০৯ এপ্রিল ২০২০

তিউনিসিয়ায় নতুন নির্বাচনের আশঙ্কার মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদের নাম প্রস্তাব পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আন্নাহদার প্রত্যাখ্যান

-

তিউনিসিয়ার মনোনীত প্রধানমন্ত্রী ইলিয়াস ফখফখ গত শনিবার নতুন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং বলেছেন, আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এ দিকে পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আন্নাহদা পার্টি ফখফখের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রস্তাবিত সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে পার্লামেন্টের অনুমোদন পেতে হবে। সেটি না পেলে নতুন নির্বাচন হবে। উল্লেখ্য, তিউনিসিয়ার পার্লামেন্ট গভীরভাবে বিভক্ত। নিজার ইয়াইচকে অর্থমন্ত্রী, নুরুদ্দিন এরেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইমাদ হাজগুইকে প্রতিরামন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করে মন্ত্রিপরিষদের একটি তালিকা প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের কাছে জমা দিয়েছেন ফখফখ।
তবে বৃহত্তম দলগুলো হয় ফখফখের জোটের বিরোধিতা করছে অথবা মন্ত্রিপরিষদের গঠন সম্পর্কে অনুৎসাহী। যেকোনো উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিশালী পার্লামেন্টারি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ফখফখকে কঠিন প্রচেষ্টা চালাতে হতে পারে।
এদিকে আন্নাহদা পার্টি বলেছে, তারা কেবল একটি ঐক্য সরকারে যোগ দেবে, যা তিউনিসিয়ার সব শ্রেণীর রাজনৈতিক দলকে একটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড় করাবে। ফখফখ বলেছেন, ‘আন্নাহদার সিদ্ধান্ত দেশকে একটি কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলবে।’
৩৮টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল কালব তিউনিস বা হার্ট অব তিউনিসিয়াও বলেছে, প্রধানমন্ত্রীকে জোট থেকে বাদ দেয়ার পর তারা সরকারকে সমর্থন করবে না। তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট সাবেক পর্যটন ও অর্থমন্ত্রী ইলিয়াস ফখফখকে দেশের পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন। আন্নাহদা এর আগে হাবিব জামালিকে এ কাজের জন্য মনোনীত করেছিল। জানুয়ারির শুরুতে তিউনিসিয়ান পার্লামেন্টে হাবিব জামালি প্রস্তাবিত সরকার আস্থাভাজন ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়।
পরের সপ্তাহে যদি ফখফখের প্রস্তাবও পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হয় তবে নতুন পার্লামেন্ট নির্বাচন অবশ্যই তিন মাসের মধ্যে আয়োজন করতে হবে। আন্নাহদার সিনিয়র সদস্য আব্দুল করিম হারুনি এএফপিকে বলেছেন, ‘আন্নাহদা সরকার আস্থা ভোটে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
ফখফখ ইতোমধ্যে এমন একটি সরকারের নামকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা কেবল তিউনিসিয়ার ২০১১ সালের বিপ্লবের ল্যগুলোর সাথে একত্রিত হওয়া দলগুলোর প হিসেবে বিবেচিত হবে এবং দুর্নীতির মূলোৎপাটনে কাজ করবে।

 


আরো সংবাদ