২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১৫ মাঘ ১৪২৮, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩
`

‘ইউরোপে ইসলামোফোবিয়া ও বর্ণবাদ এখনো বড় সমস্যা’

জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেলের সাথে এরদোগানের বৈঠক
-

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান বলেছেন, বর্ণবাদ, ইসলামোফোবিয়া, বিদেশীদের প্রতি আতঙ্ক ও বৈষম্য এখনো ইউরোপে বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। শনিবার তুরস্ক সফররত জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেলের সাথে বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি। প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, ইউরোপে অবস্থান করা তুর্কি জনগোষ্ঠী এই বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হয়ে আসছেন। ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে সব ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ ও বর্ণবাদী হামলার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান এরদোগান।
এর আগে শনিবার জার্মানির বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল তার সর্বশেষ তুরস্ক সফরে ইস্তাম্বুলে আসেন। ইস্তাম্বুলে প্রেসিডেন্টের বাসভবন হুবের ম্যানশনে তিনি প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগানের সাথে বৈঠক করেন। দুই নেতার মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক হয়। বৈঠকের পর ইস্তাম্বুলের দোলমাবাহচে প্যালেসে এরদোগান ও অ্যাঞ্জেলা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলনে এরদোগান বলেন, তুরস্কের সাথে সম্পর্ক রক্ষায় অ্যাঞ্জেলার ‘বিশ্বাস ও অবদানকে’ তুরস্ক স্মরণে রাখবে।
তিনি বলেন, ‘সিরিয়া থেকে অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধ করা থেকে শুরু করে উত্তর সিরিয়ায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানোসহ বিভিন্ন বিষয়েই উদ্যোগ গ্রহণ ও দায়িত্ব নেয়া থেকে পিছিয়ে থাকেননি অ্যাঞ্জেলা ।’ এরদোগান আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্ব থেকে অবসরের পরেও অ্যাঞ্জেলা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে অবদান রাখবেন। একই সাথে নতুন জার্মান সরকারের সাথে বিদায়ী জার্মান চ্যান্সেলরের মতোই বিবিধ সফল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অপর দিকে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তুরস্কের প্রতি অব্যাহত সমর্থন দিয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা মানব পাচার বন্ধ করতে চাই। এই প্রয়োজনীয়তায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন তুরস্ককে সহায়তা দেবে।’ জার্মান চ্যান্সেলর সংবাদ সম্মেলনে জোর দিয়ে বলেন, তুরস্ক ও জার্মানি সর্বদাই এক স্বার্থে কাজ করেছে। তিনি বলেন, ‘সকলেই জানে আমাদের দুই দেশের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল।’

 


আরো সংবাদ


premium cement