Naya Diganta

বিচার পাওয়ার আন্দোলনে সাংবাদিকরা

কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভিনের লঘুদণ্ডও রাষ্ট্রপতির বিশেষ দয়ায় মাফ করা হয়েছে। সুলতানার নির্দেশে জেলার একজন সাংবাদিককে মধ্যরাতে গুরুতর নির্যাতন করার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। ওই সময় এ ধরনের একটি বেআইনি কাজ করায় সুলতানা পারভিন ও স্থানীয় প্রশাসনে তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রবল প্রতিবাদ ওঠে। ত্বরিত তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। প্রশাসনের নড়াচড়া দেখে মনে হয়েছিল, ন্যক্কারজনক এক অপরাধ তিনি ও তার সহকর্র্মীরা করেছেন এবং এর উপযুক্ত শাস্তি এরা সবাই পাবেন। দেড় বছরের মাথায় শাস্তি মওকুফ হওয়ার পর বোঝা যাচ্ছে প্রশাসন প্রকৃতপক্ষে এমন নিষ্ঠুর বেআইনি কাণ্ডকে লঘু বা হালকা ব্যাপার হিসেবে দেখছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে এই লঘুদণ্ডটিও একেবারে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ ব্যবহার করে মওকুফ করে দেয়া হয়েছে।

সুলতানার অপরাধটি কেমন ছিল, আমরা একনজর স্মরণ করে দেখতে পারি। তখনকার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিবরণে জানা যাচ্ছে, বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগ্যানের বাসায় গভীর রাতে হামলা চালান প্রশাসনের লোকেরা। দরজা ভেঙে তারা তার বাসায় প্রবেশ করে। কোনো কথাবার্তা ছাড়াই তাকে মারধর শুরু করে। প্রশাসনের লোকেরা জোরপূর্বক তাকে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে তুলে আনে। এখানে শুরু হয় তার ওপর নির্মম নির্যাতন। বিবস্ত্র করে তার ওপর অত্যাচারের ভিডিও করা হয়। তার স্ত্রী সেই সময় ডয়েচে ভেলে বাংলাকে জানান, কেন আমার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে আমরা জানি না। দরজা ভেঙে সাত-আটজন লোক বাসায় ঢোকে। এর পরই পেটাতে শুরু করে। কী অপরাধে পেটানো হচ্ছে জানতে চাইলে আরো বেশি মারতে থাকে। ওই সময় তারা বলেছে, ‘তুই অনেক জালাইছিস’। তার স্ত্রী জানান, পরে কারাগারে তার সাথে দেখা করি। তখন সে দাঁড়াতে পারছিল না। আমাকে বলল, বিবস্ত্র করে পিটিয়েছে। দুটি কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে। মেরে তাকে স্বীকার করানো হয়েছে, অভিযানের সময় তার কাছ থেকে আধা বোতল মদ ও দেড় শ’ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে।’ ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জন্য তাকে এক বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

একজন সাংবাদিককে গভীর রাতে কেন ঘরবাড়ি ভেঙে তুলে আনা হচ্ছে আর কেনইবা নির্যাতন করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তির আদেশ দেয়া হচ্ছে সে কারণ জানা গেল পরে। স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ডয়েচে ভেলেকে তখন বলেন, গত বছরের মাঝামাঝি আরিফুল এক রিপোর্ট করে। রিপোর্টে তিনি জানান, জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভিন একটি পুকুর সংস্কার করে নিজের নামে নামকরণ করতে চেয়েছিলেন। ওই সংবাদের পর তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন ডিসি।

ডিসি সুলতানা প্রশাসনে তার অধীনস্থদের দিয়ে সাংবাদিককে নির্যাতন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অবৈধভাবে শাস্তি দিয়েছিলেন কি না সে ব্যাপারে বিভাগীয় তদন্ত হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলি কদর তদন্ত শেষে মন্তব্য করেন যে, সুলতানা পারভিনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী আনা আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য তার শাস্তি দেয়া হয়েছে, দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা হবে। এ ঘটনায় তার সহযোগী হিসেবে জড়িত থাকায় আরো একজনের তিন বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। আরডিসি নাজিম উদ্দিনকে পদাবনতি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমাকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশে প্রশাসনের লোকদের দৌরাত্ম্য কোন পর্যায়ে রয়েছে সাংবাদিক আরিফের ওপর এ অন্যায় শাস্তির বহর থেকে তা অনুমেয়। এ দিকে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ার পরও শাস্তি দেখে আশ্চর্য না হয়ে পারা যায় না। ‘উচিত শাস্তি’ বলতে যে কথাটি প্রচলিত আছে তার সাথে কোনো মিল নেই। এটা যেন ডাকাতির অপরাধের শাস্তিস্বরূপ ‘আদর’ করে একটু বকে দেয়া হলো। গুরুতর শাস্তির বিধিবিধান যদি এমন হতো তাহলে মানবতা বহু আগে ধ্বংস হয়ে যেত। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, অপরাধের প্রধান হোতা যিনি, তার হয়েছে লঘু শাস্তি। ঘটনার এখানে শেষ নয়। বরং এর পরে ডিসি সুলতানার এই লঘুদণ্ডও যেভাবে মাফ হয়ে গেল সেটা চমকে যাওয়ার মতো।

সুলতানা তার এই দণ্ড মওকুফের জন্য চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। আবেদন বিবেচনা করে ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ড বাতিল করে রাষ্ট্রপতি তাকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ২৩ নভেম্বর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ডিসি সুলতানাকে মাফ করে দেয়ার পর দণ্ডিত অন্য তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তি প্রয়োগ করার নৈতিক অবস্থান থাকে না। অর্থাৎ তারাও মাফ পেয়ে যাবেন। শেষ পর্যন্ত একজন স্থানীয় সাংবাদিককে মধ্য রাতে বাড়ি থেকে ধরে এনে মারধর, ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বিচার করে দণ্ড দেয়া কোনো অপরাধের মধ্যেই পড়ল না। বাংলাদেশে অপরাধীদের সাধু সন্তদের মতো আদর পাওয়া বিস্মিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা নয়। বহু মানুষ আরো ভয়াবহ সব অপরাধ করে সিনা উঁচু করে বুক চেতিয়ে সমাজে বসবাস করছেন। আবার বহু নিরপরাধ কোনো কারণ ছাড়াই গুরুদণ্ড বহন করে চলছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিবেচনায় এ দেশে মানুষের বিচার পাওয়ার ফলে, অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এতিমের অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় বড় ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকেও তিনি স্বাধীনভাবে চিকিৎসা নিতে দেশের বাইরে যেতে পারছেন না।

সাংবাদিক আরিফের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধে দণ্ডিত সাবেক ডিসির শাস্তি মওকুফ হয়ে যাওয়ার পর কিছু সাংবাদিকের মধ্যে কিছুটা সচেতনতা লক্ষ করা গেল। অন্তত একজন সাংবাদিক নেতা স্বপ্রণোদিত হয়ে দেশের প্রধান একটি দৈনিকে বিস্তারিত লিখেছেন। তিনি এ ধরনের ক্ষমার বিষয়টি মোটেও মানতে পারছেন না যে, সুলতানাকে কেন ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রপতি। অন্য দিকে রাষ্ট্রপতিও তার খুব প্রিয়। লেখার শুরুতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদের সাংবাদিকবান্ধব চরিত্রের জন্য সাধুবাদ দিয়েছেন তিনি। লেখার শেষে এসে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্ত দেশে ও বিদেশে এ রকম একটি ভুল বার্তা দিলো যে, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের কোনো বিচার হয় না। বার্তাটি বিপজ্জনক এ কারণে যে, দেশে সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের মাত্রাটা আরো বাড়বে। বিশেষ করে দুর্নীতিবাজ রাজনীতিক ও আমলাদের যৌথ চক্র সাংবাদিক নির্যাতনে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে। কারণ, এ চক্রই সত্যসন্ধানী পেশাদার সাংবাদিকদের শত্রু মনে করে।’

সাংবাদিক নেতার এভাবে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত নিয়ে সাহসী লেখনী প্রশংসনীয়। তিনি তার বিস্তারিত লেখায় সাংবাদিক আরিফের নির্যাতন এবং ডিসি সুলতানা ও তার সহযোগীদের অপরাধের চিত্রটি ব্যাখ্যা করেছেন। এক পর্যায়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘আমাদের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদের ৪৯ নম্বর ধারায় রাষ্ট্রপতিকে যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করার সুযোগ হয়তো নেই, কিন্তু তার এ সিদ্ধান্তে সাংবাদিক সমাজ যে আহত, ক্ষুব্ধ, অপমানিত ও হতবাক; বেদনায় ভরা এ প্রতিক্রিয়া জানানোয় নিশ্চয়ই কোনো বাধা নেই।’
জনপ্রিয় এ সাংবাদিক নেতা সাংবাদিক সমাজের পক্ষে দাঁড়াবেন এটাই স্বাভাবিক। এটি তার পেশাগত অবস্থান ও কমিউনিটির অবস্থান থেকে যথার্থ। বাংলাদেশে বিচার পাওয়ার অধিকার ও অপরাধীদের প্রতি আচরণের যে নীতি বিগত এক যুগ ধরে গ্রহণ করা হয়েছে সেটা বহু মানুষকে আহত, ক্ষুব্ধ, অপমানিত ও হতবাক করেছে। ডিসি সুলতানার দণ্ড মওকুফ হয়ে যাওয়ার পর সাংবাদিক আরিফের মনেও এই বঞ্চনা জেগে ওঠা স্বাভাবিক। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে এই সাংবাদিকের লেখা তাকে কিছুটা সান্ত্বনা দেবে নিশ্চয়ই। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের একেবারে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমার আরো বেশ কিছু নজির এর আগে তৈরি হয়েছে। ওইসব ক্ষমা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২০০০ সালে লক্ষ্মীপুরে ক্ষমতাসীন দলের পৌর মেয়রের পুত্র বিপ্লব জেলা বিএনপির নেতা অ্যাভোকেট নুরুল ইসলামকে হত্যা করে। এর বিচারের বিপ্লবের মৃত্যুদণ্ড হয়। ২০১১ সালে তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি তার মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে দেন। তার আগে ২০১০ সালে বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস দুলুর ভাতিজা যুবদল নেতা গামাকে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যুদণ্ড হলো। ২০১০ সালে তাদের ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড রাষ্ট্রপতি মওকুফ করে দেন। তারপর ফ্রিডম পার্টির নেতা মোস্তফা হত্যায় জোসেফকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। ২০১৮ সালে তিনিও রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে যান। তারপর ফরিদপুরের আসলাম ফকির তার প্রতিপক্ষ সাহেদ আলীকে হত্যা করেন। ২০১৪ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগের দিন তিনি রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পান। এর পরে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন। গত বছর তিনি আরেক প্রতিপক্ষকে খুন করেছেন।

একজন মানুষকে যখন অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয় তার বিচার পাওয়ার অধিকার তার পরিবারের রয়েছে। পৃথিবীর প্রত্যেকটি সমাজে এর স্পষ্ট বিধান রয়েছে। সাধারণত জলজ্যান্ত একজন মানুষ খুন হলে পরিবারের বাকি সদস্যরা ভয়াবহ মর্মপীড়ায় ভোগেন। এ পীড়া থেকে উদ্ধার হওয়ার কোনো পথ তাদের থাকে না। কেবল অপরাধী ব্যক্তির শাস্তির মাধ্যমে তাদের সেই পীড়া কিছুটা লাঘব হতে পারে। প্রথম ঘটনাটির সময় যদি রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়া যেত, অপরাধীদের দ্বারা যারা হত্যার শিকার হয়েছেন তাদের মনোপীড়াটি কত বড়, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন কিছু হতেও পারত। ফরিদপুরের আসলাম ফকিরের দণ্ড মওকুফ করার ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে তিনি যখন আবার আরেকজনকে খুন করে বসেন তখন।

হক কথা স্মরণ করানোর মানুষ সমাজে থাকতে হয়। সাংবাদিক আরিফের মার খাওয়া ও লাঞ্ছিত হওয়ার চেয়ে খুন করে মাফ পাওয়ার ঘটনাগুলো কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় দণ্ড মওকুফ পাওয়ার প্রত্যেকটি ঘটনা সংবাদমাধ্যমে চুলচেরা বিশ্লেষণ হতে পারত। কিছু ক্ষমা কী কারণে মানবতার জন্য খারাপ পরিণাম বয়ে আনতে পারে সে পূর্বাভাস দেয়া যেত। ওই কাজটির দায়িত্ব¡ সাংবাদিকদের কম নয়। একটি সমাজে কেবল একটি শ্রেণী আলাদাভাবে নিজেদের রক্ষা করতে পারে না। আপাতত কিছু শ্রেণী রাষ্ট্রযন্ত্রের নিপীড়নের শিকার হলেও অপর কিছু শ্রেণী যদি মনে করে, আমরা তো নিরাপত্তার মধ্যে রয়েছি, এমন ভাবনা সঠিক নয়। রাষ্ট্রযন্ত্র একটি মানবদেহের মতো। এর একটি কোষ ক্যান্সার আক্রান্ত হলে এর পাশের কোষগুলোতে তা সংক্রমিত হবে। তাই প্রথম কোষটি আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে সেটাকে সংক্রমণমুক্ত করতে হবে।

বাংলাদেশে বিচার পাওয়ার অধিকারের বিষয়টি এখন ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। বিচারব্যবস্থাকে সঙ্গতির ওপর দাঁড় করাতে হলে অনেক বড় সংস্কার দরকার। এই সংস্কার আন্দোলনে সাংবাদিকদের অগ্রভাগে ভ‚মিকা পালন করতে হবে। কেবল নিজেদের কমিউনিটি আক্রান্ত হলে কথা বলব- এমন চিন্তাকে প্রসারিত করতে হবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার খাতিরেই। সমাজের ব্যাপক মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা না গেলে সাংবাদিকরা আলাদা করে নিজেরাও রক্ষা পাবেন না। এ ব্যাপারটি বাংলাদেশে ইতোমধ্যে প্রমাণ হয়ে গেছে। সাংবাদিকরা সেটা কড়ায় গণ্ডায় বুঝতে পেরেছেনও।
jjshim146@yahoo.com