Naya Diganta

মে মাসেই পর্যটন চালুর প্রত্যাশা করছে পর্তুগাল

মে মাসেই পর্যটন চালুর প্রত্যাশা করছে পর্তুগাল

আশার আলো দেখতে শুরু করেছে পর্তুগাল সরকার। জানুয়ারির প্রথম দিকে করোনায় বিধ্বস্ত পর্তুগাল আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে করোনা পরিস্তিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণে। যদিও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক করোন রোগী আইসিইউতে রয়েছে। তবে আশা করা যায় অচিরেই এ সংখ্যাও কমে আসবে এবং আস্তে আস্তে লকডাউন উঠিয়ে নেয়া হবে।

পর্তুগালের পর্যটনমন্ত্রী রিতা মার্কেস আশা করেছেন, মে মাসের প্রথম দিকেই পর্তুগালের পর্যটনশিল্প পুরোপুরি প্রাণ ফিরে পাবে।

বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এ আশাবাদ ব্যাক্ত করে তিনি বলেন, ‘সরকার এই বিষয়ে কাজ করছে এবং যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ উপায়ে পর্যটন শিল্প খুলে দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ সীমিত করা হয়েছিল। তবে আমরা বিশ্বাস করি অতি দ্রুত সব ধরনের ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হবে। যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং যারা নেননি তবে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট আছে তাদের সবার জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করা হবে।’

তিনি নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, ‘পর্যটকদের জন্য, বিশেষ করে ব্রিটিশ পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে যা যা প্রয়োজন করা হবে।’

পর্তুগীজ জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে, গত বছর পর্তুগালে ব্রিটিশ পর্যটকদের আধিক্য বেশি ছিল। যদিও ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে ব্রিটিশ পর্যটকদের সংখ্যা ছিল ৭৮.৫ ভাগ কম।

১৭ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডিজিটাল ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট পাস প্রণয়নের জন্য আইনের প্রস্তাব করতে যাচ্ছে। এই সার্টিফিকেটে ভ্যাকসিনের তথ্যের পাশাপাশি যাত্রীদের করোনায় আক্রান্তের তথ্য এবং পরীক্ষার বৃত্তান্ত থাকবে। এতে করে ইউরোপে নাগরিকদের ভ্রমণ নিরাপদ হবে এবং পর্যটনশিল্প ঘুরে দাঁড়াবে।