Naya Diganta

ইতিহাস গড়তে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

ইতিহাস গড়তে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

ইতিহাস গড়ার লক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ভারতকে ধবলধোলাইয়ের সুযোগ টাইগারদের সামনে। ইতোমধ্যে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এবার ভারতে ‘বাংলাওয়াশ’ দেয়ার লক্ষ্য লিটন বাহিনীর। এই লক্ষ্যে আজ বেলা ১২টায় চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হবে টাইগাররা।

নাটকীয়তার জন্মদিয়ে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ১ উইকেটে ও দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলে টাইগাররা। সিরিজে জয় পাওয়ায় বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে বাংলাদেশ। আত্মবিশ্বাসী দলটা এবার ভারতকে ধবলধোলাইয়ের অপেক্ষায়।

এমন দিনও দেখতে হবে, তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবেনি ভারত। বাংলাদেশের মতো দলের বিপক্ষে সর্বজয়ী ভারতকে খেলতে হচ্ছে সম্মান বাঁচাতে, ধবলধোলাই থেকে রক্ষা পেতে। ২০১৫ সালেও এমন সুযোগের দেখা মিললেও শেষ পর্যন্ত সেবার সিরিজ জয়ের সুখ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় বাংলাদেশকে। তবে এবার নিশ্চয়ই সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে না টাইগাররা।

সব থেকে বড় সুযোগ করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের চোট। বুমরাহ, জাদেযা, ভুবনেশ্বর কুমার আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন। খেলতে এসে দলছুট হয়েছেন আরো চারজন। রিশভ পান্তের পর অধিনায়ক রোহিত শর্মা, কুলদিপ সেন ও দীপক চাহার ছিটকে গেছেন সিরিজ থেকে।

এই চারজনের বদলে স্পিনার কুলদীপ যাদবকে দল। তবে এখানে বড় একটা কূটচাল চেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচে মিরপুরে স্পিন বান্ধব পিচে খেলার পর এবার চট্টগ্রামের পিচে ভিন্ন ফ্লেভার আনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘাসে ঢাকা পেস বান্ধব পিচে খেলবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। মাঠ দেখে মনে হতেই পারে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার কোনো পিচ হবে।

এদিকে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যবধান ক্রমশঃ কমিয়ে আনছে বাংলাদেশ দল। ভারতের বিপক্ষে ৩৮টি মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশের জয় ৭টি। স্বাভাবিকভাবেই মনে হবে, বাংলাদেশ ঢের পিছিয়ে। তবে ২০১৫ বিশ্বকাপের পর দেখায় বাংলাদেশের জয় ৪টি। এই সময়ে ভারত যে ৫টি ম্যাচ জিতেছে, তার ২টিতে বাংলাদেশ হেরেছে কঠিন লড়াই শেষে।

আজ ভারতকে হারাতে পারলে ১৬তম বার প্রতিপক্ষকে হোয়াইট ওয়াশের উৎসব করবে বাংলাদেশ। এমন সুযোগ অপচয় করতে চায় না বাংলাদেশ দল। দলের ফিল্ডিং কোচ শেন ম্যাকডরমেট এমন দাবিই করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজটা এখনো শেষ হয়নি। ৩-০ ব্যবধানে কখনো ভারতকে হারাইনি। এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা যখন ৩-০ ব্যবধানে জিতবো, তখন অবশ্যই নিজেরা গর্ব করতে পারব।’