Naya Diganta

মালয়েশিয়ায় দূতাবাসের সেবা ব্যাহত, রাষ্ট্রদূতের দুঃখ প্রকাশ

করোনায় দূতাবাসের পাসপোর্ট ও অন্যান্য সেবা ব্যাহত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করলেন কুয়ালামপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো: গোলাম সারোয়ার। রোববার দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের লাইভে এসে এ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

এ ছাড়া মালয়েশিয়া প্রবাসীদের কাছে দ্রুত পাসপোর্ট পৌঁছে দেয়াসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে আরো উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার।

করোনাকালে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের নতুন ও পুরাতন মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রিনিউ করতে ছয় থেকে আট মাস সময় লাগছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরো বেশি সময় লাগছে। এতে প্রবাসীদের ভিসা রিনিউ ও নতুন বৈধকরণ প্রক্রিয়ায়ও অংশগ্রহণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক প্রবাসীর অভিযোগ ছিল পোসলাজুর (পোস্ট অফিস) মাধ্যমে পাসপোর্ট পেতে আবেদন করলে দু’মাসেও দূতাবাসের অনলাইনে জমা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে হাইকমিশনার লাইভে বলেন, বৈশ্বিক করোনা মহামারীর কারণে বাংলাদেশে সার্ভার ডাউন ও সম্প্রতি পাসপোর্ট আবেদন বেড়ে যাওয়ার কারণে পাসপোর্ট পেতে একটু সময় লেগেছে। তিনি বলেন, আমরা যেভাবে প্রবাসী ভাই বোনদের দ্রুত উন্নত সেবা দিতে চেয়েছি তা আমরা দিতে পারিনি। তাছাড়া বিগত দিনে বিভিন্ন ত্রুটি বিচ্যুতি হয়েছে।

এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, চেষ্টা করা হচ্ছে কিভাবে আরো দ্রুত মালয়েশিয়ায় থাকা প্রবাসীদের হাতে পাসপোর্টসহ অন্যান্য সেবা পৌঁছে দেয়া যায়।

তিনি দাবি করেন, গত এক বছরে দূতাবাস থেকে দুই লাখেরও বেশি পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ পাসপোর্ট বিতরণ করেছেন পোস্ট অফিসের মাধ্যমে। আগে যেখানে পাসপোর্টের আবেদন মাসিক চাহিদা ১০ হাজার ছিল, এখন তা বেড়ে ৩০ থেকে ৪০ হাজার হয়েছে। তাই চাহিদা বাড়লেও লোকবল বাড়েনি। সরকার চেষ্টা করছে ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে এর সমন্বয় করার।

এ সময় লাইভ উপস্থাপনা করেন দূতালয় প্রধান রুহুল আমিন ও লাইভে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মো: কেয়ামুদ্দিন।