০৬ মার্চ ২০২১
`

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের টুকরো স্মৃতি

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের টুকরো স্মৃতি - নয়া দিগন্ত

এইচএসসির রেজাল্টের ওপর ভিত্তি করে রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি পড়ার সুযোগ পেলাম। ঢাকা ভার্সিটির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ইস্ট হাউজের ৩৩ নম্বর কক্ষে উঠে গেলাম। রুমমেট হিসেবে পেলাম ইংরেজির হায়াত হোসেন, বায়োকেমিস্ট্রির শামসুজজ্জামান, অর্থনীতির নূর মোহাম্মদ জমাদারকে। হায়াত হোসেন ইংরেজি ছেড়ে দিয়ে পরে ইতিহাস নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে সে বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষকতা করেছে। শামসুজ্জামান অল্প ক’দিনের মধ্যেই নিজের সুবিধার্থে ফজলুল হক হলে চলে যায়। তার জায়গায় এলো ইসলামিক স্টাডিজের আমাদের এক বছরের জ্যেষ্ঠ খবির উদ্দীন। এই কক্ষে থাকতেই বছরের শেষের দিকে খবির উদ্দীন সাহেবের চাকরি হয়ে যায়। তার জায়গায় আসেন আমাদের এক বছরের জ্যেষ্ঠ আবুল কাশেম ফজলুল হক। তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক।

প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে। সাইন্স অ্যানেক্সের নিচ তলার সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের বড় একটি কক্ষে ড. এ এন মাহমুদ মাইক্রো অর্থনীতি পড়ান। একদিন তিনি এমন কিম্বুৎকিমাকার একটি কালো স্কিনটাইট প্যান্ট পরে ক্লাসে এলেন যা দেখে প্রায় সব ছাত্রই হেসে দিলো। তিনি স্থূলকায় ছিলেন। ইন করে পরা শার্টটি ঠেলে পেট সামনের দিকে বেরিয়ে থাকত। এই অবস্থায় স্কিনটাইট একটি কালো প্যান্ট বড় বেমানান লাগছিল। তাই তিনি ক্লাসে ঢুকতেই ছেলেমেয়েরা উচ্চৈঃস্বরে হেসে ফেলেছিল। তিনি অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন। সবার দিকে তাকালেন। তার নজর পড়ল আমার ওপর। যে অল্প ক’জন ছেলে তাকে দেখে মোটেও হাসেনি তাদের মধ্যে আমি একজন। তিনি আমাকে দাঁড়াতে বললেন। দাঁড়ালাম। রোষকশায়িত নয়নে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দেবো। বসো।’

বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম। খুব লজ্জা পেলাম। সেই মুহূর্তেই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম- ‘আমি অর্থনীতি পড়ব না।’ তার ক্লাস শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিজ্ঞান ভবন কার্জন হলে পদার্থবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান ড. আবদুল মতিন চৌধুরীর কাছে গেলাম। ঢাকা কলেজে থাকতেই শওকত ওসমান স্যারের মুখে তার নাম শুনেছি। তার কক্ষে প্রবেশ করে দেখি, তিনি আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে কিছু কাগজপত্র গুছিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার কোনো কথা আছে’? বললাম, ‘আমি বিজ্ঞানের ছ্ত্রা। ইকোনমিক্সে ভর্তি হয়েছিলাম। এখন ফিজিক্স পড়তে চাই।’ তিনি বললেন, ‘সময় শেষ। এখন আর ভর্তি হওয়া যাবে না।’ বেরিয়ে এলেন। আমি তার সাথে পথ চলতে চলতে বললাম, ‘স্যার, আমি এইচএসসি প্রথম বিভাগে পাস করেছি। ম্যাথামেটিক্সে লেটার পেয়েছি, ফিজিক্সে ও কেমিস্ট্রিতে ৭০ পার্সেন্টের ওপর মার্ক পেয়েছি। আমার কথা শুনে তিনি বললেন, ‘কাল সকাল সকাল চলে এসো।’ রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে গেলাম। খোঁজ নিয়ে জানলাম ফিজিক্সে ভর্তি হতে হলে আরো বেশ কিছু টাকা লাগবে। দমে গেলাম। আবার নতুন করে ভর্তি হওয়ার জন্য টাকা খরচ করাটা আমার কাছে বিলাসিতা মনে হলো; তাও জেদের বসে। মনকে বুঝালাম। ড. মাহমুদের কথাটা হজম করলাম। ড. মতিন চৌধুরী স্যারের সাথে আর দেখা করলাম না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর কার্জন হলে নবীনবরণের আয়োজন করা হয়। বক্তা তিনজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রবীণ ছাত্রদের একজন আর নবীন ছাত্রদের একজন। সবাই কম কথা বললেন। নবীন ছাত্রদের মধ্যে কে বক্তব্য রেখেছিল মনে নেই। প্রবীণ ছাত্রদের মধ্যে বক্তব্য রেখেছিল সৈয়দ তারেক আলী, আমার বাল্য বন্ধু রাজু। সে দিন তার কাছেই প্রথম সায়েন্স আর টেকনোলজির মধ্যে পার্থক্য কী, তা জানতে পারলাম। সে ম্যাট্রিক-ইন্টারে বোর্ডে প্রথম, ফিজিক্সে অনার্স-মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম। শেষ বক্তা ভিসি ড. মোহাম্মদ ওসমান গনি। তিনি কী বলেছিলেন মনে নেই, তবে তার পৌরুষদীপ্ত জলদগম্ভীর কণ্ঠস্বরে কার্জন হলের অডিটোরিয়াম যে গম গম করে উঠেছিল তা বেশ মনে আছে। অনাড়ম্বর সুন্দর নবীনবরণ অনুষ্ঠান। ‘Small is beautiful’ কথাটা সেকালের লোকেরা জানতেন এবং মানতেন।

সকালের নাশতা হলের ক্যান্টিনে করি। দু’আনা করে দু’টা ডিম চার আনা। দু’আনা করে দু’টা পরোটা চার আনা। এই মোট আট আনায় সকালের নাশতা। চা খেলে আরো দু’আনা। সেটা আমার অভ্যাস ছিল না। বিকেলে একটা আলুর চপ দু’আনা। ছুটির দিন সকালে তেহারি হতো। ছ’আনা প্লেট। এক প্লেটেই চলত। ক্যান্টিনে মাঝে মাঝে গোলযোগ হতো। কিছু ছেলে ক্যান্টিনে এলে বাসি সিটে বসে নাশতার জন্য বয়কে ডাকত না। এসেই টেবিলের প্লেট-পিরিচ মেঝেতে ছুড়ে ফেলে ভাঙচুর শুরু করত। ক্যান্টিন ম্যানেজার দৌড়ে আসত। বিনয়ের সাথে জিজ্ঞেস করত, ‘আপনেরা কি খাইবেন, স্যার?’ ম্যানেজারকে তারা ধমক দিয়ে বলত, ‘এগুলো পরিষ্কার রাখা যায় না?’ ম্যানেজার হন্যে হয়ে বয়কে ডেকে এনে টেবিল পরিষ্কার করাত। তারপর আবার কাঁচুমাচু হয়ে জিজ্ঞেস করত, ‘আপনেরা কী খাইবেন স্যার?’ তারা নাশতার ফরমাস দিতো। ম্যানেজার দৌড়ে যেয়ে বয়কে দিয়ে তাদের নাশতা পাঠিয়ে দিতো। তারা কখনো নাশতার পয়সা দিতো, কখনো দিতো না। এটা তাদের ‘মর্জি’। ম্যানেজার সাহস করে চাইত না। কোনো দিন সাহস করে চাইলে হয় ধমক খেতো, না হয় পয়সা পেতো। এটা ম্যানেজারের ‘কপাল’। এ ধরনের ছেলের সংখ্যা খুব বেশি ছিল না। ম্যানেজারের ক্ষতি হতো। তার কাপ-পিরিচের পয়সা তো সে আর পেতো না। বাইরে দেখা হলে ম্যানেজার কত দিন যে বলেছে, ‘স্যার, আর পারি না। বেবাক কাপ পেয়ালা বাসন ভাইঙ্গা ফালায়। খাইয়া যায়গা। পইসা দেয় না। এই ব্যবসা ছাইরা দিমু।’

হলে ইমপ্রুভড ডায়েট এবং ফিস্টে অতিথির খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। হলের যে বোর্ডার অতিথি খাওয়াবে তাকে অতিথির খরচ বহন করতে হতো। ডাইনিং হল ম্যানেজারের হিসাবের সুবিধার্থে প্রত্যেক অতিথি আপ্যায়নকারীকে ডাইনিং হলে রক্ষিত খাতায় নিজের নাম লিখে পাশে অতিথি সংখ্যা উল্লেখ করতে হতো। একটা মজার ঘটনা ঘটতে দেখা যেত। হলে ইমপ্রুভড ডায়েট বা ফিস্টের রাতে কোনো কোনো বোর্ডার নিজেরা বন্ধু-পরিজন খাইয়ে নিজের নাম না লিখে খাতায় আইয়ুব খান বা মোনায়েম খানের নাম লিখে এদের বিপরীতে গেস্ট সংখ্যা লিখে যেত। সবাই খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত। এ বিষয়টা প্রায়ই সবার দৃষ্টি এড়িয়ে যেত। তবে মেজবান ও মেহমানের হিসাব বের করতে যেয়ে ম্যানেজার বিপাকে পড়ত।

আমি তখন অর্থনীতি প্রথম বর্ষের ছাত্র। এ বিভাগ থেকে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হলো। এতে অতিথি হয়ে এলেন Imperfect Competition গ্রন্থের প্রণেতা Joan Robinson. তিনি সে দিন কী বলেছিলেন আজ আর এত দিন পরে তার কিছুই মনে নেই। মনে আছে, তার বক্তব্যের পর চলে যাওয়ার আগে বিভাগের কয়েকজন শিক্ষকের প্রত্যেককে তার লেখা বইয়ের একটি করে কপি দিয়েছিলেন। বিভাগের বাইরের বক্তাদের মধ্যে একজন ছিলেন গোলাম আজম। বাইরের আর কে কে বক্তব্য রেখেছিলেন, মনে নেই। তবে তরুণ ব্যারিস্টার আমির-উল ইসলামকে দেখেছি। Joan Robinson ব্রিটিশ নাগরিক। তার যে বইটির কথা উল্লেখ করলাম অনুরূপ একটি বই আটলান্টিকের অপর পাড় থেকে Monopolistic Competition নামে প্রণয়ন করলেন Chamberlain. বই দু’টি একই সাথে বের হয়। কিন্তু লেখকদ্বয়ের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না। দু’টি বইয়ের বিষয়বস্তু এক এবং অর্থনৈতিক চিন্তাধারার ইতিহাসে দু’টি বই-ই যুগান্তকারী। আমাদের বিভাগের কোনো এক শিক্ষক বলেছিলেন, তারা দু’জন কোনো দিন মুখোমুখি হতে রাজি হননি। একজন এক দুয়ার দিয়ে ঢুকলে আরেকজন অন্য দুয়ার দিয়ে বেরিয়ে যেতেন।

অর্থনীতি প্রথম বর্ষ অনার্স শ্রেণীতে শ্রেণী প্রতিনিধি নির্বাচন হবে। ইচ্ছা হলো, নির্বাচন করি। রুমমেট ও ক্লাসমেট নূর মোহাম্মদ জমাদারকে বললাম। সে খুশি হলো। অন্য রুমমেটরা আমার বিষয়ের না হলেও উৎসাহ দিলো। প্রচারের কাজে বেশ খাটাখাটনি করলাম। বন্ধুরাও প্রচার চালাল। আমি নির্দলীয় প্রার্থী। ছাত্র ইউনিয়ন বা এপসুর সমর্থনে একজন দাঁড়াল। এনএসএফ থেকে কোনো প্রার্থী দেয়া হলো না। নির্বাচিত হতে পারলাম না। অল্প ক’টি ভোটের ব্যবধানে হেরে গেলাম। মনে পড়ে, তৃতীয় বর্ষের শ্রেণী প্রতিনিধি নির্বাচনও করেছিলাম। সেবারও নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে। এনএসএফ থেকে কোনো প্রার্থী দেয়া হয়নি। এপসু সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হলো। এবারও সামান্য ব্যবধানে হেরে গেলাম।

এসএম হলে একবার কী একটি অনুষ্ঠান হলো। সে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ফরিদ আহমদ আইন বিষয়ে চমৎকার বক্তব্য রেখেছিলেন। এ বক্তব্যটি সবাই উপভোগ করেছিল। প্রভোস্ট ড. মমতাজ উদ্দীন আহমেদ সভাপতির ভাষণে এর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। সে অনুষ্ঠানে দর্শকদের সামনের সারিতে আমন্ত্রিত অন্য অতিথিদের মধ্যে কবি শামসুর রাহমান ও ড. খান সারওয়ার মুর্শিদ উপস্থিত ছিলেন।

হলের লাইব্রেরিটি বেশ সমৃদ্ধ। তবে এখান থেকে কোনো বই কোনো দিন ইস্যু করিনি। এর রিডিং টেবিলে নানা ধরনের ম্যাগাজিন ও দৈনিক পত্রিকা। মাঝে মধ্যে পত্রিকা ও ম্যাগাজিন পড়তে সেখানে যেতাম। হলে থাকাকালে অবজারভার পত্রিকার নিয়মিত গ্রাহক ছিলাম। আমি বই ইস্যু করতাম ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি থেকে এবং যেতাম পাবলিক লাইব্রেরি, ইউএসআইএস, ইন্ডিয়ান ইনফরমেশন সার্ভিস ও অন্যান্য লাইব্রেরিতে। আমাদের বিভাগের প্রায় সব ভালো ছাত্রই এসএম হলে থাকত।

সাবসিডিয়ারি ক্লাস করতে বিজ্ঞান ভবনে যেতে হয়। গণিতের ক্লাস হয় কার্জন হলের গ্যালারিতে। একদিন ক্লাস শেষে কার্জন হলের মূল গেটের পুবের লনে দু-একজন সহপাঠীর সাথে দাঁড়িয়ে গল্প করছি। পদার্থবিদ্যার মাস্টার্স শেষ পর্বের ছাত্র সৈয়দ তারেক আলী এসে সামনে দাঁড়াল। মুখে ঘন কালো চাপদাড়ি। প্রতিভাদীপ্ত চেহারা। আমার দিকে চুপ করে তাকিয়ে রইল। আমিও তার দিকে চুপ করে তাকিয়ে রইলাম। ১৯৫৮ সালের পর ১৯৬৫ সালে এই প্রথম দেখা। সাত-আট বছরে একে-অপরের অপরিচিত হয়ে যাইনি। দু’জনেই দু’জনের দিকে বেশ কিছুক্ষণ নীরবে তাকিয়ে থাকার পর ছাড়াছাড়ি হলো। রবি ঠাকুরের ভাষা ঈষৎ পরিবর্তন করে দু’জনেই ‘অনেক কথা বলে গেলাম, কোনো কথা না বলে।’ রাজুর সাথে আর কোনো দিন কোথাও দেখা হয়নি। শুনেছি, এখন সে আমেরিকা প্রবাসী এবং ‘নাসা’র বিজ্ঞানী।

প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল রাজনীতিক হবো। এটা হতে হলে বক্তৃতা দিতে জানতে হয়। আমি যেহেতু ছাত্ররাজনীতির সাথে জড়িত নই, তাই আমার বক্তৃতা করার সুযোগও নেই। আমি ধরলাম নিজস্ব পথ। সন্ধ্যার দিকে রমনা রেসকোর্স মাঠে চলে যাই। এ সময় মাঠ দিয়ে কেউ চলাচল করে না। নির্জন। মাঠের পূর্ব দিকে মাঝ বরাবর একটি গলফ কোর্ট আছে। কোর্ট অঙ্গনটি সামান্য উঁচু। মসৃণ করে ঘাস ছেঁটে রাখা হয়েছে। চার দিক অল্প উঁচু করে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া, যাতে গরু-ছাগল ঢুকে জায়গাটা ময়লা করতে না পারে বা জনসাধারণ এর ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে না পারে। আমি এসে এর মাঝখানে উত্তর দিকে মুখ করে দাঁড়াই। প্রতি সন্ধ্যার পর টানা ঘণ্টাখানেক ইংরেজিতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বক্তৃতা দেই। পূর্বের রাস্তা দূরে। শব্দ অতদূর পৌঁছে না। আমার কণ্ঠস্বর অনুচ্চ। নিজেই বক্তা নিজেই শ্রোতা। বক্তৃতা শেষ হলে পশ্চিম দিকে হেঁটে এসে পাবলিক লাইব্রেরির সামনের রাস্তায় উঠে হলের দিকে চলে আসি। বেশ কিছু দিন এ বক্তৃতা অনুশীলন করি। এক সময় কবে কী করে যে এটা বন্ধ করে দিলাম, তা মনে পড়ছে না।

লেখক : অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও ভাইস প্রিন্সিপাল, মহিলা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা।



আরো সংবাদ


ইম্প্যাক্ট জীবন তরী হাসপাতাল এখন ঝালকাঠিতে নোয়াখালীতে কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড ইনিংস ব্যবধানে হার ইংল্যান্ডের, সিরিজ ভারতের মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু ঢাকা ম্যারাথন অনুষ্ঠিত স্বাধীনতার ৫০ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সুন্নাতে খাৎনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যসমূহ হারাতে বসেছি : গোলাম পরওয়ার স্বর্ণের দাম আবারো কমেছে গণতন্ত্র ফিরে এলে গণতন্ত্রের প্রশাসনের প্রশাসকরা গর্বিত হবেন : গয়েশ্বর মনোহরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি আরোহী ২ জন নিহত, আহত ৩ আফগানিস্তানে পৃথক বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪ বিক্ষোভের শততম দিনে কৃষকদের দিল্লি প্রবেশের রাস্তায় অবরোধ

সকল