১২ মে ২০২১
`

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ : দরকার সতর্কতা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ : দরকার সতর্কতা - ছবি : সংগৃহীত

লকডাউনের পথে হাঁটছে বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এশিয়ার দেশগুলোতে আবার করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত বেড়েছে। করোনা প্রতিরোধে মানুষের প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা ব্যাপকভাবে তুলে ধরেছে সরকার। মানুষ এখনো স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। কিন্তু মানুষকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। বেশ কয়েক মাস ধরে করোনা সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলেও মার্চের প্রথম সপ্তাহের পর থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালিয়ে যেতে বললেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ স্পষ্টতই অবহেলার পরিচয় দিয়ে আসছে। টিকা আসার পর মানুষের এই প্রবণতা আরো চরম আকার ধারণ করেছে। মূলত মাস্ক ব্যবহারসহ নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা আবারো বাড়ছে।

করোনা সংক্রমণের হার এবং মৃত্যু দুটোই ঊর্ধ্বমুখী। সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো করোনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। মানুষ প্রতিনিয়ত সভা-সমাবেশ করছে, হাটবাজারে যাচ্ছে, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে, ভ্রমণে যাচ্ছে। এসব কাজ কোনো রকমের সতর্কতা অবলম্বন না করে চালিয়ে যাচ্ছে। লকডাউন দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করলেও নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় পুনরায় স্থবিরতা তৈরি হবে। স্থবিরতার দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব থেকে ছাড় পাবে না জাতীয় অর্থনীতিও। লকডাউনের পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে নেয়া সর্বশেষ ১৮ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রে জমায়েত নিষিদ্ধ করা উচিত। একই সাথে নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে সবার সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া উচিত। তবে সরকারের পদক্ষেপের ওপর ভরসা করে থাকলে চলবে না। জনগণকেও দায়িত্বশীল, সচেতন ও সাহসী হতে হবে। সতর্কতা ও সচেতনতার জন্য দরকার প্রস্তুতি।

আমাদের অর্থনীতি আগের মতো পুরোপুরি কৃষিনির্ভর নয়। কৃষির অবস্থা যেমনই হোক না কেন, কৃষিকে বাদ দিয়ে আমাদের স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ খুবই কম। বরং কৃষি খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন হলেই ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের প্রসার লাভ ঘটে থাকবে। আমাদের কৃষি এখনো বিদেশনির্ভর। আমরা যে সবজি, ভুট্টা এবং পাট উৎপাদন করি এসব ফসলের বীজের প্রধান উৎস বিদেশ। শীতকালীন সবজি বীজ, আলু এবং কিছু কিছু হাইব্রিড ধানের বীজও বিদেশ থেকে আসে। পাশাপাশি কৃষি যন্ত্রপাতির বেশির ভাগ আসে বিদেশ থেকে।

করোনাজনিত কারণে এসব পণ্য বিদেশ থেকে সময়মতো আসা বিঘ্নিত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব কৃষির ওপর পড়তে বাধ্য। এই বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই আমাদের কৃষি উৎপাদনের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। বিষয়টি কত বড় চ্যালেঞ্জ তা আমরা অনুমান করতে পারি। এমনিতেই কৃষি জলবায়ুর প্রভাবনির্ভর একটি অনিশ্চয়তার পেশা, তার ওপর যদি এই প্রাণঘাতী মহামারীর মুখোমুখি হয়ে কৃষি উৎপাদন বেগবান করতে হলে সে এক অন্য রকম যুদ্ধ। এই মহামারী থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে সেই চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এই প্রচেষ্টায় কৃষক ভাইদের পাশে সর্বোচ্চ এবং সর্বপ্রকার সহায়তা নিয়ে রাষ্ট্রকে দাঁড়াতে হবে। করোনা থেকে তাদের রক্ষা করতে হবে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অনেকবারই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা এসেছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত না হলেও পৃথিবীকে আতঙ্কিত করার মতো ঘটনা কম ছিল না। দেশে দেশে যুদ্ধ, চেরনোবিল দুর্ঘটনা, সোভিয়েত বনাম যুক্তরাষ্ট্রের শীতল যুদ্ধ, অসংখ্য ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, সুনামির মতো ঘটনা উল্লেখযোগ্য। বিশ্বের অর্থনীতি হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়েছে। বিনোদন জগৎ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে শুধু ইন্টারনেট। খাদ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় খাদ্যসঙ্কটও দেখা দিয়েছে। শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত মানুষেরা কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিদিনই পরিসংখ্যানের খাতায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে মধ্যবিত্ত বা নিম্ন আয়ের মানুষেরা সব থেকে বিপদে পড়বেন। কারণ তাদের পক্ষে ধনীদের সাথে প্রতিযোগিতা করে উন্নত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব না।

এমন অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই এই মহামারী আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেবে। কারণ তখন আক্রান্ত না হয়েও খাদ্য বা চিকিৎসা সঙ্কটে আরো অনেক মানুষ মারা পড়বে। আর আমাদের মতো দুর্বল অর্থনীতি ও চিকিৎসাসেবার দেশে এই মহামারীর কাছে সবার অসহায় আত্মসমর্পণ ছাড়া বিকল্প পথ থাকে না। এই বিপর্যয় কত বিস্তৃত হবে বা কত দিন ধরে চলবে তা সময়েই বলে দেবে। তবে এই মুহূর্তে সবার একযোগে এগিয়ে আসতে হবে। এই এগিয়ে আসা মানে নিজেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি। নিজেরা যাতে এই ভাইরাসের বাহক না হয়ে যাই তার জন্য জনসমাগম এড়িয়ে চলা, নিজেদের গৃহবন্দী করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। আর একান্ত আক্রান্ত হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আসাটা জরুরি।

ইউরোপজুড়ে সংক্রমণ ফের বাড়তে পারে বলে মার্চ মাসের গোড়াতেই সতর্ক করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার ইউরোপীয় শাখার প্রধান বলেছিলেন, অতিমারী নিয়ে ‘ক্লান্তি’ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব বিধি মানার ক্ষেত্রে অনীহা আনতে পারে। তার ওপরে প্রতিষেধক এসে যাওয়ার স্বস্তিতেও অনেকে বিধি মানতে আগ্রহ দেখাবেন না। এ দিকে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে ব্রিটেনে।

‘গৃহবন্দিদশা’ মেটায় দিনটিকে ‘হ্যাপি মানডে’ বলছে দেশের সংবাদমাধ্যম। এবার থেকে ছ’জন সদস্যের ছোট দল জমায়েত করতে পারবে বাড়ির বাইরে। তবে সম্ভব হলে এখনো বাড়ি থেকেই কাজ করার পরামর্শ দিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। খুব প্রয়োজন না হলে দেশের বাইরে সফর করাও নিষেধ। নিয়ম না মেনে বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার চেষ্টা করলে প্রায় সাত হাজার ডলার জরিমানা করা হবে। ১২ এপ্রিল থেকে খুলে দেয়া হবে জরুরি নয় এমন দোকানপাটও। রেস্তোরাঁ ও ক্লাবের বাইরে বসে পানাহার করার অনুমতিও পাওয়া যাবে। তবে সবই হবে যদি পরিস্থিতি অনুকূলে থাকে। কিন্তু ইউরোপের করোনা পরিস্থিতি আবার খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিশ্বের নানা স্থানে আবার শোনা যাচ্ছে করোনা বিস্তারের ভীতিকর পদধ্বনি। ভারতের মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাবের মতো পশ্চিমবঙ্গেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের একাংশ আশঙ্কা করছে। এই আবহে করোনাবিধি, টিকাদানসহ স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নীতি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মহামারীর শুরুর দিনগুলো থেকেই আমাদের সমন্বয়ের অভাব ছিল, পরিকল্পনায় ঘাটতি ছিল। সবচেয়ে বড় কথা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শের সাথে করোনা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনায় মিলের চেয়ে অমিলই বেশি দেখা গেছে। করোনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে- কোথায় আমরা পিছিয়ে রয়েছি এবং সামনের দিনগুলোতে আমাদের কোন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঢেলে সাজাতে হবে। অতীতের ভুলগুলো সংশোধন করে আগামী দিনগুলোর জন্য বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা তৈরি করা জরুরি। অযথা কালক্ষেপণ না করে আমাদের উচিত অতি দ্রুত রেপিড এন্টিজেন টেস্টিং শুরু করা এবং করোনা টেস্টের সব অন্তরায় দূর করা। এন্টিজেন টেস্টিং যেমন টেস্টের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমাবে, পাশাপাশি অধিক সংখ্যক মানুষকে টেস্টিংয়ের আওতায় নিয়ে আসবে। ফলে সংক্রমিত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও পৃথকীকরণ সহজতর হবে। করোনার লাগাম টানতে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সংক্রমিতদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং আক্রান্তদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের কোয়ারেন্টিন করতে হবে। করোনা মহামারীর বিষয়ে তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। করোনার নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র জানা অত্যন্ত জরুরি।

করোনা ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ততা, অপর্যাপ্ততা, কার্যকারিতা, অকার্যকারিতা যেমনই হোক না কেন- করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব না কমলে বা পুরোপুরি ভাইরাসমুক্ত না হলে কঠোর সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। করোনার নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে আমাদের সামাজিক আচরণের ওপর নির্ভর করে- এ কারণে করোনা নিয়ন্ত্রণে জনগণের সচেতনতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য রাষ্ট্রের যেমন উচিত স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বের যথার্থ প্রয়োগ ও অনুশীলন নিশ্চিত করা। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়াও অপরিহার্য। আমাদের দেশের মফস্বলগুলোতে এখনো করোনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরি হয়নি বরং অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। অন্য দিকে অনেকেই মহামারীর মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার জন্য এটিকে অস্বীকারের পথ বেছে নিয়েছেন। এতে করে কেবল আমাদের দেশে সংক্রমণ বাড়ছে শুধু তাই নয় বরং সংক্রমণের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণও ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসক, ধর্মীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সচেতনতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব করোনা পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সংঘটিত সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক ও মানবিক সঙ্কট হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাধারণ মানুষের কাছে করোনা সংক্রমণ ও কারোনা সংক্রমণজনিত মৃত্যু পরিস্থিতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ। কেননা বিশ্বযুদ্ধের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত দেশের সংখ্যা ছিল সীমিত কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২০০টিরও বেশি দেশ। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আক্রান্ত হয়েছে ১৩ কোটিরও বেশি মানুষ।

আমেরিকা-ইউরোপের মতো জ্ঞান-বিজ্ঞানে অতি উন্নত দেশগুলো পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে, অসহায় বোধ করছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা এতটাই তীব্র যে, গোটা মানব সভ্যতা হুমকির মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নাই। তবে বদ্ধ জায়গায় একটানা দীর্ঘ সময় বেশিক্ষণ জড়োসরো হয়ে বসে থাকলে করোনা ঝুঁকি প্রবল হওয়ার কথা। এ ক্ষেত্রে শারীরিক পরিশ্রম, খেলাধুলা এবং উন্মুক্ত জায়গায় নির্মল বায়ু সেবন খুবই জরুরি। তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় যে বিষয়টি তা হচ্ছে- মানসিক শক্তি ও সাহস। মহামারীতে ভেঙে পড়ার চেয়ে মনোবল চাঙ্গা রাখা জরুরি। মনোবল মানুষের আশা ও উদ্যম বাড়ায়। তার বিপরীত অবস্থা মহামারীকে অতিমারীতে পরিণত করে এবং আক্রান্তের হারও বাড়ায়। কাজেই পরিশেষে বলা যায় স্বাস্থ্যবিধির পাশাপাশি মানসিক শক্তি, সাহস ও সচেতনতা করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জরুরি অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করবে।

আমাদের সমাজে ষাটোর্ধ মানুষের সংখ্যা কম নয়। তারা বয়সের কারণে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত নানান সমস্যায় ভুগছে। তবে মহিলাদের চেয়ে পুরুষরাই করোনার ঝুঁকিতে রয়েছে বেশি। করোনার ঢেউকালীন পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, ষাটোর্ধ্ব লোকজনের মধ্যে মৃত্যুর হারও বেশি। বয়স্ক লোকজন এমনিতেই উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার মধ্যে ঘরে বসে থাকে এবং পরিবারকে বিভিন্নভাবে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। তারা সবচেয়ে বেশি করোনার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এসব বৃদ্ধ লোকজন যেন শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে বিশেষভাবে যত্নবান ও দায়িত্বশীল হতে হবে। করোনাকালে মানসিক শক্তি, সাহস ও সচেতনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতা আমাদেরকে বিপর্যয় থেকে অনেকটা সহনীয় করবে।

লেখক : সাবেক উপ মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি



আরো সংবাদ


চীনের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (১০২৬৪)হামাসের কমান্ডার নিহত (৯৭৬৫)ইসরাইলি পুলিশের হাতে বন্দী মরিয়মের হাসি ভাইরাল (৭৩০৫)বিহারের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও নদীতে ভাসছে লাশ (৬৭৮২)‘কোয়াডে বাংলাদেশ যোগ দিলে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক খারাপ হবে’ (৫৮৬৩)যৌন অপরাধীর সাথে সম্পর্ক বিল গেটসের! এ কারণেই ভাঙল বিয়ে? (৪৮৬৯)উত্তরপ্রদেশে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামের প্রধান হলেন আজিম উদ্দিন (৪৪৫৬)নন-এমপিও শিক্ষকরা পাবেন ৫ হাজার টাকা, কর্মচারীরা আড়াই হাজার (৪২৪৬)মিতু হত্যা : স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তার গ্রেফতার (৩৯৭৩)গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় ৯ শিশুসহ ২০ ফিলিস্তিনি নিহত (৩৮১৪)