০৫ মার্চ ২০২১
`

আর কত বিসর্জন, আর কত আর্তনাদ শুনবো

-

অনেক মুক্তিযোদ্ধার মতো আমিও বর্তমানে এক অসহায় মুক্তিযোদ্ধা। পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। শত্রুর মুখোমুখি হতে কখনো ভয় পাইনি। অসীম সাহস, মনোবল ও অদম্য স্পৃহায় অস্ত্র হাতে শত্রুর খোঁজে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছি। উদ্দেশ্য ছিল দেশকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন দেশে সব শ্রেণীর মানুষ বাস করবে ব্যক্তি স্বাধীনতা নিয়ে, তারা পাবে অন্ন, বস্ত্র, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থানের সুযোগ, আর সেই সাথে সব স্তরে প্রতিষ্ঠা পাবে ন্যায়বিচারের পূর্ণ নিশ্চয়তা। কিন্তু আজ আমার ওপর নেমে আসা অবিচারের সুরাহার জন্য আমি কার কাছে যাবো? কে আমাকে আমার নিরপরাধ ভাইবোনদের গুম, হত্যা থেকে বাঁচাবে? পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ কারো ওপরই তো ভরসা পাচ্ছি না। ভিনদেশী অপসংস্কৃতির ছোবল থেকে আমাদের সন্তানদের আমরা কেমন করে রক্ষা করব? আমাদের কন্যাসন্তানের সম্ভ্রম বাঁচানোর নিশ্চয়তা কার কাছে পাবো? আমার সন্তানদের জন্য নির্ভেজাল ও বিষমুক্ত খাবার আমরা কোথায় খুঁজে পাবো?

এক সময় জঠরজ্বালা নিবারণের জন্য হতদরিদ্র কিছু ব্যক্তি চুরি, ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। ব্যক্তি বিশেষের ওপর হামলা করে প্রাণনাশের মতো ভয়ঙ্কর এবং বিপজ্জনক আঘাত হানা তাদের চিন্তারও বাইরে ছিল। এখন অবস্থা আমূল পাল্টে গেছে। মানুষ হয়ে উঠেছে রক্তপিপাসু নরপিশাচ। অর্থের লোভ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও তুচ্ছ ব্যক্তিগত বিদ্বেষের কারণে নৃশংস ও নির্মমভাবে অপর মানুষের প্রাণ হরণ করাই যেন এদের প্রধান উদ্দেশ্য। ছোটখাটো বিবাদ, কথা কাটাকাটি, চিন্তা-চেতনা, মানসিকতা ও মতের অমিল আজ সৃষ্টি করছে জিঘাংসা।

গাঁজা, কোকেন, হেরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত ছেলে-মেয়ে উভয়েই। নেশার টাকা না পেয়ে সন্তান তার জন্মদাতা বাবা ও মার প্রাণ হরণেও দ্বিধা করছে না। সম্পদের লোভে বৃদ্ধ বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করছে তারই ঔরসের সন্তান। আবার এই সমাজেই রাতারাতি ধনকুবের হওয়া পরিবারে বাবা-মা ও সন্তানরা মিলেই আড্ডা দিচ্ছে নাইট ক্লাবে।

তাই তরুণ-তরুণীদের সুশিক্ষা, মেধা, চারিত্রিক গুণাবলি ও সর্বোপরি তাদের গভীরতম দেশপ্রেমই জাতি ও দেশকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারে। বাংলাদেশের মোট লোকসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি তরুণ যুবক। অমূল্য সম্পদকে কার্যকরী শক্তিতে রূপান্তরিত করা, দেশ পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত সব স্তরের, সব পেশায় নিয়োজিত মানুষের একান্ত অপরিহার্য কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে বিলম্ব ও গাফিলতি, জাতির জীবনে শুধু অপূরণীয় ক্ষতিই ডেকে আনতে পারে। আর সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ বংশধররা আমাদেরকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করবে।

এত দিন শাসকরা যুবসমাজকে হীনস্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করেছে। ফলে সমগ্র জাতি তাদের অফুরন্ত প্রাণশক্তির সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতাপূর্ব যুবসমাজের অসংখ্য যুগান্তকারী অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। কে বা কারা একটি গর্বিত, ঐতিহ্যপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতি ও সর্বনাশ ডেকে আনল? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করতে ব্যর্থ হলে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও অপশক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের সমূলে উৎপাটন করতে বিলম্ব হলে, অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া এই দেশ ও জাতিকে উদ্ধার করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

’৪৭ সালের দেশ বিভাগ আন্দোলন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্টের জয়লাভ, ’৬৯-এর গণ-আন্দোলন, ’৭০-এর নির্বাচন, ’৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম, ’৭৫-এর বিয়োগাত্মক ঘটনার পর সব মানুষের সাথে দেশ রক্ষার আন্দোলন ও ’৯১ সালে স্বৈরাচার উৎখাত আন্দোলনসহ জাতির প্রতিটি সঙ্কটময় মুহূর্তে ও ক্রান্তিলগ্নেই যুবসমাজ তাদের অভূতপূর্ব দেশপ্রেম, নিঃস্বার্থ কর্তব্যবোধ এবং আত্মত্যাগের পরিচয় দিয়েছে। তারা সত্যকে আলিঙ্গন ও মিথ্যাকে ঘৃণার সাথে প্রত্যাখ্যান করতে অভ্যস্ত। সঙ্কটের মোকাবেলা আর অসম্ভকে সম্ভব করে তোলাই তাদের মূল ধর্ম। তবে ভুলে গেলে চলবে না, তাদের সব বিশ্বাস, ইচ্ছা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যয় ও ভালোবাসাকে দেশ গড়ার কাজে সফলভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব, যে নেতৃত্ব জোগাবে সার্বক্ষণিক উৎসাহ ও প্রেরণা। এ নেতৃত্ব হতে হবে সৎ, নিঃস্বার্থ, দক্ষ ও দূরদর্শী। দেশ ও জাতির সফলতা নিহিত রয়েছে এখানেই।

সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ভুয়া ব্যবসায়ীর কারসাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংক এবং শেয়ারবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকার পরও কেন দায়ী এসব পাপী ও দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না? বিদ্যুৎ খাতকে দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করার পরও এর স্থায়ী সমাধানের পদক্ষেপ না নিয়ে কেন কুইক রেন্টালের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের পথ করে দেয়া হলো?

বিভিন্ন সরকারি দফতর ও প্রতিষ্ঠানে দক্ষ, মেধাবী, যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব পরীক্ষায় অকৃতকার্জ প্রার্থীদের কেন চাকরি দিতে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে? মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততার পরিবর্তে মেধাহীন অযোগ্য ও অসৎ দুর্নীতিবাজ লোকদের একমাত্র দলীয় আনুগত্যের মাপকাঠিতে বাছাই করে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, সরকারি প্রশাসনসহ বিভিন্ন দফতর ও প্রতিষ্ঠানে কেন নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে? সরকারের বিভিন্ন দফতর ও প্রতিষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রেখে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তাকে বিনা কারণে অবসর দেয়া এবং ওএসডি করে রাখা কেন অলিখিত সরকারি নীতি হয়ে উঠেছে?

স্কুল, কলেজ এমনকি সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও শুধু প্রশ্নপত্র ফাঁসই নয়, প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র বিক্রি হওয়ার পরও পরীক্ষা বন্ধ না করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দেয়ার কার্যকরী পদক্ষেপ কেন নেয়া হচ্ছে না? দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত অসংখ্য মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণ-তরুণীর দেশের উন্নতিকল্পে অবদান রাখার উদ্দেশ্যে অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি না করে তাদের অবাধে দেশ ত্যাগ করতে কেন বাধ্য করা হচ্ছে?

কেন যুবসমাজের হাতে মারণাস্ত্র তুলে দিয়ে স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নিয়মিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে? যুবসমাজকে ধ্বংসের প্রধান অস্ত্র ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য কেন সহজলভ্য করে তোলা হচ্ছে? দেশব্যাপী বিভিন্ন শহরের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা সামাজিক ক্লাব নামধারী, অপসংস্কৃতির ধারক ও বাহক অজস্র অবৈধ ও বেআইনি সংগঠন ও তরুণ-তরুণীদের অবাধে মেলামেশা ও মিলনকেন্দ্রগুলো বন্ধ না করে এদের সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধির জন্য কেন উৎসাহ জোগানো হচ্ছে? কেন সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা, স্পষ্টবাদিতার অধিকারী মানুষদের, বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের দূরে ঠেলে দিয়ে অসৎ, কর্মবিমুখ, চাটুকারদের সব কাজে, ব্যবসায়-বাণিজ্যে ও রাজনৈতিক কার্যকলাপে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে?

খাদ্যদ্রব্যে অবাধে ভেজাল মিশ্রণ ও বিষ প্রয়োগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পরও কেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিকলাঙ্গ ও তিলে তিলে ধ্বংস করার এই সর্বনাশা খেলা কঠোর হাতে দমন করা হচ্ছে না?

দেশের প্রশাসন, বিচারবিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে কেন দেয়া হচ্ছে না? সভ্যসমাজের রীতিনীতির কোনোরকম তোয়াক্কা না করে এবং বিরাজমান আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে কেন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেয়া হাজার হাজার বিচারাধীন মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় তুলে নেয়া হলো? সর্বোচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ফাঁসির আসামিদের কেন মুক্তি এবং বেকসুর খালাস দেয়া হলো?

অপসংস্কৃতির জোয়ার টিভি চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে ভিনদেশী অপসংস্কৃতি ও উলঙ্গপনা, বিকৃত রুচির নাচ, গান ও কাহিনী অবাধ প্রচারণায় উৎসাহিত করে, দেশীয় ও জাতীয় শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ ও সব ঐতিহ্যকে নিরুৎসাহিত করে, কেন তা ক্রমে ক্রমে বিলীন ও ধ্বংস করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে? প্রচারমাধ্যমগুলো মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতির কাজে কেন নিয়োজিত?

যে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী, সে দেশের এই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি, বিশ্বাস, উপাসনা ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার ওপর কেন পরিকল্পিতভাবে আঘাত হানা হচ্ছে? দাড়িটুপি পরা এবং ঘরে ইসলামী বই-পুস্তক রাখার কারণে কেন এই সাধারণ মানুষকে জঙ্গি ও দেশবিরোধী বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে?

প্রতিবেশী ভারতের সাথে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিভিন্ন বিরোধের সম্মানজনক ও সমতাভিত্তিক নিষ্পত্তি না করে ভারতকে কেন একতরফাভাবে সব সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে? ভারতের সাথে বিভিন্ন চুক্তি দেশের স্বার্থেই সম্পাদিত হয়ে থাকলে তা গোপনীয় রেখে সংসদে উত্থাপন ও আলোচনা এবং জনসম্মুখে কেন পেশ করা হচ্ছে না?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানা কষ্টসাধ্য নয়। এ কাজে গভীর গবেষণারও প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু সব স্তরের নেতৃত্ব ও কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা ও অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল, সরকার ও বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত সব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের প্রমাণ করতে হবে, তারা দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন। গাল ভরা বক্তব্য দিয়ে আর গরিব মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয়ে ঘন ঘন বিদেশ সফর করে দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বেড়ালে, সমূহ ধ্বংসের হাত থেকে দেশ বাঁচানো যাবে না। তাদের প্রমাণ করতে হবে যে, তারা অর্থ, ক্ষমতা, দুর্নীতি ও ভোগ-বিলাসে লিপ্ত নন।

আমার বিশ্বাস, যে জাতি এক সাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে, তাকে গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক অপব্যাখ্যা দিয়ে দীর্ঘ দিন দাসত্বের শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা যাবে না। ছলচাতুরি, প্রলোভন, চোখ রাঙানি ও আতঙ্কিত করে বিপুল জনগোষ্ঠীকে কিছু সময়ের জন্য অচেতন করে রাখা যেতে পারে, কিন্তু অচিরেই মুক্তিকামী ও লড়াকু মানুষ জেগে উঠবেই। এ মাটির ইতিহাস সেই সাক্ষ্যই বহন করে। অনেকের মনে হতে পারে, দেশের মানুষ প্রতিবাদ, প্রতিরোধের ভাষা ও শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। মনে হতে পারে, অবহেলিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত, পদস্পৃষ্ট বলেই হয়তো মানুষ অসহায় ও দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটা সম্ভব যে, ঘাত-প্রতিঘাতে সে হতে পারে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। কিন্তু এটি নিঃসন্দেহে সাময়িক অবস্থা। তার অস্তিত্ব যখন বিপন্ন, তখন সে উপলব্ধি করবে তার মরে মরে না বেঁচে, একবারেই মরা শ্রেয়। তখন সে মরিয়া ও বেপরোয়া হতে বাধ্য। তার প্রতিবাদ তখন হয়ে যেতে পারে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো। সেই অগ্ন্যুৎপাত থেকে কেউই রক্ষা পাবে না।

তাই সব দল ও সংশ্লিষ্টদের কালবিলম্ব না করে কার্যকরী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়ার বিকল্প নেই। এর অন্যথা হলে দেশ, জাতি ও মানুষকে বাঁচানোর সময়, সুযোগ ও পথ অবশিষ্ট থাকবে না।

লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা।



আরো সংবাদ