Naya Diganta

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কম্বোডিয়ার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সঙ্কটের স্থায়ী সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানভুক্ত রাষ্ট্রগুলোতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন গতকাল কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাকশোকহনের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন। তিনি আসিয়ানের চেয়ারম্যানশিপ গ্রহণ এবং মিয়ানমার বিষয়ক আসিয়ানের বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
এর আগে ড. মোমেন সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে টেলিফোনে আলাপকালে রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান ও তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। মিয়ানমার ১১ জাতি আসিয়ানের অন্যতম সদস্য। সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, তিমুর ও লাউসকে নিয়ে আসিয়ান গঠিত।
প্রাকশোকহনের সাথে টেলিফোনে আলাপকালে দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, কম্বোডিয়ার সাথে সম্পর্ককে বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। আসিয়ানের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদার সাথে ফেরত পাঠাতে কম্বোডিয়ার হাতে চমৎকার সুযোগ এসেছে। রোহিঙ্গা সঙ্কট দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশ, মিয়ানমারসহ পুরো অঞ্চল জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, আন্তঃসীমান্ত অপরাধসহ নানাবিধ নিরাপত্তাঝুঁকিতে পড়বে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।