন। অবরুদ্ধ হিন্দুদের সাহায্য করতে গিয়ে রুক্কু ভাই মনের মিল খুঁজে পেলেন আমাদের পেছনে পশ্চিম-উত্তর কোনের বাড়ির হিন্দু কাজের মেয়ে পাখীর মধ্যে। তারা চলে গেলে বেচারা মনে বেশ কষ্ট পেয়েছিল। সমস্ত পাড়া পশ্চিমবঙ্গ বিহার বোম্বাই থেকে আগত মুসলমানে ভরে গেল। তারাও ওপার থেকে তাড়া খেয়েই এলেন। হিন্দু খেলার সাথী কাজল ও খোকারা চলে গেল। মুসলমান খেলার সাথী আলী আব্বাস, আলী আসগর, মেহেদি, ছুম্বুল, গেদনসহ আরো অনেকে এলো। আজকে যেমন গুলশান, বনানী সে আমলে তেমন ছিল ওয়ারী গোপীবাগ। তবে সব বাড়িতেই সার্ভিস ল্যাট্রিন। যারা এলেন তাদের কেউ কেউ বাড়ির সাথে চাকরি নিয়ে এসেছেন আবার কেউ কেউ খালি হাতে কেবল বাড়ি বদল করে।

১৯৫২ সালে মর্নিং নিউজের মূল অফিস সম্ভবত জিন্নাহ (এখন বঙ্গবন্ধু) অ্যাভেনিউয়ের পেছনে পশ্চিম দিকে ছিল। সে অফিস পুড়িয়ে দিলে মর্নিং নিউজ ওয়ারীর ২ নম্বর বাড়ি থেকে ছাপা হতো। ছাপার কাজের দায়িত্ব পড়েছিল আমার খেলার সাথী বোম্বাই থেকে আগত মুন্নার বাবার ওপর। মুন্নার সাথে ছাপার কাজ দেখতে যেতাম। প্রেসের একটানা ‘র্হর্হ র্গর্গ থেকের থেকের’ শব্দে কচি মনে কেমন একটা মাদকতার ভাবের উদয় হতো। যে বাসায় ছাপার কাজ হতো সে বাসাটি ছিল বিহার থেকে আগত ছুম্বুলের বাবার কাছ থেকে ভাড়া নেয়া বাড়ি। ছুম্বুলদের বাসার মেয়েরা নতুন কাজ পেল। সিসা গলিয়ে ছাঁচের মধ্যে ঢেলে প্রেসের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তারা তৈরি করত। তাদের এ কাজ আমরা বাসার দক্ষিণের দালানের ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে দেখতাম। অবশ্য পাশেই একটু দূরে রাস্তার দক্ষিণ মাথার পূর্বকোণে মিল্লাত অফিস। সেখান থেকে দৈনিক মিল্লাত পত্রিকা বেরুত। এ প্রেসের সামগ্রী তৈরির কাজও সম্ভবত তারা পেত। এ কাজে তাদের বাসার মেয়েদের সারা দিন খুব ব্যস্ত থাকতে দেখতাম। ছুম্বুলদের বাসার কাগজি লেবুর গাছটি আমাদের দেয়াল ঘেঁষে ছাদের চেয়েও উঁচু। তাতে অনেক লেবু হতো। আমাদের বাসার ছাদ থেকে তা হাত দিয়ে ছোঁয়া গেলেও আমরা তা ছুঁতাম না যেন একটি অলিখিত নিষেধ ছিল। ছাদে লেবু গাছের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দালানের পাশে উঠানের চুলায় কড়াইতে সিসা গলানো এবং গলানো সিসা ছাঁচে ঢেলে প্রেসের চৌকো লম্বা নানা আকারের সামগ্রী বানানো দেখতাম।

ছুম্বুলদের বাসায় গিয়েছি। দালানের কক্ষগুলো অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন। ঝকঝকে মেঝে। উঁচু খাট। বাসায় লোক বেশি। তাই খাটের ওপর তো লোক শুতোই, কেউ কেউ খাটের নিচেও শুতো। এমনটি আগে কোথাও দেখিনি। মর্নিং নিউজ ও মিল্লাতের অফিস স্থানান্তরিত হয়ে ওয়ারী থেকে অন্যত্র চলে গেলে ছুম্বুলদের প্রেসের সামগ্রী বানানোর কাজ চলে যায়। ছুম্বুলের বাবাকে তখন বাড়িতে জ্বালানি কাঠের দোকান করতে দেখেছি। এ অভিজাত লোকগুলো ওপার থেকে বাড়িঘর বদল বা বিক্রি করে এসে এপারে একটি বাড়ি পেয়েছেন। কিন্তু তারা অনেকেই সাথে করে কোনো কাজ আনতে পারেননি। এমনকি ওয়ারীর মতো এলাকায় যারা বসতি স্থাপন করেছেন তাদেরও কেউ কেউ। ছুম্বুলের বাবা তাদের একজন। আলী আব্বাসের বাবা সে দিক থেকে ভাগ্যবান। তিনি নারায়ণগঞ্জে একটি ব্যাংকে কাজ করতেন। রোজ সকালে একটি গাড়ি এসে তাকে অফিসে নিয়ে যেত। আবার সন্ধ্যার কিছুটা আগে বাসায় নামিয়ে দিয়ে যেত। সে বয়সে বাদবাকিদের আর কারো খবর তেমন একটা জানতাম না। তবে আমার বাবা কলকাতা যে চাকরি করতেন তা ১৯৪৮ সালে ঢাকা এসেও করতেন।

এখান থেকে যারা ওপারে গেছেন তাদের অবস্থাও প্রায় এ রকমই হয়ে থাকবে। তবে ওয়ারীর যেসব সম্পন্ন হিন্দু ওপারে গেছেন শুনেছি, আগে থেকেই তাদের ওপারে কিছু না কিছু বিষয় সম্পত্তি ও পরিবারের লোকজন ছিল। তাদের তেমন অসুবিধা হয়নি যতটা এপারে আসা মুসলমানদের হয়েছে। কারণ এপারের সাথে তাদের তেমন যোগাযোগ ছিল না। যদিও এপারের হিন্দুদের যোগাযোগ আগে থেকেই ছিল। এপার থেকে যেসব শহুরে হিন্দু ওপারে গেছেন তাদের খুব কম সংখ্যককেই ছিন্নমূলের ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে। পক্ষান্তরে ওপার থেকে যেসব মুসলমান দেশভাগের সময় এপারে এসেছেন তাদের প্রায় প্রত্যেককেই ছিন্নমূলের ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে। বিহারিদের কথা বাদ দিলেও আমাদের পেছনে পশ্চিমের বাড়ির বাঙালি পরিবার গেদনদের কথাই ধরি। গেদন আমার সমবয়সী। তার বড় দুই বোন রুমি আর গেদি। বিরাট বাড়ির মালিক হয়েছে তারা এপারে এসে। জমানো টাকাও হয়তো ছিল। আমরা ওয়ারী থেকে ১৯৫৩ সালে চলে আসার পর শুনেছি, গেদনের বাবাকে বাড়িটি বিক্রি করতে হয়েছে। সম্ভবত জমানো টাকা শেষ হওয়ার পর এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। দেশভাগ বহু মুসলমানের জীবনে অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা ডেকে এনেছিল। সে তুলনায় হিন্দুদের কমই ভোগান্তি হয়েছে। তবে এ কথা ঠিক, পাকিস্তান বাঙালি মুসলমানদের জন্য সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছিল যদিও কিছু মুসলমানকে এর জন্য মূল্য দিতে হয়েছে। কিন্তু ব্যাপক মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য পাকিস্তান আশীর্বাদই ছিল। W.B.Yeats-এর ভাষায়- ‘All things fall and are built again,/ And those that build them again are gay’.

হিন্দুদের ওপারে যাওয়ার মওসুমে মদনমোহন বসাক লেনে বেশ কয়েকটি নিলাম ঘর খুলে যায়। ওপারের যাত্রী হিন্দুরা এসব নিলাম ঘরে তাদের আসবাবপত্র নিলামে বিক্রি করে যান। ছোটদের জন্য সে এক কৌত‚হলোদ্দীপক ঘটনা। নিলাম ঘরের সামনে প্রায় প্রতিদিনই একবার করে যেতাম। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতাম কেমন করে নিলামওয়ালা নিলামে জিনিসপত্র বিক্রি করে। মনে করা যাক, একটি খাট নিলামে বিক্রি হবে। নিলাম ডাকনেওয়ালা প্রথমে একটি সর্বনিম্ন দাম ধরে ডাক শুরু করত। যদি কেউ সে দামে সাড়া না দিত তবে নিলামওয়ালা তার প্রাথমিক ডাক-দামের মাত্রা কমিয়ে দিত। তা না হলে সেখান থেকেই ডাক ওপরের দিকে উঠতে থাকত। ক্রেতারা ডাক ক্রমান্বয়ে ওপরের দিকে উঠাতে থাকত। ডাকের ঊর্ধ্বগতিতে বিরতি দেখা দিলে নিলামওয়ালা গুনতে থাকত ‘এক দুই’, এভাবে তিন পর্যন্ত গোনার আগে যদি কোনো ক্রেতা ডাক-দাম বাড়াত তবে নিলামওয়ালা তা গ্রহণ করত। আর যদি তার আগেই ‘তিন’ বলা হয়ে যেত তবে ডাক থেমে যেত। নিলামওয়ালা অবশ্য বিরতি দিয়েই এ-ক.... দু-ই.... তি-ন.... বলত। যে ডাকে ‘তিন’ গোনা হতো সে ডাকের মূল্যেই খাটটি বিক্রি হতো।

এভাবে সেগুন কাঠের টেবিল, চেয়ার, ড্রেসিং টেবিল, ডাইনিং টেবিল, আলমারি, বিভিন্ন শখের সামগ্রী সব নিলামে বিক্রি করে হিন্দুরা ওপার গেছে। কেউ কেউ অবশ্য পারিবারিক সমঝোতা ও সমতার মাধ্যমে দ্রব্যাদি বিক্রি বা বিনিময় করে গেছে। তবে আমার জানা মতে, কোনো বাড়ি লুট করে কেউ দ্রব্যাদি নিয়ে গেছে এমনটি দেখিনি। সেকালে লোকেরা নিতান্তই সভ্য ছিল। ওয়ারীর হিন্দুরা কতটা ধনী এবং সৌখিন ছিল তা যারা এ নিলামঘরগুলো দেখেছে তাদের মনে থাকার কথা। তাদের ছেড়ে যাওয়া কোনো কোনো বাড়িতে টাইলস বাঁধানো ফোয়ারা। মার্বেল পাথরের সিংহের মূর্তি। মার্বেল পাথর ও টাইলসের বাড়ির অভ্যন্তর ভাগের এ জাতীয় কারুকাজ সহজেই তাদের রুচির পরিচয় দিত। অবশ্য এ জাতীয় পাথরের ও টাইলসের কারুকাজ করা বাড়ি ওয়্যার স্ট্রিটে দু’-তিনটির বেশি দেখেছি বলে মনে পড়ে না। ওয়ারীর অন্যান্য সড়কে এ জাতীয় বাড়ি হয়তো আরো ছিল। এ সব বাড়িতে মুসলমানরা আসার পর এগুলো তারা ভেঙে ফেলে। নিলামঘরগুলোতে পুরো ওয়ারী এলাকার বাড়ি থেকেই আসবাব ও তৈজসপত্র আসত। অন্যান্য এলাকায়ও হয়তো এ ধরনের ‘নিলামঘর’ খোলা হয়েছিল যা আমার মতো ছোট ছেলের পক্ষে জানা তখন সম্ভব ছিল না। হিন্দুদের এ অংশটিই এ বঙ্গে মুসলমানদের যোগ্য প্রতিযোগী ছিল। যারা এলো তাদের পরিচয়ও ওপারে ‘এমনই’ ছিল। তা তাদের চালচলন, চেহারা সুরৎ থেকেই বোঝা গেল।

লেখক : অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও ভাইস প্রিন্সিপাল, মহিলা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা।



আরো সংবাদ


খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা আরো এক বছর চায় বিজিএমইএ মুস্তাফিজদের দারুণ বোলিংয়ে রোমাঞ্চকর লড়াই জিতল রাজস্থান সাবমেরিন ইস্যু : ‘ক্রুদ্ধ’ ম্যাক্রঁ কি বেশি ঝুঁকি নিয়ে ফেললেন? গাড়িচালক মালেকের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দুদকের আফগানিস্তানে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ হার এড়ালো বার্সেলোনা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া বাতিল দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে : ওবায়দুল কাদের মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা শিথিল খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে আপস করা যাবে না: বিএনপি

সকল