Naya Diganta

আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের নতুন দূত নিয়ে সিদ্ধান্তহীন জাতিসঙ্ঘ

আফগানিস্তানে তালেবান ও মিয়ানমারের জান্তা সরকার জাতিসঙ্ঘের কাছে তাদের দূত বদলের অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু জাতিসঙ্ঘ এখনো তাদের অনুরোধ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে তালেবান ও মিয়ানমারে জান্তা সরকারের অনুরোধ মানার ক্ষেত্রে দেরি করছে জাতিসঙ্ঘ। জাতিসঙ্ঘের ক্রেডেন্সিয়াল কমিটির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, যত দিন সিদ্ধান্ত না হচ্ছে, তত দিন আগের সরকারের নির্বাচিত দূতরাই
কাজ চালাবেন।
মিয়ানমারের সেনাশাসকরা জাতিসঙ্ঘের বর্তমান দূতকে সরিয়ে দিয়ে সাবেক সেনা অফিসার অং থুরেইনকে চায়। সু চির নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। সু চির বিরুদ্ধে তারা একাধিক অভিযোগ এনেছে। সু চির বিচারও চলছে। মিয়ানমারের বর্তমান দূত কিও মো টুন সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করেছেন জাতিসঙ্ঘে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, টুনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু জাতিসঙ্ঘ সেই সিদ্ধান্ত এখনো মানেনি।
তালেবানও আগের সরকারের নিয়োগ করা দূতকে সরিয়ে মোহাম্মদ সুহেল শাহিনকে জাতিসঙ্ঘের দূত হিসাবে নিয়োগ করেছে। কিন্তু জাতিসঙ্ঘ তালেবানের সিদ্ধান্তও এখনো মানেনি। তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখল করে গত আগস্টে। তারপর থেকে তারা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাইছে। কিন্তু জাতিসঙ্ঘের সেক্রেটারি জেনারেল গুতেরেস জানিয়েছেন, তালেবান তখনই স্বীকৃতি পাবে, যখন তারা আফগানিস্তানে মানবাধিকার রক্ষা করবে।