২৭ জানুয়ারি ২০২১
`

থাইল্যান্ডে ছাত্র বিক্ষোভ দমনে পুরনো আইন প্রয়োগ

-

রাজতন্ত্রের আইন ফিরিয়ে এনে ছাত্রদের গ্রেফতারের চেষ্টা হচ্ছে থাইল্যান্ডে। ছাত্ররা অবশ্য তাতেও দমতে রাজি নন। আইন ছিল, কিন্তু তার ব্যবহার ছিল না। ছাত্র বিক্ষোভ থামাতে এবার সেই শতাব্দীপ্রাচীন আগ্রাসী আইনের ব্যবহার শুরু করল থাইল্যান্ড সরকার। একের পর এক বিক্ষোভকারীকে শমন পাঠানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা আইনত দণ্ডনীয়। ছাত্ররা অবশ্য সরকারের এই নতুন আগ্রাসনে এতটুকু বিচলিত নন। তারা জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রেফতার করেও তাদের আন্দোলন থামানো যাবে না।
গত প্রায় তিন বছর থাইল্যান্ডে আইনটির কোনো ব্যবহারই হয়নি। গত বেশ কিছু দশক ধরে এই আইনের কার্যত কোনো প্রয়োগ নেই থাইল্যান্ডে। বহু যুগ আগে এই আইন তৈরি হয়েছিল, যাতে বলা হয়েছিল, রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকে শাস্তি দেয়া হবে। ১৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। কিন্তু গণতান্ত্রিক সরকার কখনোই এই আইনের সেভাবে ব্যবহার করেনি।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং রাজার ক্ষমতা কমানোর দাবি নিয়ে গভর্নমেন্ট হাউজের দিকে যাচ্ছিল ‘গণতন্ত্রপন্থীদের’ মিছিল। এ সময় আন্দোলনরতদের এক নেত্রী তিন দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পদত্যাগ না করলে আন্দোলন আরো দীর্ঘ হবে। এর কিছুক্ষণ পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত কয়েক মাস ধরে তীব্র বিক্ষোভ চলছে ব্যাংককে। রাস্তায় নেমেছেন ছাত্ররা। তাদের দাবি, রাজতন্ত্রের ক্ষমতা কমাতে হবে। সংবিধান সংশোধন করতে হবে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের কথাও তারা বলছেন। এই দাবিগুলো নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে রাজপথ দখল করেছেন ছাত্ররা।

 



আরো সংবাদ