Naya Diganta

১৩ ব্যাংক থেকে ইভ্যালির লেনদেন ৩৮৯৮ কোটি টাকা

ব্যাংক-ইভ্যালি-ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান-ই-কমার্স

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ১৩টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৬৭টি অ্যাকাউন্টের আনুষঙ্গিক দলিলাদি বিশ্লেষণ করেছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইভ্যালি ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট নামে প্রাপ্ত ৩৬টি হিসাবে (সঞ্চয়ী চলতি) মোট তিন হাজার ৮৯৮.৮২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ বিষয়ে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) কী পদক্ষেপ নিয়েছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পলিসি কী, তা জানতে হাইকোর্টে সংশ্লিষ্টদের দেয়া প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ বিষয়টি শুনানির জন্য রয়েছে।

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আদেশের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

হিসাবগুলোর লেনদেনের বিবরণী থেকে জানা গেছে, অ্যাকাউন্টগুলো থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমা পড়েছে প্রায় এক হাজার ৯৫৬.১৯ কোটি টাকা। এ সময়ে উত্তোলন করা হয়েছে প্রায় ১৯৪.৬৩ কোটি টাকা। আর ২০১৯ সালে সালের জুন থেকে ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেলিম রেজা, ফরিদ হোসোইন, তারিক রহমান রাকিবুর ৫০ কোটি টাকা নগদ উত্তোলন করেছেন।

এ বিষয়ে ইভ্যালির পরিচালনা পর্ষদের আইনজীবী মোরশেদ আহমেদ খান সংবাদিকদের বলেছেন ইতোমধ্যে নতুন বোর্ড ইভ্যালির দায়িত্ব গ্রহণ করে কার্যক্রম শুরু করেছে। কার্যক্রমের বর্ণনার পাশাপাশি এ ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা আছে, তা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। যার শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই আদেশ দিয়েছেন।