২৮ জুলাই ২০২১
`

বাজেট ২০২১-২২ দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগবান্ধব হওয়া চাই

বাজেট ২০২১-২২ দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগবান্ধব হওয়া চাই - ফাইল ছবি

অর্থমন্ত্রী প্রতি বছর জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেন। বাজেটের লক্ষ্য শুধু আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা নয়, এর লক্ষ্য হলো দেশের জনগণের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বাজেটের পরিধি তাই অনেক ব্যাপক। এখানে আছে জাতীয় উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, মুদ্রানীতি, বৈদেশিক অর্থনীতির মতো বিষয়। অর্থবছর শেষে হিসাব-নিকাশ কষে নতুন বছরের জন্য প্রতি বছর বাজেট পেশ করা হয়। বাজেটের পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য পরামর্শ, সমালোচনার মধ্য দিয়ে সরকার যদি বাস্তবভিত্তিক ও যৌক্তিক বিষয়গুলো গ্রহণ করে বাজেটে সন্নিবেশিত করে তাহলে ঐ বাজেট হয় জনকল্যাণমুখী ও গ্রহণযোগ্য। গত বছর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার বক্তৃতা শেষ করেছিলেন স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যাওয়ার আকাক্সক্ষা নিয়ে। আশা ছিল মহামারী থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। কিন্তু মহামারী থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়নি। অর্থনীতি এখনো শঙ্কটে। করোনার প্রথম ঢেউ থেকে এখন দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। মানুষের আয় কমে গেছে, নতুন করে মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। করোনার মহামারী থেকে শিগগিরই মুক্তি মিলছে না। করোনাকে নিয়েই জীবন ও জীবিকা চালিয়ে যেতে হবে। চলতি অর্থবছর পুরোটাই করোনার মাঝেই চলছে। আগামী অর্থবছরটিও হয়তো এর মাঝেই চলতে হবে। তাই প্রস্তাবিত ২০২১-২২ বাজেটে বলা হয়েছে ‘জীবন জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ’। অর্থাৎ জীবন বাঁচাতে হবে, রক্ষা করতে হবে জীবিকাও। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের ৫০তম বাজেট। বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা। আয় ধরা হয়েছে ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা। ঘাটতি আছে ২,১৪,৬৮১ কোটি টাকা। যেখানে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গরিবের জন্য ভাতা বাড়লেও মধ্যবিত্তদের জন্য সুখবর নেই। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। বাজেটের ইতিবাচক দিক হলো বাজেটে করপোরেট কর কমানো হয়েছে আড়াই শতাংশ। শুল্ক, ভ্যাট অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সামাজিক নিরাপত্তা খাত। এ খাতে বরাদ্দ ব্যয় হয়েছে এক লাখ সাত হাজার ৬১৪ কোটি টাকা। যেখানে ২০২০-২১ অর্থবছরে ছিল ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। স্থানীয় শিল্পের সুক্ষার প্রতি জোর দেয়া হয়েছে। ঘাটতি পূরণে দেশী উৎস থেকে কম ঋণ নিয়ে বিদেশী উৎস থেকে ঋণ নেয়া একটি ভালো উদ্যোগ। বিদেশী ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে আমাদের দেশ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছে। এটা বজায় রাখতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে- ৩৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪০ কোটি টাকা। অন্য দিকে মোট ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে ছয় লাখ তিন হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। ব্যয়ের এ পরিমাণ চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ৩৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বা প্রায় ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৬৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বেশি। মোট ব্যয়ের হার জিডিপির ১৭ শতাংশ। চলতি বাজেটে ও জিডিপির বিপরীতে একই হার ছিল। প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ এটি উচ্চাভিলাষী। যা কোনোভাবেই অর্জন সম্ভব হওয়ার নয়। কারণ অর্জন করতে হলে যে ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন বাজেটে তার কোনো পদক্ষেপ নেই। বিনিয়োগ না থাকলে প্রবৃদ্ধি হবে না। প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ দরকার যা কয়েক বছর ধরে স্থবির হয়ে আছে। বিনিয়োগ না হওয়ায় ব্যাংকিং খাতে তারল্যের পরিমাণ বেড়েই যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী মনে করেন ব্যবসায়ীদের নানা ধরনের কর সুবিধা দিলে তারা উদ্যোগী হবেন, ফলে বিনিয়োগ বাড়বে, বাড়বে কর্মসংস্থান। অর্থমন্ত্রীর এই ভরসা কতটুকু সফল হবে তা দেখার বিষয়।

বাজেটে জীবন বাঁচানোর কথা জীবিকা রক্ষার কথা বলা হলেও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি। দারিদ্র্য হ্রাস করার কথা বলা হলেও কিভাবে দারিদ্র্য হ্রাস হবে তার নির্দেশনা দেখা যায়নি। আমাদের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ২০২১ সালে দারিদ্র্যের হার দাঁড়াবে ২৩ শতাংশ, ২০২৪ সালে দাঁড়াবে ১৭ শতাংশ। বাজেট বক্তৃতায় বলা হলো, দারিদ্র্য ১২ দশমিক ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। অথচ সব জরিপেই দেখা যাচ্ছে ২০২১ সালে দারিদ্র্যের হার ন্যূনতম ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত উঠতে পারে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেটে উত্থাপিত তথ্য এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রক্ষেপণের মধ্যে গরমিল রয়েছে। বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে জিডিপির ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ তিন লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে তিন লাখ ৫১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। করোনা মহামারী ও এ খাতের অবকাঠামোগত দুর্বলতার জন্য কাক্সিক্ষত অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব প্রাপ্তির হিসাবে দেখানো হয়েছে রাজস্ব বোর্ড থেকে আদায় করা হবে তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত খাত থেকে পাওয়া যাবে ১৬ হাজার কোটি টাকা। কর ব্যতীত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেছেন, রাজস্ব তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এনবিআর আদায় করতে পারবে না। এটা অলৌকিক লক্ষ্যমাত্রা। ফলে এই খাতে ঘাটতি থেকেই যাবে। বাজেট বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং হবে।

করোনা মহামারীর মধ্যে প্রস্তাবিত এ বাজেটে সবচেয়ে আলোচিত খাত হলো স্বাস্থ্য খাত। এ খাতে আগামী অর্থবছরের জন্য ৩২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ২৫ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ছয় হাজার ৮১৭ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ২৯ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা অর্থাৎ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। কিন্তু শুধু বরাদ্দ বাড়ালে হবে না এ খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা প্রয়োজন, যা বাজেটে উল্লেখ নেই। এখানে কাঠামোগত সমস্যা দূরীকরণে কোনো সংস্থার কর্মসূচির দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়নি। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। প্রতি মাসে ২৫ লাখ মানুষ টিকা পাবেন। এতে ১২ কোটি মানুষকে টিকা দিতে ২৪ কোটি ভোজ টিকা লাগবে। এ জন্য এ খাতের বরাদ্দ আবশ্যই বাড়াতে হবে। বলা হয়েছে, প্রতি মাসে ২৫ লাখ লোককে টিকা দেয়া হবে। তাহলে দৈনিক দেয়া হবে এক লাখের কম সংখ্যক মানুষকে। সে হিসাবে এ টিকা কার্যক্রম শেষ করতে প্রায় ৫-৬ বছর সময় লাগবে। বাস্তবতা ও আকাক্সক্ষায় এ এক বিশাল ফারাক। চলতি অর্থবছরে এ খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, তা খরচ হয়েছে কি না, এ টাকা থেকে কারা উপকৃত হয়েছে তা প্রস্তাবিত বাজেটে উল্লেখ করা হয়নি। প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরের জন্য আরো ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ টাকা কোন উৎস থেকে আসবে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছরের বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করতে পারছেন না অথচ বহু লোক চিকিৎসার অভাবে অক্সিজেন ও আইসিইও সঙ্কটে মারা গেছেন। চিকিৎসার খরচ মেটাতে বহু মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। মানুষকে টিকা না দিয়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ বা তার বেশি বৃদ্ধির কথা বলে লাভ নেই। তাই মাসে ২৫ লাখ নয় দিনে ২০ লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা থাকা উচিত। দেশের ভেতরে টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা করা উচিত।

আমাদের আয় একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা খাত। প্রতি বছর হিসাব খাতে যা বরাদ্দ দেয়া হয় তা শিক্ষক কার্মচারীদের বেতন ভাতায় ব্যয় হয়। শিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষকে আরো যুগোপযোগী মানসম্পন্ন করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাজেটে উল্লেখ নেই। প্রায় দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। গ্রামের হতদরিদ্র, মধ্যবিত্ত শ্রেণীভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা উপকরণ, সরঞ্জামাদির দাম কমানো, আর্থিক প্রণোদনাসহ এ খাতের ক্ষতি হতে উত্তরণের কোনো দিকনির্দেশনা বাজেটে নেই। উল্টো বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ের ওপরে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট বসানো হয়েছে। যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ ভ্যাট শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করবে। এতে মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর নতুন চাপ পড়বে। প্রস্তাবিত বাজেট থেকে এই ভ্যাট প্রত্যাহার করা উচিত।

মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষায় পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবক্ষয়িত পরিবেশ পুনরুদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই। টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। মানুষের জীবনের সাথে পরিবেশের সম্পৃক্ততা রয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে তাই পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ বরাদ্দ থাকা উচিত। বাজেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত (এসএমই) ও নারী উন্নয়নে এসএমই খাতের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা হিসেবে ব্যবসার টার্নওভার ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তা প্রশংসার দাবি রাখে। কিন্তু বাজেটে কুটির, ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাত পুনরুজ্জীবিত করার জন্য সরাসরি নগদ সহায়তার প্রস্তাব দেয়া হয়নি। এ খাতে আগে যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছিল তার বাস্তবায়নে ধীরগতি ও প্রতিকার সম্পর্কে বাজেটে কোনো ব্যাখ্যা নেই। অথচ দেশের ৮০ শতাংশ শ্রমিকই অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত। তাদেরকে ক্ষতির হাত থেকে উদ্ধারের জন্য কোনো কাঠামোগত পরিকল্পনার কথা বাজেটে উল্লেখ করা হয়নি।

বাজেটে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর করার কোনো বাস্তব কর্মসূচি দেয়া যায়নি। কর্মসংস্থান বাড়বে এমন প্রকল্পে কাক্সিক্ষত বরাদ্দ দেয়া হয়নি।

প্রস্তাবিত বাজেটে এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। এতে এডিপির আকার ধরা হয়েছে দুই লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। বারবার প্রকল্পের সময় বাড়ানো, ব্যয় বাড়ানো ইত্যাদি বন্ধ করতে এবং প্রকল্পসমূহ নিয়মিত মনিটর করার জন্য একটি শক্তিশালী টিম থাকা উচিত।

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারি কর্মচারীদের পেনশনকে যুক্ত করা হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি। করোনার কারণে নতুন করে যে দুই কোটি ৪৫ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে তাদেরকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় এনে বরাদ্দ আরো বাড়ানো উচিত। এ খাতের কাঠামোগত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

কৃষি আমাদের অর্থনীতির সুরক্ষা কবচ। এ খাতের ভর্তুকি বাড়াতে হবে। যে ভর্র্তুকি দেয়া হয়েছে তার সুফল যেন কৃষকেরা পায় সে দিকে নজর দেয়া উচিত। নচেৎ খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়বে। কৃষির উপখাত মাছ, গবাদিপশু, পোলট্রি খাতের প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে প্রতিবন্ধকতা দূর করা উচিত। কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নে বিশেষ তহবিল গঠন করা উচিত।

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক কমিশন গঠন, ব্যাংকের খেলাপি ঋণ আদায়, এ খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে দেশের ৫০তম বাজেট কার্যকরভাবে মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় ভূমিকা পালন করবে সে প্রত্যাশা সবার। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যে যোগ্যতা অর্জন করছে তা রক্ষার জন্য আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূরকল্পে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে একটি বাস্তবমুখী, বিনিয়োগবান্ধব বাজেট সবার প্রত্যাশা।

লেখক : অর্থনীতি বিশ্লেষক
main706@gmail.com



আরো সংবাদ


লুটতরাজ, আত্মসাৎ ও অব্যবস্থাপনা দেশে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি করেছে : ডা. শফিকুর করোনায় ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়া আক্তারের মৃত্যু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তির আবেদন শুরু প্রতিদিন ছয় লাখ মানুষকে টিকা দিতে হবে : আইএমএফ খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় আরো ১২ জনের মৃত্যু জমিতে কিটনাশক ছিটাতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মোসাদ অ্যাজেন্টদের গ্রেফতার করার দাবি ইরানের অ্যাসাঞ্জের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে ইকুয়েডর ডেল্টা ছড়াচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে আবার মাস্ক ফিরল চলতি বছর ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৯৭০ অভিবাসী দেশে এসেছে আরো একটি ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’

সকল