১৪ আগস্ট ২০২২
`
এর আগে পাকিস্তান বিরোধিতা করেছে

চীনও কাশ্মিরে জি-২০ সম্মেলন আয়োজনের বিরোধী

-

নরেন্দ্র মোদি সরকারের ইচ্ছা আগামী বছর জি-২০ সম্মেলন হোক কাশ্মিরে। কাশ্মিরের এ সম্মেলনে পাকিস্তানের সাথে অনিচ্ছা জ্ঞাপন করেছে চীনও। তবে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত কাশ্মিরেই অনড়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়াং বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘কাশ্মির নিয়ে চিনের দৃষ্টিভঙ্গি ধারাবাহিকভাবে একই রয়েছে এবং তা স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে বারবার। এটা ভারত ও পাকিস্তানের পুরনো সমস্যা।
রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রস্তাব এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলোর সপক্ষে-এর সমাধান হওয়া প্রয়োজন। ঝাওয়ের কথায়, ‘সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষেরই উচিত একতরফা কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টিকে জটিল না করে তোলা। আমাদের উচিত আলোচনা এবং সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্যের নিরসন করা। একত্রে শান্তি এবং সুস্থিতি বহাল রাখা। কাশ্মিরের জি-২০ সম্মেলনে কি তাহলে চীন নেবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন চিনা মুখপাত্র। ঝাও বলেছেন, আমরা বৈঠকে অংশ নেবো কি নেবো না, সে বিষয়ে ভেবে দেখা হবে। ঝাও বলেছেন, সংশ্লিষ্ট সব রাষ্ট্রের কাছে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে মন দিতে। বিষয়গুলো নিয়ে রাজনীতি না করতে। তাহলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা যাবে। কাশ্মিরে জি-২০ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের ওপরে চাপ বাড়াতে চাইছে ভারত। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মিরের উন্নয়নের বার্তাও দিতে চাইছে ভারত। গুঞ্জন আছে চীনের পাশাপাশি সৌদি আরব, তুরস্ককেও সম্মেলন রুখতে পাশে পেতে চাইছে ইসলামাবাদ।


আরো সংবাদ


premium cement