০৫ ডিসেম্বর ২০২০
নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধ

রাশিয়ার জড়ানোর বিরুদ্ধে আজারবাইজানের হুঁশিয়ারি

-

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে গতকাল রোববারও সঙ্ঘাত অব্যাহত ছিল এবং দু’পক্ষই এ সঙ্ঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাথধানে বাধা সৃষ্টির জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছে। তা ছাড়া এ যুদ্ধে রাশিয়ার জড়িত হওয়ার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।
এ দিকে আজারবাইজান দাবি করেছে, তারা আর্মেনিয়ার একটি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে। শনিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে এ ব্যাপারে আর্মেনিয়ার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পুরনো সঙ্ঘাত গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে আবার শুরু হয়। এরই মধ্যে সঙ্ঘাতে কয়েক শ’ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
সঙ্ঘাত নিরসনে এখন পর্যন্ত মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে রাশিয়া। তবে মস্কোর উদ্যোগে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান দু’টি অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে পৌঁছার পরও লড়াই থামেনি। সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সঙ্ঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আজারবাইজানের দাবি, শনিবার সীমান্তের উপর দিয়ে গুবাদলির দিকে আর্মেনিয়ার একটি যুদ্ধবিমান যাচ্ছিল। সে সময় বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে তারা। একই দিনে আঘধেরে অঞ্চলে আর্মেনিয়ার একটি ড্রোনও ধ্বংসেরও দাবি করেছে আজারবাইজান।
নাগরনো-কারাবাখের স্বাধীন প্রশাসন যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির একটি হিসেব দিয়েছে। তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৮৭৪ জন সেনা এবং ৩৭ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে শুধু নাগরনো-কারাবাখে। আজারবাইজান জানিয়েছে, সেখানে ৬১ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের তরফ থেকে সেনা মৃত্যুর কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি। আর্মেনিয়া কিছু দিন আগে জানিয়েছিল, যুদ্ধে হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ দিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন বলেছেন, তার কাছে যা খবর, তাতে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

 


আরো সংবাদ