২৯ মার্চ ২০২০

খাশোগি হত্যায় ২ সৌদি কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করেছে তুরস্ক

-

ইস্তাম্বুলের সরকারি কৌঁসুলি অফিস জানিয়েছে, সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার ঘটনায় ২০ জন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে তারা একটি অভিযোগপত্র প্রস্তুত করেছে। এদের মধ্যে সৌদি আরবের একজন সাবেক গোয়েন্দা উপপ্রধান এবং একজন সাবেক রাজকীয় উপদেষ্টা রয়েছেন।
২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসুলার অফিসে প্রবেশ করার পর নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানালেও তার লাশের হদিস জানাতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় গোটাবিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এবং ওই ঘটনায় সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) ইমেজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কিছু পশ্চিমা সরকার, পাশাপাশি সিআইএ বলেছে যে তারা বিশ্বাস করে এমবিএস হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, যদিও সৌদি কর্মকর্তারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এমনকি তুর্কি কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, সৌদি আরবের শীর্ষপর্যায় থেকে নির্দেশের পরই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তুর্কি রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা জানিয়েছে, এ অভিযোগপত্রে সৌদি আরবের গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক উপপ্রধান আহমেদ আল-আসিরি এবং রাজকীয় আদালতের সাবেক উপদেষ্টা সৌদ আল-কাহতানিকে ‘ভয়ানক উদ্দেশ্য নিয়ে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার প্ররোচনা দেয়ার’ জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। এতে আরো ১৮ জনকে খাশোগি হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজনদের মোবাইল ফোন রেকর্ড, তুরস্কে প্রবেশ ও প্রস্থানের রেকর্ড এবং দূতাবাসে উপস্থিতি, সাক্ষীর বক্তব্য এবং খাশোগির ফোন, ল্যাপটপ ও আইপ্যাডের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
সৌদি আরবের তথ্য মন্ত্রণালয় অভিযোগের তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। গত ডিসেম্বরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ১১ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিনজনকে ২৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে সৌদির একটি আদালত।

 


আরো সংবাদ