Naya Diganta

তেজস্ক্রিয় বর্জ্য এবং ব্যবস্থাপনা

বিভিন্ন উৎস থেকে উৎপন্ন এমন সব পদার্থ যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাজে আসে না, তাই হলো বর্জ্য। বর্জ্য সাধারণত কঠিন, তরল, গ্যাসীয়, বিষাক্ত ও বিষহীন প্রধানত এই পঁাঁচ প্রকারের হয়ে থাকে। বর্জ্যকে আমরা আরো বিভিন্ন প্রকারে ভাগ করতে পারি যেমন পৌর বর্জ্য, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য, বিপজ্জনক বর্জ্য, শিল্প বর্জ্য, বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য প্রভৃতি। এগুলোর মধ্যে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য হলো এমন বর্জ্য, যাতে তেজস্ক্রিয় পদার্থ রয়েছে। তেজস্ক্রিয় বর্জ্যরে মূল উৎস হলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ শিল্প, পারমাণবিক ওষুধ, পারমাণবিক গবেষণা, পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন, পৃথিবী খনন, পারমাণবিক অস্ত্র আবার প্রসেসিং প্রভৃতি। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য জীবদেহে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় বিকিরণ মানবদেহে ক্যান্সারের জন্ম দেয়। দীর্ঘ দিন মাত্রাতিরিক্ত তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সংস্পর্শে থাকলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়, মানসিক বিকার এমনকি বিকলাঙ্গতাও দেখা দিতে পারে। এর ক্ষতিকর প্রভাব বংশপরম্পরায়ও পরিলক্ষিত হয়। যেমন- তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম হতে পারে। মানবদেহে রেডিও কোবাল্ট অতি উচ্চমাত্রায় গামা রশ্মি বিকিরণ করে। মানুষের শরীরে এর বিকিরণ ঘটলে দেহের কোষ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করে না। এর কোনো প্রতিষেধক বলতে গেলে নেই। তাই তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পদার্থ মানব সভ্যতার জন্য হুমকিস্বরূপ। আধুনিক যুগে সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। এই অগ্রগতি মানব সভ্যতাকে শুধু উন্নতির দিকেই নিয়ে যাচ্ছে না, বরং হুমকির মুখেও ফেলে দিচ্ছে।
কারণ পারমাণবিক গবেষণা, পারমাণবিক ওষুধ তৈরি, পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন প্রভৃতি যেমন উন্নতি বয়ে আনছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য। আর এই তেজস্ক্রিয় বর্জ্য যদি যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তা হলে সমগ্র মানব সভ্যতার জন্য তা হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বর্তমান সময়ের জন্য শুধু জরুরি নয়; বরং আলোচিত বিষয়ও বটে। আমরা জানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হলো বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পুনর্ব্যবহার ও নিষ্কাশনের সমন্বিত প্রক্রিয়া। তেমনিভাবে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করার জন্য কিছু বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি প্রয়োজন। তেজস্ক্রিয় জ্বালানি বর্জ্য অত্যন্ত সুরক্ষিত ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করতে হয়। এ জন্য এমন একটি বিচ্ছিন্ন স্থান প্রয়োজন হয়, যেখানে কখনো কোনোভাবে পানি যাবে না। সাধারণত মাটির অনেক নিচে জলাধার তৈরি করে সেখানে শক্তিশালী কনক্রিট দিয়ে ঘিরে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সংরক্ষণ করতে হয়। অনেক বছর ধরে তার ধারে কাছে কোনো মানুষের আনাগোনা চলে না। যদিও একসময় এই জ্বালানি আবার ব্যবহার করা যায়; কিন্তু এর সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা আলাদা একটি বিশেষায়িত স্থাপনা নির্মাণ ও সংরক্ষণ করার মতো।
বাংলাদেশে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : বাংলাদেশে কঠিন ও তরল তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সাধারণত গবেষণা, শিল্প, শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা প্রভৃতি থেকে উৎপন্ন হয়। বিভিন্ন উৎস থেকে উদ্ভূত তেজস্ক্রিয় বর্জ্যরে মধ্যে কিছু পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তা থাকে এবং এই বর্জ্য যদি যথোপযুক্তভাবে ব্যবস্থাপনা না করা হয়, তবে তা মানবদেহ ও পরিবেশের ওপর অনেক ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করবে। বিভিন্ন প্রকার কঠিন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য যেমন : আয়ন- এক্সচেঞ্জ রেজিন, গ্রাফাইট, ধাতব দ্রব্য, দূষণকৃত ভায়াল, হ্যান্ডস গ্লাভস, প্লাস্টিক সিরিঞ্জ, সু-কভার, প্রটেকটিভ ক্লথ, প্লাস্টিক ও মেটালিক তার প্রভৃতি অঊজও-এর বিভিন্ন বিকিরণ স্থাপনা থেকে উৎপন্ন হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সার কারখানা, পেপার মিল প্রভৃতি থেকে স্পেন্ট ও ডিসইউজড তেজস্ক্রিয় বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এ গুলোর মধ্যে কোবাল্ট-৬০, সিজিয়াম-১৩৪, সিজিয়াম-১৩৭, স্ট্রনশিয়াম-৯০, টেকনিশিয়াম-৯৯এম, এমারশিয়াম-২৪১, ফসফরাস-৩২ ইত্যাদি রেডিও নিউক্লাইড উল্লেখ্যযোগ্য। বাংলাদেশ পরমাণুশক্তি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ রয়েছে, যেখানে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অর্থ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য হ্যান্ডলিং, পরিবহন, প্রি-ট্রিটমেন্ট কন্ডিশনিং, স্টোরেজ ও ডিসপোজাল সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কর্মকাণ্ড উল্লেখ করা হয়েছে। তেজস্ক্রিয় পদার্থ ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্যরে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং পরিবেশ রক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্যপদার্থ ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়মিতভাবে বাস্তবায়ন করে চলেছে।
তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : এ কর্মসূচির মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও তেজস্ক্রিয় উৎসগুলোর নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত নিরাপদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনাও করে চলেছে এই ইউনিট।
কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সংরক্ষণাগার : উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্যগুলো চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত নিরাপদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ঢাকার সাভারে কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। ২০০৫ সাল থেকে অফিসিয়ালি এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের জন্য এ দেশের একমাত্র স্থাপনা, যা ১১৬৩ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতিও রয়েছে।
কঠিন ও তরল তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি : কঠিন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সংগ্রহের পর বাছাই করে কেন্দ্রীয় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণাগারের অন্তর্বর্তীকালীন গুদামে রাখা হয়। যেসব কঠিন বর্জ্যরে অর্ধায়ু অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলো ডিলেডিকের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। হাসপাতাল ও শিল্পকারখানা থেকে সংগৃহীত অপেক্ষাকৃত বেশি অর্ধায়ুর রেডিও নিউক্লাইড এবং যেগুলোর তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বেশি সেসব সিল্ড তেজস্ক্রিয় উৎসগুলো সিল্ডেড আধারে রেখে সংরক্ষণ করা হয়। তেজস্ক্রিয় পদার্থের নির্ভরযোগ্য আর কার্যকর পরিচালনার জন্য আইএইএর সহযোগিতায় সম্প্রতি একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক ‘তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রেজিস্ট্রি’ সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে এবং কার্যকরভাবে চলছে।
তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ডিসপোজাল-সংক্রান্ত কার্যক্রম : দেশে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ প্রয়োগ থেকে উৎপন্ন হবে বলে প্রত্যাশিত নিম্ন ও মধ্যম স্তরের বর্জ্য নিষ্পত্তি করার জন্য একটি উপযুক্ত সাইটের জন্য সাইট নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। সমগ্র বাংলাদেশ স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এলাকা জরিপ চলছে। কম্পিউটেশনাল কার্যক্রমগুলো বিভিন্ন ধরনের ক্যালকুলেশন কোড (এক্সপার্ট চয়েস, এএইচপি) ব্যবহার করেছে, যা একটি সম্ভাব্য নিষ্পত্তিযোগ্য স্থাপনার সাইট নির্বাচন করবে। বর্তমান সময়ে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য নিয়ে আলোচিত বিষয় হলো- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব ধরনের তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানির নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য নীতিমালা প্রণয়ণ করছে সরকার। বর্জ্য ও ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনার জন্য আরডব্লিউএমসি (রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি) নামে একটি কোম্পানি গঠন করার কথা বলা হয়েছে খসড়া নীতিমালায়। যেসব দেশ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি সংগ্রহ করা হবে, সেসব দেশেই ফেরত পাঠানো হবে পারমাণবিক জ্বালানি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনার চূড়ান্ত দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ সরকার। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সরকারের দায়িত্ব সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, সরকার বর্জ্য ও ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও নিয়ন্ত্রণ পরিকাঠামো প্রতিষ্ঠা করবে, যার ভিত্তিতে নিরাপদ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহকারী দেশের সাথে ব্যবহৃত জ্বালানি ফেরত পাঠানো ও এর ব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তবায়ন পদক্ষেপ গ্রহণ বিষয়ে আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তি করবে। দেশে উৎপাদিত সব তেজস্ক্রিয় বর্জ্য নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটিমাত্র স্বতন্ত্র নিষ্পত্তিকরণ স্থাপনার স্থান নির্ধারণ, নির্মাণ ও পরিচালনার বিধান থাকবে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বা গবেষণা চুল্লি থেকে পাওয়া পারমাণবিক জ্বালানি স্থাপনার কাছে সংরক্ষণ করতে হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত এর তেজস্ক্রিয় জ্বালানি সরবরাহকারীর কাছে ফেরত পাঠানোর মতো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ‘দূষণ করবে যে, টাকা দেবে সে’ নীতিতে উৎপাদিত তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আর্থিক দায়ভার বহন করবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ত্রুটিপূর্ণ জ্বালানি অ্যাসেম্বলি সিল্ড করা বাক্সে সংরক্ষণসহ পরমাণু চুল্লির কোর পরিচালন সময়কালে যেকোনো সময় আনলোড করতে হতে পারে এমন সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখেই ব্যবহৃত জ্বালানি সংরক্ষণ স্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা হবে, যাতে কমপক্ষে ১০ বছর ব্যবহৃত জ্বালানি সংরক্ষণ করা যাবে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় ইউরেনিয়াম-২৩৫। পারমাণবিক চুল্লিতে শতভাগ এটি ব্যবহৃত হয় না। যেটুকু অবশিষ্ট থাকে সেটিকেই বলে তেজস্ক্রিয় জ্বালানি বর্জ্য। এটি উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়। তাই পারমাণবিক চুল্লি থেকে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য অপসারণ করার পর তা বিশেষ অবস্থায় ৩০০ দিন সংরক্ষণ করতে হয়। এরপর তা পরিশোধন করার পর আবার কিছু ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারের পর আবার যে বর্জ্য তৈরি হয় তাও দীর্ঘকাল ধরে বিশেষ ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করতে হয়। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না গেলে তা থেকে ছড়িয়ে পড়া তেজস্ক্রিয় বিকিরণ অনেক বছর ধরে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে রূপপুর। এটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল প্রয়োজন। সে জন্য নিয়োগ পাওয়া জনবলের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জরুরি। যেহেতু এটি একটি সংবেদনশীল বিষয়, তাই এ ক্ষেত্রে দক্ষ লোক নিয়োগ জরুরি।
দেশে যারা তেজস্ক্রিয় বর্জ্য নিয়ে গবেষণা করছেন এবং পরিবেশ প্রকৌশলী রয়েছেন তাদেরকে এ ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত হবে। তা ছাড়া সরকার এ বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ ও অন্যান্য গবেষণা সংস্থাকেও এ ক্ষেত্রে আরো গবেষণা করার সুযোগ করে দিতে পারে।
যেহেতু তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পরিবেশের জন্য খুবই বিপজ্জনক তাই এর ব্যবস্থাপনা যথাযথ বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে করতে হবে।
লেখক : শিক্ষার্থী।
ই-মেইল : tamanna.kabirmahin@gmail.com