Naya Diganta

পরীমণির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ৫ জানুয়ারি

পরীমণির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন-পরীমণি-মাদক মামলা-চিত্রনায়িকা পরীমণি-আদালত

মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলার অপর আসামিরা হলেন আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেন।

আজ রোববার ঢাকা-১০ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইয়ুবুর রহমান মারা যাওয়ায় পূর্ণ দিবস মুলতবি থাকায় আদালত অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন।

এর আগে ১৪ ডিসেম্বর একই আদালতে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন পরীমণি অসুস্থ হওয়ায় আদালতে উপস্থিত হননি। এজন্য তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ২ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বলেন, পরীমণির মামলায় আজ অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। পরীমণি হঠাৎ ভার্টিগো রোগে আক্রান্ত হওয়ায় সময়ের আবেদন করা হয়। আদালত এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

১৫ নভেম্বর নায়িকা পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। একইসঙ্গে মামলাটি বিশেষ জজ আদালত ১০-এ বদলি করা হয়।

গত ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল আদালতে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

তার আগে গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে প্রতিবেদন দাখিল হওয়া পর্যন্ত পরীমণির জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্ত হন এ চিত্রনায়িকা।

গত ৪ আগস্ট সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীমণিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন ৫ আগস্ট বিকেলে পরীমণি, চলচ্চিত্র প্রযোজক রাজ ও তাদের দুই সহযোগিকে বনানী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর র‌্যাব বনানী থানায় পরীমণি ও তার সহযোগি দীপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে। সেই মামলায় পরীমণিকে আদালতে হাজির করা হলে প্রথমে চারদিনের রিমান্ড ও পরে আরও দুই দফায় তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পরীমণি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এজন্য তিনি বাসায় একটি ‘মিনিবার’ তৈরি করে নিয়মিত ‘মদের পার্টি’ করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজসহ আরও অনেকে তার বাসায় অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের সরবরাহ করতেন ও পার্টিতে অংশ নিতেন।

সূত্র : বাসস