০৩ ডিসেম্বর ২০২০

লিবিয়ায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি

জাতিসঙ্ঘের উপ-বিশেষ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে হাত মিলাচ্ছেন লিবিয়ার আরব বাহিনীর প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলামামি (বামে) ও জাতীয় ঐক্য সরকারের প্রতিনিধি আহমদ আলী আবুশাহামা : এএফপি -

জাতিসঙ্ঘের উদ্যোগে লিবিয়ার দুই পক্ষ ‘স্থায়ী’ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। জেনেভায় পাঁচ দিন আলোচনার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া নিয়ে এমন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত এলো। গতকাল শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লিবিয়ায় জাতিসঙ্ঘের মিশন। এতে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। তাতে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের পর উৎসব দেখা যায়।
শুক্রবার জাতিসঙ্ঘ জানিয়েছে, লিবিয়ায় যুদ্ধরত উভয় পক্ষের সামরিক প্রধানরা আলোচনার মধ্য দিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। একে ঐতিহাসিক চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসঙ্ঘ। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ চলা দেশটিতে শান্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। শান্তিচুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছেন জাতিসঙ্ঘের দূত স্টিফেন টুরকো উইলিয়ামস। এতে স্বাক্ষর করেছে খলিফা হাফতারের বাহিনী এলএনএ এবং ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার জিএনএ। ক্ষমতার প্রক্রিয়া কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে আগামী মাসে তিউনিসিয়ায় বসবে দুই পক্ষ।
এখনো জাতীয় পর্যায়ে এই চুক্তির প্রভাব লক্ষ করা যায়নি। দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ রয়েছে। তবে পুরোপুরি শান্তিকালীন সময়ের মতো অবস্থায় পৌঁছাতে সময় লাগবে এমন ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, বিদেশী যোদ্ধা এবং বন্দীদের বিষয়ে দুই পক্ষ কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। দেশটির অধিকাংশ অঞ্চল এলএনএর দখলে চলে গিয়েছিল। এমনকি রাজধানী ত্রিপোলির একেবারে কাছে তার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়। এর মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয় জাতিসঙ্ঘ। যার প্রেক্ষিতে জেনেভায় জিএনএ ও এলএনএ প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেন।
লিবিয়ার জাতিসঙ্ঘ মিশন জানায়, লিবিয়ার দলগুলো দেশজুড়ে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে। লিবিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির দিকে যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন এটি। ২০১১ সালে আরব বসন্তের মধ্য দিয়ে সিরিয়ার মতো লিবিয়াতেও গৃহযুদ্ধে সূচনা হয়। ন্যাটো সমর্থিত বাহিনী লিবিয়ার দীর্ঘসময়ের নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলছে।
কয়েক বছরের সঙ্ঘাতের পর জাতিসঙ্ঘের সহায়তায় সরকার গঠিত হয় লিবিয়ায়। রাজধানী ত্রিপোলিভিত্তিক এ সরকারের লক্ষ্য ছিল দেশকে এক করা। কিন্তু সবাই এতে সম্মত হয়নি এবং জেনারেল হাফতার নিজেই ক্ষমতা চান। তিনি তবরুক ও বেনগাজি শহরকে ভিত্তি করে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) গঠন করেন এবং ত্রিপোলি সরকারের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যান।


আরো সংবাদ

ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা : সম্মিলিত ইসলামী জোট সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা (২০৮০৬)অপশক্তি মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : মামুনুল হক (২০৭৫৮)ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন কোনোক্রমে মেনে নেয়া যায় না : সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহ (১৭১৮৩)সৌদি আরবে ইমাম হোসাইন মসজিদটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ (১৫৩৭৬)জাতীয় সঙ্কট নিয়ে ৫ ডিসেম্বর শীর্ষ আলেমদের বৈঠক (১২৬৩১)আইএইএ’র বেশিরভাগ পরিদর্শক সিআইএ’র গুপ্তচর : ইরান (৬৫৭৬)বাউল শিল্পী রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি (৬৫৫৮)ভাস্কর্য নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা বন্ধ করে ক্ষমা না চাইলে জনগণ জবাব দেবে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী (৫৯৮৭)স্টেডিয়ামগুলোকে জেলে রূপান্তরের অনুমতি না দেয়ায় কেজরিওয়ালের ওপর ক্ষুব্ধ মোদি (৪৮৫৩)৬১ পৌরসভার ভোট ১৬ জানুয়ারী (৪২২৬)