১৫ আগস্ট ২০২০

এনআরসি বনাম ‘ফেরত নেয়া’র রাজনীতি

-
24tkt

গত ২৪ ডিসেম্বর একটি দৈনিক পত্রিকার দ্বিতীয় পাতায় ‘বিএনপি আমলে ভারত যাওয়াদের ফেরত নেয়া হবে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগের পুনর্নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং সেতু ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ২৩ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়ে কোনো সংখ্যালঘু ভারতে পালিয়ে গিয়ে থাকলে তাদের ফেরত নেয়া হবে। বিএনপি আমলে যা ঘটেছে তাতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ভারতে চলে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। তখন ভয়ভীতির কারণে অনেকে চলে যেতে পারেন। তারা ফিরে আসতে চাইলে আমরা ফিরিয়ে নেবো। বক্তব্যটি তিনি এমন এক সময় দিয়েছেন যখন ভারতের লোকসভায় বিজেপি সরকার কর্তৃক নাগরিকত্ব সংশোধন আইন পাসের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ভারতে হিজরত করার প্রসঙ্গ তুলে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদানের লক্ষ্যেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। ওই আইন পাসের কারণে আতঙ্কিত হয়ে শত শত বাঙালি বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় বিজিবির হাতে ধরা পড়ছিলেন। তখন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ আমাদের সেতু ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী কর্তৃক অনুসমর্থিত হলো দেখে জনগণ হতবাক। বোধহয় একেই বলে ‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের রাজনীতি’।

আমরা যতদূর জানি ২০০৯ সালে ১৪ দলীয় জোট সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে, ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। ওই কমিশন নির্যাতিতদের জবানবন্দী অনুযায়ী নির্যাতনকারীদের চিহ্নিত করে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী নির্যাতনকারীদের বিচারের সম্মুখীন করার খুব হাঁকডাক শোনা গেলেও একটি বিচারও সম্পন্ন হলো না কেন? ওই সময় নির্যাতনের শিকার হয়ে কিংবা ভয়ভীতির কারণে কেউ যদি ভারতে হিজরত করত তাহলে তাদের সংখ্যাও ওই রিপোর্টে স্থান পেত বলে জনগণ মনে করে। তাদের সম্পর্কে প্রতিবেশীরা, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ঐক্যপরিষদের নেতারা এবং বর্তমান সরকার ১১ বছর ধরে নিশ্চুপ থাকলেন কেন? তাদের ফেলে যাওয়া সহায়সম্পত্তি কাদের দখলে আছে? তারা কি সেটা ন্যায্যমূল্যে ক্রয় করেছেন, না জবরদখল করে রাখা হয়েছে? উন্নত জীবনযাপনের আশায় যেমন অনেকেই জমিজমা বিক্রি করে ১৯৪০ সাল থেকে ভারতে গেছেন এবং এখনো যাচ্ছেন, তেমনই ভারত থেকেও অনেকে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে এসেছেন। যেমন খ্যাতনামা আইনজীবী মরহুম ড. এম জহির ও তার ভাই সাবেক রাষ্ট্রদূত এম জমির, খ্যাতনামা আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক প্রমুখ খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। আসলে মাননীয় মন্ত্রী এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ঐক্যপরিষদের নেতারা বাংলাদেশব্যাপী ‘মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজে’ এমন একটি সংখ্যালঘু পরিবারের খোঁজও পাবেন না যারা বিএনপি আমলে ভয়ভীতির কারণে বা নির্যাতনের শিকার হয়ে বাড়িঘর, সহায়সম্পত্তি ফেলে ভারতে চলে গেছেন।

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের এনআরসি করার একটা মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির রাজনৈতিক ক্ষমতা খর্ব করা। তাদের বিশ্বাস, দুই কোটি বাঙালি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামে গমন করেছেন। আসামে এনআরসি করতে যেয়ে যে ১৯ লাখ বাঙালি ‘অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত, তার মধ্যে ১৩ লাখ হিন্দু হওয়ায় বিজেপি সরকার তার রাজনৈতিক স্বার্থে মুসলমান ছাড়া সবাইকে নাগরিকত্ব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছেন। ১৯৭৭ সালের পর দীর্ঘ ৪৩ বছরে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় নিয়ন্ত্রণ গ্রহণে কংগ্রেস ও বিজেপি উভয় সরকার ব্যর্থ হয়েছেন।

এ দেশে উচ্চবিত্ত জমিদার শ্রেণী ও ব্যবসায়ী এবং মধ্যবিত্ত জোতদার শ্রেণীর সচ্ছল হিন্দুরা উন্নত জীবন যাপনের হাতছানিতে, জমিজমা সহায়সম্বল উচিত মূল্যে বিক্রয় করে তিন ধাপে তৎকালীন পূর্ববঙ্গ ও সাবেক পূর্ব পাকিস্তান এবং বর্তমান বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন।

প্রথম ধাপে উচ্চবিত্তের জমিদার শ্রেণী ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ভারতে গমন করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে উচ্চমধ্যবিত্ত জমিদার শ্রেণী ও ব্যবসায়ী এবং মধ্যবিত্ত জোতদার শ্রেণী ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ভারতে প্রস্থান করেছেন। তৃতীয় ধাপে মধ্যবিত্ত ছাড়াও সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অনেকে ১৯৯৫ সাল থেকে ভারতে হিজরত করেছেন এবং তা অব্যাহত আছে। তাদের প্রত্যেকেই সাবেক পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে তাদের সহায়সম্পত্তি উচিত মূল্যে বিক্রয় করে দেশত্যাগ করেছিলেন। ইংরেজ শাসকরা ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে ঢাকাকে রাজধানী করে আসামকে নিয়ে পৃথক প্রদেশ ঘোষণা করলেও বর্ণ হিন্দুদের চাপে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করলেও পূর্ববঙ্গের জমিদার শ্রেণী যাদের ৯৯ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের তারা ইংরেজদের তল্পীবাহী হিসেবে কাজ করতেন বিধায় তারা বুঝে গিয়েছিলেন, ভারত স্বাধীন হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গ পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভাগ হয়ে যাবে। তাই তারা প্রথমে সন্তানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে কলকাতায় ইংরেজি স্কুলে ভর্তি করালেন। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, সমরসেনসহ অনেকেই কলকাতায় গিয়ে আর ফিরে আসেননি। শেরে বাংলা ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করে বাংলা ও আসামকে নিয়ে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি করায় বুদ্ধিমান বর্ণবাদী জমিদার শ্রেণী নিশ্চিত হয়ে যায়, ভারতবর্ষ স্বাধীন হলেও পূর্ববঙ্গ ভারতভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাই তারা এ দেশ থেকে তাদের সম্পদ পাচার করে কলকাতা, বারাসাত, বশিরহাট, কৃষ্ণনগর ও দার্জিলিংসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে বসতি স্থাপন শুরু করে দিয়েছিলেন। ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৪৭ সালের মধ্যেই পূর্ববঙ্গে তাদের জমিদারির তালুকগুলো গোপনে কুসিদজীবীদের কাছে বন্ধক দিয়েছেলেন। খাস জমিগুলোর কিছু অংশ উপযুক্ত মূল্যের বিনিময়ে পাট্টার মাধ্যমে মুসলমান বন্ধু জোতদারদের নামে বন্দোবস্ত দেয়া হলো এবং বাকি অংশ দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ও তাদের স্থাপিত স্কুল-কলেজের নামে দান করে তারা দেশ ত্যাগ করেছিলেন। বসতবাড়ি ভিন্ন সব সম্পত্তি এইভাবে হস্তান্তর করা হয়।

উচ্চমধ্যবিত্ত জমিদার শ্রেণী ১৯৫৫ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের আগেই তাদের তালুক ও খাস জমিগুলো পূর্বসূরিদের দেখানো পথে কুসিদজীবীদের কাছে বন্ধক, বন্ধু মুসলমান জোতদারদের নামে পাট্টার মাধ্যমে বন্দোবস্ত দান, দেবোত্তর ও স্কুল-কলেজের নামে দান করে শুধু বসতবাড়ি রেখে দেশত্যাগ করেছিলেন। ১৯৬৪-৬৫ সালে যখন জমিদারি উচ্ছেদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়, তখন বন্ধকগ্রহীতা কুসিদজীবীরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের এবং এসডিও অফিসের কর্মকর্তাদের উৎকোচ দিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের পর দেশ ত্যাগ করেন। জোতদার হিন্দুদের যাদের একক মালিকানায় জমি ছিল তা তারা পর্যায়ক্রমে গোপনে বিক্রয় করে সীমান্তবর্তী কোনো সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল করে দেশ ত্যাগ করেছিলেন। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত এদেশে যেকোনো সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যেকোনো এলাকার জমি বিক্রির দলিল রেজিস্ট্রি করা যেত। জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতায় এসে ১৯৬০ সাল থেকে হিন্দুদের জমি বিক্রয়ের ব্যাপারে ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যানদের পারমিট প্রথা চালু করে এদের টুপাইস কামানের সুযোগ করে দিলেন। অনেক হিন্দু ওই সুযোগে জমিজমা বিক্রয় করে উন্নত জীবনযাপনের আশায় ভারত চলে গেলেন। ১৯৬৫ সালের পাকভারত যুদ্ধের পর যে হিন্দু রাজনীতিবিদদের এক ভাই ভারতে ছিলেন তাদের সম্পত্তি ‘শত্রু সম্পত্তি’ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং হিন্দুদের জমি বিক্রয়ের পারমিট দেয়ার ক্ষমতা গেজেটেড অফিসারদের হাতে ন্যস্ত করা হয়। এ সুযোগে অনেক এসডিও সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার মূল্যবান জমি বিক্রির পারমিশন দেয়ার বিনিময়ে জমির একটি অংশ পরে ক্রেতাদের কাছ থেকে নিজের মনোনীত লোকের নামে রেজিস্ট্রি করে নেয়ার বহু ঘটনা ঘটেছিল। এই ‘পারমিশন’ বলে পূর্ব পাকিস্তানে থাকা ভাই ভারতে গমনকারী ভাইয়ের অংশসহ বিক্রি করায় আরএস জরিপে ওই ভাইয়ের অংশ ‘অর্পিত সম্পত্তির’ তালিকাভুক্ত হওয়ায় অনেক মামলার উদ্ভব হয়েছে।

জোতদার শ্রেণীর দু-এক ভাই পূর্ব পাকিস্তানে থাকতেন এবং দু-এক ভাই ভারতে চলে গিয়েছিলেন। তারা জমি বিক্রি করতে না পারায় এখানে থেকে যেতে বাধ্য হলেও এখানকার উপার্জন নিয়মিত বাইরে পাচার হতো। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ওই ভাই বাংলাদেশে এসে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটের বলে তার মালিকানার অংশ আরেক ভাইকে রেজিস্ট্রি করে দিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে সুবিধাজনক সময়ে ওই ভাই সব সম্পত্তি বিক্রয় করে দেশ ত্যাগ করেছেন। সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত হিন্দু জোতদার ছাড়া প্রায় সবাই এই প্রক্রিয়ায় তাদের সহায়সম্পত্তি স্বাভাবিক দরে বিক্রয় করে উন্নত জীবনযাপনের আশায় ভারতে প্রস্থান করেছেন।

আরেক শ্রেণী ছিল চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী। তারা চাকরি করে অবৈধ উপায়ে প্রচুর ধনসম্পত্তি করেছিলেন। তারা অবসরের পর শতভাগ পেনশন উত্তোলন করে এবং সম্পত্তি বিক্রয় করে সীমান্তের ওপারে চলে গেছেন। বলা যায়- প্রথমে ছেলেকে ডিভি ভিসায় বা লেখাপড়া করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা পাঠিয়েছেন এবং মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ভারতে। চাকরিজীবনে শহরে জমি কিনলেও বাড়ি করেননি। পরে জমি উচ্চমূল্যে বিক্রয় করে ভারতে চলে গেছেন। পাকিস্তান আমলে নব উত্থিত মুসলমান ব্যবসায়ীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা, সাভার ও গাজীপুর প্রভৃতি ব্যবসাসমৃদ্ধ এলাকায় ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকার মালিক হলেও তাদের চেয়ে বড় ও পুরনো হিন্দু ব্যবসায়ীরা তাদের চেয়ে বেশি মুনাফা করেছেন। তবে বাংলাদেশে তাদের পুরনো বাড়ি ছাড়া সাধারণত কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই। তারা প্রত্যেকেই দু-এক ছেলেকে আগেই পড়শি দেশে স্থিতু করেছেন এবং এখানকার উপার্জিত আয় আজো নিয়মিত পাচার হচ্ছে। অবশ্য ’৯০-এর দশকের শেষ দিকে মুসলমান অনেক উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ‘সন্তানদের বিদেশে লেখাপড়া’ ব্যয় নির্বাহের জন্য অবৈধ উপার্জনের টাকা ‘পাচার করার সংক্রামক রোগে আক্রান্ত’ হন।

২১ শতকের প্রথম ও দ্বিতীয় দশকে ঋণখেলাপি ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের অনেকে এই অন্যায় কাজে জড়িত হওয়ায় ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর ৫০-৬০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়ায় ‘সেকেন্ড হোম’ করেছেন বলে পত্রিকার খবর থেকে জানা যাচ্ছে। তারা বাংলাদেশকে ব্যবহার করছেন অবৈধ উপার্জন ও তা পাচারের চারণভূমি হিসেবে। বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত ও নিরাপদ জীবনযাপনের আশায় যারা স্বেচ্ছায় বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন, তার জন্য কোনো সরকারের নীতি বা সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়কে দায়ী করা যায় না। তবুও কেন রাজনৈতিক কারণে অমিত শাহের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করা হবে? নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের রাজনীতি আর কত দিন?


আরো সংবাদ